রুদ্রর পরবর্তি শিকার ধানু! সবার অলক্ষে ছাদের কিনারে ধানু! ঘটে গেলো বিরাট অঘটন!

দীর্ঘদিন ধরে দর্শকদের মনে রাজত্ব করা ধারাবাহিক (Bengali Television) গুলির মধ্যে অন্যতম একটি ধারাবাহিক হলো জি বাংলার (Zee Bangla) ফুলকি (Phulki)। দীর্ঘদিন বেশ কয়েকবছর ধরে টেলিভিশনের পর্দায় চলছে এই ধারাবাহিক। ধারাবাহিকে রোহিত ফুলকির জুটি দর্শকদের তো এখন ভীষণ পছন্দের। প্রথম দিন থেকে ধীরে ধীরে দর্শকদের মন জয় করে নিচে এই জুটি। প্রায় সপ্তাহতেই টিআরপি তালিকায় দর্শকদের চমকে দেয় এই ধারাবাহিক।
ধারাবাহিকের শেষ কয়েকটি পর্বে দেখানো হয় ধানু এবং আদিত্যকে নিয়ে সবাই নবাবগঞ্জে উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। ইন্দ্র বাড়ি ফিরে এসেছে দেখে আদিত্য তো খুব খুশি। ছোট ভাইকে কাছে পেয়ে সে একেবারে আনন্দে আত্মহারা হয়ে গিয়েছে। তাই জন্য সে ধানুর সাথে যেতে রাজি হয়েছে। আর ওদিকে ছোট রানী ইন্দ্রকে বোঝাতে থাকে ফুলকি ঠিক কতটা ভয়ংকর তার জন্য রাজ পরিবারের সমস্ত প্ল্যান ভেস্তে যাচ্ছে।

তারপর ব্যান্ডপার্টি বাজাতে বাজাতে ফুলকি রোহিত মিলে আদিত্য ধানুকে নিয়ে নবাবগঞ্জে আসে। ধানু তো অনেকদিন পরে নিজের বাড়িতে ফিরে এসব দেখে বেশ খুশি। কারণ আদি এখনো ধানুর উপর রেগে আছে। ইন্দ্রর পাশে না দাঁড়ানোর জন্য তার সঙ্গে সে কথা পর্যন্ত বলছে না। কিন্তু ফুলকি ধানুকে কথা দিয়েছে তাদের দুজনের মধ্যে সমস্ত ভুল বোঝাবুঝি ঠিক করে দেবে। ধানুও বুঝতে পারছে ফুলকি সব রকম ভাবে চেষ্টা করছে তাদের মধ্যে দূরত্ব মিটিয়ে দেওয়ার।
আরও পড়ুনঃ ৭ মাস ঘরে আটক করে লাগাতার ধ’র্ষণ! ফের গ্রেপ্তার সারেগামাপা খ্যাত নোবেল!
এরপর বাড়িতে আদিত্য এবং ধানু দুজনকে বরণ করে নেওয়া হয়। সব আচার নিয়ম শুরু হয়ে যায় তাদেরকে নিয়ে। ধানু চিন্তা করতে থাকে বাড়িতে কেউ যদি জানতে পারে তাদের মধ্যে দূরত্ব তৈরি হয়েছে তাহলে ভীষণ কষ্ট পাবে মা জেঠিমারা তাই ধানু খুব করে চেষ্টা করছে যাতে বাড়ির বড়রা কেউই এই বিষয়ে কিছু না জানতে পারে।
এদিকে ফুলকি বুঝতেই পারছে ধানু এবং আদিত্যের মধ্যে সুপ্ত একটা প্রেম আছে। শুধুমাত্র একটা অভিমানের পাহাড়ের জন্য সেটা বোঝা যাচ্ছে না। তবে ফুলকির অভিজ্ঞতা তো অনেক কিছুই বলে। আর সেই অভিমানের পাহাড়টাই ফুলকি ভাঙবে আজ রাতে। তার জন্য বিশেষ ব্যবস্থা করেছে ফুলকি। তার মাথায় তো কোনো না কোনো বুদ্ধি সব সময় চলতে থাকে। দেখা যাক কিভাবে ধানু এবং আদিত্যের মধ্যে মিল করাই ফুলকি। আর ওদিকে তো রুদ্রকে রাজমহলের এক কোনায় একটি ঘরে থাকতে দিয়েছে ছোট রানী। কিন্তু রুদ্র তো আরাম বিলাস ছাড়া সহ্য হয় না কিছু। তাই রাণীমা যখন রুদ্রর সাথে দেখা করতে আসে তখন তাকে রাজপ্রাসাদ তার থাকার ব্যবস্থা করে দেওয়ার জন্য ব্ল্যাকমেইল করতে থাকে। কিন্তু রানী মা কিছুতেই রাজি হয় না। এদিকে বাড়িতে ধানুকে তো কোথাও খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না দেখে সকলেই চিন্তায় পড়ে যায়। তারপর ফুলকি আশঙ্কা করে ধানু ছাদে গেছে কিনা। এরপর সবাই ছুটে যায় ছাদে। ছাদে গিয়ে আদিত্য দেখে ধানু সুইসাইড করতে যাচ্ছে। এবারে দেখার অপেক্ষা আগামী পর্বে কি হয়।

