‘গাধার নাম দিলেন ময়ূর আর তাকে কালারফুল করতে পাশে বসালেন রঞ্জন’- সাংবাদিককে গাধার সাথে তুলনা! হিন্দু নি’ধনের পরেও সন্ত্রাসের ধর্ম হয় না ঋত্বিক চক্রবর্তীর কাছে!

টলিউড (Tollywood) ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির (Film Industry) জনপ্রিয় অভিনেতা অভিনেত্রীদের মধ্যে অন্যতম একজন হলেন ঋত্বিক চক্রবর্তী (Ritwick Chakraborty)। দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে অভিনয় জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিনেতা। আজ পর্যন্ত ঋত্বিকের অভিনীত সবকটা ছবি বক্স অফিসে দারুন সাফল্য পেয়েছে। বহু পরিচালক প্রযোজক কাজ করেছেন অভিনেতার সাথে।
তবে অভিনেতা বাস্তব জীবনে কিন্তু প্রচন্ড ঠোঁট কাটা স্বভাবের। সত্যি কথা মুখের উপর বলে দিতে দুবার পর্যন্ত ভাবেন না। অন্যায়ের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতেও বারবার দেখা গিয়েছে ঋত্বিককে। সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রায়শই তার বিভিন্ন বিস্ফোরক মন্তব্য চোখে পড়ে নেটিজেনদের। যা নিয়ে প্রায়ই সমালোচনার মুখে পড়তে হয় অভিনেতাকে। কিন্তু অভিনেতাকে থামিয়ে রাখা যায়নি। সম্প্রতি আরও একবার সোশ্যাল মিডিয়ায় নিজের পোস্টের মাধ্যমে উত্তেজনা ছড়িয়েছেন ঋত্বিক।

সম্প্রতি কিছুদিন আগেই ঋত্বিক তার ফেসবুকে একটি পোস্ট করেন। সেই পোস্টটিতে লেখা ছিল, ‘ধরুন একটা গাধার নাম দিলেন ময়ূর আর তাকে কালারফুল করতে পাশে বসালেন রঞ্জন,তাহলে পুরোটা হল ময়ূররঞ্জন।’ আসলে শেষ কিছুদিন ধরে পহেলগাঁওতে ঘটে যাওয়া নৃশংস ঘটনা নিয়ে উত্তেজিত গোটা দেশ। এরই মধ্যে জনপ্রিয় নিউজ চ্যানেলের পক্ষ থেকে সিনিয়র সাংবাদিক ময়ূখরঞ্জন এমন বক্তব্য রাখবেন তা কেউই ভাবতে পারেনি।
আর অভিনেতার এই পোস্ট দেখে অসংখ্য মানুষ অভিনেতাকে সমর্থন করেছেন একজন সম্মানীয় সিনিয়র সাংবাদিক কিভাবে এই ধরনের মন্তব্য করতে পারেন এবং কিভাবে এই ধরনের খবর প্রচার করতে পারেন তাই নিয়েই অবাক হয়ে গিয়েছে সকলে। কমেন্ট বক্সে অসংখ্য মানুষ নিজেদের মতামত জানিয়েছেন প্রায় প্রত্যেক এই ঋত্বিককে সমর্থন করেছেন। আবার অনেকেই কটাক্ষ করেছেন ঋত্বিককে। অভিনেতা এখনো এতকিছুর পরেও এদের কাছে সন্ত্রাসবাদীদের কোনো ধর্ম হয় না। সেক্যুলারিজম এর নামে এখনো একটা ধর্মকে তোষণ করছে। যা নিয়ে নেটিজেনদের কাছে কথা শুনতে হয় ঋত্বিককেও।
আরও পড়ুনঃ মা’রণ রোগ কেড়ে নিয়েছে জীবন! পৃথিবীকে চির বিদায় জানিয়ে নিরবে চলে গিয়েছেন রমেন রায়চৌধুরী! অভিনেতার প্রয়াণে শোকাহত ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রি!
একজন লিখেছেন, ‘সাংবাদিক প্রফেশনের মর্যাদাটায় কাদা করে দিল।’ কারোর দাবি, ‘একটা সাংবাদিকের দ্বায়িত্ব বোধ এতো কম হতে পারে তা একে দেখলেই বোঝা যায় আসলে পেশাদারিত্বের অভাব।’ আবার অন্য একজন বলেছেন, ‘সংবিধান অবমাননার দায়ে কেস হচ্ছে না কেন? এইসব “মাল”গুলোকে জনসমক্ষে ছেড়ে রাখাটাই একটা বিপদ। বন্যেরা বনে সুন্দর, গোদী মিডিয়া খাঁচায়।’ আরেকজন বলেছেন, ‘আসলে রিপাবলিক বাংলার সবকটা সাংবাদিক কে থার্ডক্লাস লাগে। পৃথিবীর কোন দেশের সাংবাদিক দের এমন চিল্লাতে দেখি নাই।’

