ধরা পড়ল খু’নি সুপায়ন! সবার সামনে সুপায়নকে কষিয়ে চড় মারল আনন্দী! টেনে ছিঁড়ে ফেলল ভালো মানুষের মুখোশ! দুর্ধর্ষ আজকের পর্ব

জি বাংলার (Zee Bangla) দর্শকদের পছন্দের ধারাবাহিকগুলির মধ্যে একটি হলো আনন্দী (Anondi)। প্রতি সপ্তাহে টিআরপি তালিকায় (TRP List) ভালোই ফলাফল করছে ধারাবাহিকটি। বর্তমানে তো ধারাবাহিকটি বেশ জমে উঠেছে। টিআরপি তালিকায় বেশ ভালই ফলাফল করছে প্রতি সপ্তাহে। অবশেষে আদি আনন্দী সব বাধা পেরিয়ে নতুনভাবে সবকিছু শুরু করেছে।
ধারাবাহিকের গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে আদির ডাক্তারির লাইসেন্স প্রায় ক্যানসেল হতে যাচ্ছিল কেউই আদির কোনো কথা বিশ্বাস করতে চাইছিল না। কিন্তু আদিকে নির্দোষ প্রমাণ করার দায়িত্ব নিয়েছে আনন্দী। তাই ঠিক সময় মতন প্রমাণ নিয়ে চলে এসেছে আনন্দী। আনন্দী এসে বারবার প্রমাণ দেখানোর কথা বলে কিন্তু প্রথমে কেউই আনন্দীর কথা বিশ্বাস করতে চায় না। আনন্দীকে বের করে দিতে চায়।

কিন্তু আনন্দী বলে আদিকে নির্দোষ প্রমাণ না করে সে কিছুতেই সেখান থেকে যাবে না। এরপর আনন্দী নিজের মোবাইল ফোনের মাধ্যমে কিছু ছবি এডিট করে নতুন টেকনোলজির সাহায্যে দেখায় কিভাবে সুপায়ন মেয়ে সেজে ওই দিন ঘটনাস্থলে ছিল। ছবির সাথে ওই মহিলার কি অদ্ভুত মিল আছে। এরপর সবাই দেখে সত্যি তারা যে মহিলাকে দেখেছে আর আনন্দীর দেখানো ওই মহিলার মধ্যে অনেক মিল আছে।
এরপর মিটিংয়ে উপস্থিত সবাইকে আনন্দী বলে এর আগেও সুপায়ণ অনেক ক্ষতি করার চেষ্টা করেছে। নার্সিংহোমের খাওয়ারে ভেজাল মিশিয়ে টাকা সরিয়েছে। আর অনেকবার অনেক ক্ষতি করার চেষ্টা করছে। এরপর আনন্দীর কথা শুনে সবাই বুঝতে পারে সেখানে সত্যি সুপায়ন দোষী। অন্যদিকে সুপায়ন আর নন্দিনী তো নিশ্চিন্তে আছে যে আদির ডাক্তারির লাইসেন্স বাতিল হবে।
আরও পড়ুনঃ তুর্যর জালে জড়িয়ে পড়ল বসু পরিবার! অকারণে ফেঁসে গিয়ে পুলিশি হেফাজতে নির্দোষ মনোজিৎ! একটা ছোট্ট ভুলে তুর্যর চালাকি ধরে ফেলল পারুল! ফাঁ’স আজকের পর্ব
বাড়িতেও সবাই চিন্তা করছে আদিকে নিয়ে। ওইদিকে আনন্দী যখনই আদিকে নির্দোষ প্রমাণ করে বাড়ি নিয়ে যাবে অমনি তিতির এসে বলে এই ঘটনায় সুপায়ন একেবারেই নির্দোষ। আদি আনন্দী ভাবতেই পারেনি তিতির এরকম মিথ্যে বলবে। তার কিছুক্ষণ পরই দেখা যায় আদি আনন্দী ফিরে আসে বাড়িতে। সবাই তাদের প্রশ্ন করতে থাকে কিন্তু আনন্দী উপর থেকে সুপায়নকে টানতে টানতে নিয়ে এসে জোর করে বসিয়ে মেকাপ করিয়ে মহিলা সাজিয়ে তোলে। কিন্তু এসব কি হচ্ছে কেউই বুঝতে পারে না। তারপরই আনন্দী চিৎকার করে সবার সামনে সুপায়নকে চড় মারে আর বলে এই সুপায়ন আনন্দীর বাবাকে খুন করেছে।

