‘এটা কোন দেশের ভিডিও কল?…এতো বড় ডাক্তারের মান্ধাত্তা আমলের ফোন!’- ভিডিও কলের দৃশ্য দেখেই সমাজ মাধ্যমে হাসির রোল! ট্রোলের শিকার মিঠিঝোরা!

ধারাবাহিক (Bengali Serial) হলো সাধারণ মানুষের বেঁচে থাকার অন্যতম রসদ। ধারাবাহিক না থাকলে বিনোদন জগতের (Entertenment) একটা বড় অংশ বাদ পড়ে যায়। কারণ বাড়ির মা, কাকিমারা সারাদিন কাজকর্ম করার পর সন্ধ্যাবেলা থেকেই ধারাবাহিক গুলি দেখার জন্য টেলিভিশনের সামনে বসেন। তাই ধারাবাহিক বিনোদন জগতের একটি খুব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। আর এই ধারাবাহিক জগতের একটি অন্যতম জনপ্রিয় ধারাবাহিক হলে জি বাংলার (Zee Bangla) ‘মিঠিঝোরা’ (Mithijhora) ধারাবাহিক।

মিঠিঝোরা ধারাবাহিকটি দীর্ঘ কয়েক মাস ধরে জি বাংলার পর্দায় সম্প্রচারিত হচ্ছে। ধারাবাহিকের বেশিরভাগ চরিত্রগুলি বেশ গুরুত্বপূর্ণ। ধারাবাহিকের রাই চরিত্রে অভিনয় করছেন অভিনেত্রী আরাত্রিকা মাইতি। তার সঙ্গে জুটি বেঁধেছেন অনির্বাণ অর্থাৎ অভিনেতা সুমন দে। অন্যদিকে রাইয়ের মেজ বোনের চরিত্রে অভিনয় করছেন অভিনেত্রী দেবাদৃতা বসু। রাইয়ের ছোট বোনের চরিত্র স্রোতের ভূমিকায় দেখা যাচ্ছে অভিনেত্রী স্বপ্ননীলা চক্রবর্তীকে অভিনেত্রী বিপরীতে রয়েছেন অভিনেতা মৈনাক ঢোল।

প্রায়শই এই ধারাবাহিক দর্শকদের ট্রোল, সমালোচনার মুখে পড়তে হয়েছে। বর্তমানে ধারাবাহিকে দেখানো হচ্ছে খুব শীঘ্রই মা হতে চলেছে রাই। রাই এবং অনির্বাণ জীবনে আসতে চলেছে তাদের নতুন সদস্য। তবে এর মাঝে অনেক বাধা-বিপত্তি আসছে। রাইয়ের জীবনে নীলু না থাকলেও রাইয়ের প্রেগন্যান্সি নিয়ে অনেক সমস্যা এবং বাধা-বিপত্তি আসছে। তবে এর মাঝে গতকালের পর্ব দেখে ধারাবাহিকটিকে নিয়ে ফের ট্রোল, সমালোচনা শুরু হয়ে গিয়েছে দর্শকমহলে।

এমনিতে মাঝেমধ্যে ধারাবাহিকে এমন কিছু গল্প দেখানো হয় যার জন্য ট্রোলের মুখে পড়তে হয় ধারাবাহিক গুলিকে। আর মিঠিঝোরা ধারাবাহিকে একাধিকবার এমন ঘটনা ঘটেছে। যা নিয়ে দর্শকদের সমালোচনার মুখে পড়তে হয়েছে এই ধারাবাহিককে। এবারে আরো একবার গতকালের পর্ব নিয়ে শুরু হয়েছে সমালোচনা।

আরও পড়ুনঃ দুই ছোট্ট শিশুকে বিপদে ফেলল পরশুরামের পেশা! সন্তানদের রক্ষা করতে তটিনীর পাশে নতুন রূপে নায়ক! ফাঁ’স আজকের পর্ব

গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে স্রোত তার দিদির সাথে ভিডিওকলে কথা বলছে আর সেই নিয়েই শুরু হয়েছে ট্রোল, সমালোচনা। কেউ লিখেছেন, ‘তাহলে দেখো এটাই আমাদের লীনা বুড়ির ইউনিক আইডিয়া।’ আবার একজন লিখেছেন, ‘এতো পুরোনো মডেলের ফোন এখনো আছে বাপ্রে আমার জীবনের প্রথম ক্লাস 4/5 এ থাকতে আমায় এরকম একটা ফোন দিয়েছিল কবেই নষ্ট হয়ে গেছে।’

Back to top button