জেলে বসেই ফুলকিকে মা’রার নতুন ছক! আরও ভয়ানক হয়ে উঠলো রুদ্র! ফাঁ’স ধারাবাহিকের আজকের পর্ব!

দীর্ঘদিন ধরে দর্শকদের মনে রাজত্ব করা ধারাবাহিক (Bengali Television) গুলির মধ্যে অন্যতম একটি ধারাবাহিক হলো জি বাংলার (Zee Bangla) ফুলকি (Phulki)। দীর্ঘদিন বেশ কয়েকবছর ধরে টেলিভিশনের পর্দায় চলছে এই ধারাবাহিক। ধারাবাহিকে রোহিত ফুলকির জুটি দর্শকদের তো এখন ভীষণ পছন্দের। প্রথম দিন থেকে ধীরে ধীরে দর্শকদের মন জয় করে নিচে এই জুটি। প্রায় সপ্তাহতেই টিআরপি তালিকায় দর্শকদের চমকে দেয় এই ধারাবাহিক।
ধারাবাহিকের শেষ কয়েকটি পর্বে দেখানো হয় ফুলকিরা গিয়ে পৌঁছায় দিল্লির গেমস ভিলাতে। সেখানে গিয়ে রোহিত সবার সাথে ফুলকির পরিচয় করিয়ে দেয়। আগের বারের দুর্ঘটনাগুলির কথা মাথায় রেখে এবারে গেমস ভিলার সিকিউরিটি আরো বাড়ানো হয়েছে। আরও সতর্ক করা হয়েছে সবাইকে, সিকিউরিটি চেক করিয়ে তবে ভেতরে ঢোকানো হচ্ছে। এদিকে যারা এবার দেশের হয়ে খেলতে এসেছে তাদের প্রত্যেকের জন্য গেমস ভিলাতে একটি ছোট খাওয়া দাওয়ার আয়োজন করা হয়েছে। সেখানেই রোহিত ফুলকিকে নিয়ে গিয়ে সবার সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেয়। ফুলকি দেখতে থাকে কত দেশ থেকে কত বক্সার এসেছে প্রতিযোগিতায়। তারপর হঠাৎই সেখানে ছদ্মবেশে উপস্থিত হয় শালিনী। দূর থেকে শালিনী ফুলকি রোহিতকে দেখছিল। আর বোঝা যাচ্ছে ফুলকির কোন ক্ষতি করতে বদ বুদ্ধি নিয়ে এসেছে শালিনী।

এদিকে বাড়ি থেকে লাবণ্য ফুলকিদের খোঁজ নেওয়ার জন্য ফোন করে। তারপর ফুলকি তাদের সমস্ত খোঁজখবর দিতে থাকে এখানে কি কি হচ্ছে কি না হচ্ছে? সবাই তো অনেক আশা নিয়ে থাকে ফুলকি জিতে ফিরবে। ফুলকি একটু ভয় পাচ্ছে, আসলে এত লোকের মাঝে ফুলকি এই প্রথমবার অংশ নিচ্ছে তাই একটু ভয় করছে। কিন্তু বাড়ির সবাই ফুলকির পাশে আছে জেনে ফুলকির মনের জোর বেড়ে যায়।
এদিকে শালিনী তো সেখানে একজন বিদেশি সাংবাদিকের ছদ্মবেশে উপস্থিত হয়েছে। সে ফুলকির ইন্টারভিউ নিতে চায়। তাই জন্য রোহিতের সঙ্গে কথা বলে কিন্তু রোহিত বুঝতেই পারে না ছদ্মবেশী ওই মহিলার পেছনে রয়েছে শালিনী। রোহিত পরে ফুলকির সাথেও আলাপ করাতে আনে। তখনই শালিনী ফুলকির মধ্যে ধাক্কা লাগে এবং শালিনীর চোখ থেকে চশমা খুলে পড়ে যায়। আর ফুলকির মনে সন্দেহ তৈরি হয়। কিন্তু সেই সময় আর কথা বাড়ায় না ফুলকি। এরপর রোহিত ফুলকি চলে আসে নিজেদের ঘরে। ফুলকি তখন রোহিতকে এসে বলে তার মনে হল ওই বিদেশী সাংবাদিক ধাক্কা খাওয়ার পর বাংলায় ফুলকি বলে উঠতে যাচ্ছিল, তারপর কোনমতে নিজেকে সামলে নিয়েছে। আর ফুলকির ওই সাংবাদিককে বেশ চেনা চেনা লাগছিল। তবে রোহিত এখন আর ফুলকির এই কথায় খুব একটা বেশি গুরুত্ব দেয় না। ফুলকিকে খেলার উপর মনোযোগ দিতে বলে।
আরও পড়ুনঃ ‘আমার সৎ বাবা মেনে নিতে পারেননি…’- সংবাদ পাঠিকা দিয়ে জীবনের শুরু! বাড়ির অমতে কঠিন লড়াই করে আজ সফলতার শীর্ষে পিয়ালী বসু!
এরপর শুরু হয় ফুলকির ট্রেনিং।তারপর পরপর ম্যাচ, পরপর সব ম্যাচেই ফুলকি একের পর এক প্রতিযোগীকে হারিয়ে পৌঁছে যায় সেমিফাইনালে। কোয়ার্টার ফাইনালে দুর্দান্ত পারফরমেন্স করে ফুলকি ঠিক জায়গা করে নেয় সেমিফাইনাল ম্যাচে। ফুলকির জন্য সকলেই গর্ব
অনুভব করে। কিন্তু এই সেমিফাইনালে কি ফুলকি সাথে ঘটবে কোন বড় বিপদ? রুদ্র জেলে বসেই মনে মনে ঠিক করতে থাকে ফুলকিকে কিছুতেই ম্যাচে জিততে দেওয়া যাবে না। তাহলে কি ফুলকির সামনে অপেক্ষা করছে কোন বড় বিপদ দেখা যাক কি হয়।

