নিজের হাতেই অন্যায়ের প্রায়শ্চিত্ত করলো হৈমন্তী! কোর্ট চত্বরে সকলের সামনে রুদ্রকে শেষ করে দিল সে! ফাঁ’স ধারাবাহিকের আজকের পর্ব!

দীর্ঘদিন ধরে দর্শকদের মনে রাজত্ব করা ধারাবাহিক (Bengali Television) গুলির মধ্যে অন্যতম একটি ধারাবাহিক হলো জি বাংলার (Zee Bangla) ফুলকি (Phulki)। দীর্ঘদিন বেশ কয়েকবছর ধরে টেলিভিশনের পর্দায় চলছে এই ধারাবাহিক। ধারাবাহিকে রোহিত ফুলকির জুটি দর্শকদের তো এখন ভীষণ পছন্দের। প্রথম দিন থেকে ধীরে ধীরে দর্শকদের মন জয় করে নিচে এই জুটি। প্রায় সপ্তাহতেই টিআরপি তালিকায় দর্শকদের চমকে দেয় এই ধারাবাহিক।
ধারাবাহিকের শেষ কয়েকটি পর্বে দেখানো হয় রুদ্র এবং রিকির মধ্যে কি সমস্ত চোখে চোখে ইশারা হচ্ছে। লাবণ্য বুঝতে পারে ফুলকিরা নিশ্চয়ই কোন বিপদে পড়েছে। তারপর সমস্ত বাধা-বিপত্তি পেরিয়ে অবশেষে কোর্টে হাজির হতে পেরেছে তারা। এরপর ফুলকি এসে রুদ্রর নামের একের পর এক পর্দা ফাঁস করতে থাকে। ফুলকি বলে প্রতিবার প্রমাণের অভাবে রুদ্র বেচে গেছে কিন্তু এবারে আর বাঁচতে পারবে না, এবারে সব প্রমাণ নিয়ে এসেছে ফুলকিরা। তখনই রোহিত উত্তেজিত হয়ে কোর্টে দাঁড়িয়ে বলে তথাকে আসলে রুদ্র খুন করেছে।

কিন্তু কোর্টে তো প্রমাণ দরকার। তাই লাবণ্য, রোহিত সবাই পরপর এসে সাক্ষী দিতে থাকে। রুদ্রর বিরুদ্ধে কি কি অন্যায় করেছি সমস্ত কথা বলতে থাকে বিচারকের সামনে। এর পরই তথা মৃত্যু প্রসঙ্গ উঠলে বিচারক প্রমাণ দেখতে চায়। এরপর ফুলকি রোহিত দিল্লি থেকে যেই ভিডিও ক্লিপ নিয়ে এসেছিল সেটা সবার সামনে পেশ করে। ওই ভিডিও দেখে তো প্রত্যেকেই অবাক হয়ে যায়। কেউ নিজের চোখে বিশ্বাসই করতে পারে না।
এরপর দিল্লি থেকে পান্ডে জি এবং জামাল ভাইকে নিয়ে আসা হয়েছিল তাদের এক এক করে কোর্টে সাক্ষী দেওয়ার জন্য নিয়ে আসা হয়। রুদ্র তো ভালোই বুঝতে পারছে এবারে আর সে নিজেকে কোন ভাবেই বাঁচাতে পারবে না। রিকিও বুঝতে পারছে সে তার দাদাকে আর বাঁচাতে পারবে না তাই বৌদির কাছে এবার সাহায্য চাইতে যায়। কিন্তু লাবণ্য জানিয়ে দেয় যে রুদ্র যা সমস্ত অন্যায় করেছে তাতে তার আর কোন ক্ষমা হয় না। তাই রিকিকে কোন ভাবে সাহায্য করতে পারবে না লাবণ্য।
আরও পড়ুনঃ ‘চিরদিনই তুমি যে আমার’ সিরিয়ালের গল্প নাকি শ্রীময়ী-কাঞ্চনকে ঘিরে? ইঙ্গিত শ্রীময়ী’র, তুমুল সমালোচনায় নেটপাড়া!
এরপর বিচারক জানিয়ে দেয় রুদ্র কোনভাবে জামিন তো পাবেই না বরং তার যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ঘোষণা করছে কোর্ট। সমস্ত সাক্ষ্য প্রমাণ দেখে রুদ্রর শাস্তি ঘোষণা করে বিচারক। ফুলকিরা এতদিনে নিজেদের সমস্ত পরিশ্রমের ফল হাতে হাতে পেয়েছে। সমস্ত অন্যায় শেষ হলো আজ। কিন্তু নিজেকে বাঁচানো শেষ চেষ্টা করে রুদ্র। ফুলকির মাথায় বন্ধুর ঠেকিয়ে পালানোর চেষ্টা করে। কিন্তু হঠাৎ করে পিছন থেকে গুলি এসে লাগে রুদ্রর পিঠে এবং মাটিতে লুটিয়ে পড়ে রুদ্র। তারপরই দেখা যায় রুদ্রকে পিছন থেকে গুলি করেছে জেঠিমা।

