গোপালের মায়ায় জড়িয়ে পড়লো রুক্মিণী! চলে যেতে গিয়েও থেমে গেল সে! কিসের টানে ফিরে এলো রুকু? ফাঁ’স আজকের দুর্ধর্ষ পর্ব

জি বাংলার (Zee Bangla) দর্শকদের প্রিয় ধারাবাহিক গুলির মধ্যে অন্যতম হলো ‘পরিণীতা’ (Parineeta)। ধারাবাহিকটি বেশ কয়েক মাস হয়েছে শুরু হয়েছে জি বাংলার (Zee Bangla) পর্দায়। ধারাবাহিকের গল্প ধীরে ধীরে দর্শকদের মন জয় করে নিয়েছে। প্রথমদিকে ততটা জনপ্রিয়তা না পেলেও বর্তমানে ধারাবাহিকের গল্প যে দিকে এগোচ্ছে তাতে করে দর্শক বেশ পছন্দ করছে ধারাবাহিকটি। ধারাবাহিকটিতে শুরু থেকেই পারুল ও রায়ানের জীবনের গল্প ফুটিয়ে তোলা হচ্ছে।
ধারাবাহিকের গত কয়েক দিনের পর্বে দেখানো হয়েছে এদিকে তপন বাবুর বাড়ির ঠিকানা পেয়ে পারুল রায়ান সেখানে যায়। আর অন্যদিকে সেদিনই তূর্য নিজের বাড়ি যায়। তুর্যর মা তার খাতির যত্ন করতে লেগে পরে। আর অন্যদিকে রায়ান এবং পারুলও এসে হাজির। তূর্য তখন সবেমাত্র খেতে বসেছে। আর দরজার বেল বেজে ওঠে। তূর্য দরজা খুলতে গিয়েও থেমে যায়। কোনভাবে তূর্য বুঝে গিয়েছে বসু বাড়ির লোক এসেছে। তাই তূর্য তার মাকে বলে দরজা খুলতে, আর বাড়িতে যে কেউ নেই সেটা ভালো করে বুঝিয়ে দিতে। এরপর তূর্যর মা গিয়ে দরজা খোলে। তারপর তো রায়ান পারুল নানান বাহানায় ঘরে ঢুকে আসে। পারুল নিজের বুদ্ধিতে ঠিক দেখে নেয় ঘরে অন্য কেউ আছে। কিন্তু ওই মহিলার দুর্ব্যবহারে তারা কেউ সেখানে থাকতে পারে না।

এরপর পারুল রায়ান পাড়ার লোকেরা থেকে খোঁজ খবর নিতে বের হয়। কিন্তু পাড়ার লোকও তেমন কিছু বলতে পারে না। শুধু ওই মহিলার যে একটা ছেলেও আছে। আর পাড়ার লোকের কাছে এই কথা শোনার পর পারুল নিশ্চিত হয়ে যায় যে নিশ্চয়ই ওই মহিলার ঘরে তখন ওনার ছেলেই ছিল এবং তাদের আসার খবর পেয়ে সে তৎক্ষণাৎ লুকিয়ে গেছে কোথাও, তাই জন্যই তাকে দেখতে পাইনি পারুলরা।
আরও পড়ুনঃ ‘শোকেস দেখে গোডাউনের আন্দাজ করে লাভ নেই…’ কাকে খোঁচা মেরে এমন কথা বললেন কাঞ্চন?
আর এদিকে গোপালের রুক্মিণীর কেমিস্ট্রি জমে তো একেবারে ক্ষীর। গোপালের জামাকাপড় গোছানোর সময় তার প্যান্টের পকেট থেকে রুক্মিণী নিজের চুলের ক্লিপ এবং তার একটি ছোট পাসপোর্ট সাইজের ছবি খুঁজে পায়। যা দেখে রুক্মিণীর মনে গোপালের জন্য অন্যরকম অনুভূতি তৈরি হয়। গোপালের ভালোবাসা বুঝতে পারে রুক্মিণী। গোপাল যে ধীরে ধীরে তার সঙ্গে জড়িয়ে পড়ছে সেটা অনুভব করে রুক্মিণী। অন্যদিকে গোপাল এবং রুক্মিণী একসঙ্গে লড়াই করেই মালতিকে স্কুলে পড়াশোনা করানোর জন্য পাঠিয়েছে। তাই এইসবের মধ্যে আরও একে অপরের সঙ্গে জড়িয়ে পড়ছে তারা। রুক্মিণীর যে ধীরে ধীরে গোপাল এবং এই গ্রামের প্রতি মায়া জন্মেছে সেটাও বুঝতে পারছে গোপাল।
তবে কি এবারে রুক্মিণী এবং গোপাল নতুনভাবে নিজেদের সংসার শুরু করবে। এইসবের বাহানাতে কি তারা কাছে আসবে একে অপরের। এমনিতেই তো দর্শক রুক্মিণী এবং গোপালের কেমিস্ট্রি দেখতে ভীষণ ভালবাসে। তার মধ্যে দুজনের এই ছোট ছোট মুহূর্তগুলো ভীষণই উপভোগ করছেন দর্শক। পরবর্তী এপিসোডে রুক্মিণী এবং গোপালকে আরো কাছাকাছি দেখা যাবে। মালতির এই যুদ্ধেই গোপাল এবং রুক্মিণী একে অপরের আরো কাছাকাছি চলে আসবে। যদি সত্যিই এমনটা হয় তাহলে কতটা ভালো লাগবে দর্শকদের।

