অনন্যার প্রস্তাব ফিরিয়ে দিল নতুন! ডল নয়, তার জীবন জুড়ে শুধুই কমলিনী! তবে কি এখান থেকেই শুরু হবে নতুন কমলিনীর একসাথে পথ চলা? ফাঁ’স আজকের পর্ব

স্টার জলসার (Star jalsha) সদ্য শুরু হওয়া ধারাবাহিক (Bengali Serial) গুলির মধ্যে অন্যতম একটি হলো চিরসখা (Chirosokha)। দীর্ঘদিন পর এই ধারাবাহিকের হাত ধরে টেলিভিশনের পর্দায় ফিরেছেন অভিনেত্রী অপরাজিতা ঘোষ দাস (Aparajita Ghosh Das)। এছাড়াও ধারাবাহিকে একেবারে অন্যরকম একটি চরিত্রে দেখা যেতে অভিনেতা সুদীপ মুখোপাধ্যায়কে (Sudip Mukherjee)। আরও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করছেন টেলিভিশনের পর্দার অত্যন্ত জনপ্রিয় অভিনেতা অভিনেত্রীরা।
ধারাবাহিকে একটি অসমবয়সী প্রেম ফুটিয়ে তোলা হবে আগামী দিনে সেটা ধারাবাহিকের গল্প সেদিকে এগোচ্ছে তাতেই বোঝা যাচ্ছে। আর বাকি পাঁচটা ধারাবাহিকের চেয়ে যে এই ধারাবাহিক একেবারেই আলাদা হতে চলেছে সেটা প্রথম থেকেই বোঝা গিয়েছিল। আর যেখানে ধারাবাহিকের লেখিকা লীনা গঙ্গোপাধ্যায়, সেখানে তো আলাদা কিছু হতেই হবে।
ধারাবাহিকের গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে পরের দিন নতুন যায় অনন্যাদের বাড়িতে। যেহেতু অনন্যা দেখা করতে বলেছিল তাই জন্য নতুন সকাল সকালে দেখা করতে যায় আর তখনই অনন্যার স্বামী নতুনকে জানাই হয়তো ডলের সঙ্গে নতুনের বিয়ে দেওয়ার জন্য অনন্যা ডেকে পাঠিয়েছে। সেই আলোচনায় হয়তো আজ হবে। নতুন এই কথা শুনে অবাক হয়ে যায়। নতুন যে এই বিষয়টা একেবারেই আন্দাজ করতে পারিনি তা নয়। তবে অনন্যা যে তার কাছে এরকম একটা প্রস্তাব রাখবে সেটা সে আশা করেনি একদম।
এত বছর বাদে তার পক্ষে এখন এসব নিয়ে ভাবা একেবারেই সম্ভব নয়। এই বয়সে এসে ভাবছে না সে। আর সব থেকে বড় কথা যাকে নিয়ে নতুন এসব কোনদিনও ভাবেনি তার সঙ্গে তো নতুনভাবে সংসার শুরু করার কোন মানেই হয় না। এরপরই অনন্যা এবং ডল আসে নতুনের জন্য চা এবং খাবার নিয়ে তখনই অনন্যা বলে ডল অনেক দিন হল বিদেশে একা রয়েছে। তাই ডল এবং নতুনের চার হাত এক করতে চান তিনি। কিন্তু নতুন জানিয়ে দেয় নতুন এই বিয়ের জন্য একেবারে রাজি নয়। পাশাপাশি নতুন এটা স্পষ্ট করে বলে দেয় যে কমলিনী তার জীবন থেকে এখনো চলে যায়নি তাই অনন্যা যেন এই ভুলটা না করে।
আরও পড়ুনঃ কৌশিকীর হাতে সমস্ত প্রমাণ তুলে দিলো দুর্গা! সামনে এলো মুখার্জি বাড়ির কুকর্মের ফল! ফাঁ’স আজকের দুর্ধর্ষ পর্ব
ওদিকে বাড়িতে বুবলাই এবং তার বউকে নিয়ে এখনো অশান্তি চলছে। বর্ষা কিছুতেই বাড়িতে খেতে চাইছে না। বুবলাই বোঝানোর পরে বর্ষা খেতে রাজি হয়। এদিকে এখনো কোনো চাকরি খুজে পাইনি বুবলাই। বর্ষা জানিয়ে দেয় বুবলাই চাকরি পাওয়ার পর তাদের সংসার আলাদা করে নেবে। বাড়ি ছেড়ে যাবে না কিন্তু একসঙ্গে তাদের পক্ষে থাকা সম্ভব নয়। তখনই কমলিনী বলে নতুন তাদের মাসিক খরচার জন্য টাকা পাঠিয়েছে। কিন্তু সেই টাকাটা তাদের ফিরিয়ে দেওয়া উচিত নতুনকে। নতুনের দিয়ে যাওয়া বাড়িতে যখন নতুন থাকছে না তখন তার টাকা হাতে পেতে নেওয়ার কোন মানে হয় না। কিন্তু বর্ষা এবং বুবলাই দুজনেই ওই টাকাটা পাওয়ার জন্য উঠে পড়ে লাগে। তাদের উদ্দেশ্যে ভালো মতোই বোঝা যাচ্ছে। দেখা যাক কি হয় আগামী পর্বে।

