পারুলের বুদ্ধিতে রায়ানের সাস্পেনশন লেটার দাদুর হাতে! দাদুর রো’ষে কচু কা’টা রায়ান! ফাঁ’স ধারাবাহিকের আজকের পর্ব!

জি বাংলার (Zee Bangla) দর্শকদের প্রিয় ধারাবাহিক গুলির মধ্যে অন্যতম হলো ‘পরিণীতা’ (Parineeta)। ধারাবাহিকটি বেশ কয়েক মাস হয়েছে শুরু হয়েছে জি বাংলার (Zee Bangla) পর্দায়। ধারাবাহিকের গল্প ধীরে ধীরে দর্শকদের মন জয় করে নিয়েছে। প্রথমদিকে ততটা জনপ্রিয়তা না পেলেও বর্তমানে ধারাবাহিকের গল্প যে দিকে এগোচ্ছে তাতে করে দর্শক বেশ পছন্দ করছে ধারাবাহিকটি। ধারাবাহিকটিতে শুরু থেকেই পারুল ও রায়ানের জীবনের গল্প ফুটিয়ে তোলা হচ্ছে।

ধারাবাহিকের গত কয়েক দিনের পর্বে দেখানো হয়েছে কলেজের স্যার তো জানিয়ে দিয়েছে ৭ দিনের জন্য সাসপেন্ড লেটার সবার বাড়িতে বাড়িতে যাবে। সেটাই আটকানোর প্ল্যান করে রায়ান। মল্লারের সাথে মিলে বাড়ির দরজায় পাহারা দিতে থাকে। বাড়িতে কেউ ঢোকার আগে সমস্ত কিছু চেক করে নিয়ে তাকে বাড়িতে ঢুকতে দেয়। এমনকি বাড়ির বাজার, ডেলিভারি পর্যন্ত সবকিছু খুঁটিয়ে দেখতে থাকে। আর পারুল ভালোমতোই জানে বাড়িতে যাতে ওই লেটারটা কোনোভাবেই না পৌঁছায় তার সব রকম ব্যবস্থা করবে রায়ান। তাই পারল দাদুর ড্রাইভার নারুর সাথে যোগাযোগ রেখে রায়ানের উপর নজর রাখে।

Parineeta, Zee Bangla, Bengali Serial, Bengali Television, পরিণীতা, জি বাংলা, বাংলা সিরিয়াল, বাংলা টেলিভিশন, Parineeta New Episode

পারুল প্ল্যান করতে থাকে কিভাবে দাদুর হাতে এই লেটারটা পৌঁছে দেওয়া যায়। কারণ যদি রায়ান এবার শাস্তি না পায় তাহলে সে আর কোনদিনই শুধরাবে না। তারা প্রত্যেকেই ভালো ছাত্র-ছাত্রী তাই জন্য এত বড় বিশ্ববিদ্যালয় সুযোগ পেয়েছে পড়াশোনা করার। কিন্তু কিছু বাজে সঙ্গে মিশে তারা একেবারে তলিয়ে যাচ্ছে আর রায়ান যে ভালো ছেলে সেটা জানে পারুল। তাই পারুল নাড়ুর সঙ্গে যোগাযোগ করে ছদ্মবেশে ঢুকে বসু বাড়িতে। তার আগে কলেজে ওই পিওনের থেকে রায়ানের সাসপেন্স লেটারটা নিজের কাছে নিয়ে নেয়।

আরও পড়ুনঃ মারে হরি তো রাখে কে? চোখের পলকে সব শেষ! মাঠে মারা গেল রুদ্রের শেষ চাল! কোমরে দড়ি পড়তেই একি করল রুদ্র?

এরপরে ধোপার বউ সেজে বসু বাড়িতে নাড়ুর সাহায্যে ঢুকে পড়ে পারুল। কোনভাবে রায়ান এবং মল্লারকে পেরিয়ে দাদুর ঘর অব্দি পৌঁছে যায়। সেখানেই সাবধানে রেখে আসে লেটারটা। কিন্তু যাবার সময় পারুলকে সবাই চেপে ধরে। কোন রকমে নিজেকে সেখান থেকে বাঁচিয়ে আসে পারুল। কিন্তু সবারই সন্দেহ হতে থাকে ছদ্মবেশী পারুলের উপরে। এরপর রায়ানের কাছে একটা ফোন আসে। ততক্ষণই রায়ান জানতে পারে ছদ্মবেশে আর কেউ নয়, পারুল ঢুকেছিল তাদের বাড়িতে।

রায়ানের এবার ভয় হতে থাকে, পারুল যে লেটারটা দিতেই এসেছিল সেটা বুঝতে পারে সে ভালোমতো। তার কিছুক্ষণ পরেই দাদু এসে চিৎকার শুরু করে দেয় রায়ানের উপরে। তিনি ভীষণভাবে রেগে যায়। বাড়ির সবাইকে জানায় রায়ান কি করেছে। আর কলেজ থেকে তাকে সাসপেন্ড করে দেওয়া হয়েছে। এদিকে পারুলের একটু খারাপ লাগতে থাকে রায়ানের জন্য। কিন্তু রায়ানকে ভালো পথে আনার জন্য এইটুকু শাস্তি তাকে দিতেই হত।

Back to top button