এবার বড় পর্দায় ফুটে উঠবে আরজিকর কান্ড! সামনে আসবে দুষ্কৃতীদের আসল চেহারা! তিলোত্তমার চরিত্রে অভিনেত্রী পায়েল সরকার!

আরজিকর কাণ্ডে (R.G Kar Case) এখনও উত্তাল গোটা দেশ। বিভিন্ন জায়গা থেকেই বের হচ্ছে পথ মিছিল, তিলোত্তমার প্রতি হওয়া অন্যায়ের বিচার চাইতে সোচ্চার সাধারণ মানুষ থেকে টলিউডের একাংশ সেলিব্রেটিরা (Tollywood Celebrity)। গত ৯ই আগস্ট কর্মরত মহিলা চিকিৎসকের সাথে যে ঘৃণ্য অপরাধ করা হয়েছে তাতে নড়ে উঠেছে গোটা দেশ। বেশ কয়েকমাসের বেশি সময় কেটে গিয়েছে এখনো থামেনি আন্দোলন, এই আন্দোলন থামার নয়। যতদিন না পর্যন্ত সঠিক বিচার হচ্ছে, জুনিয়র ডাক্তারদের সব দাবি মানা হচ্ছে ততদিন এই আন্দোলন থামবে না।
এই ঘটনায় প্রায়দিনই যে সমস্ত সেলিব্রিটিদের পথে নামতে দেখা গিয়েছে তাদের মধ্যে অন্যতম হল স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায়, দেবলীনা দত্ত, সোহিনী সরকার, সৃজিত মুখোপাধ্যায় আরও অনেকে। জুনিয়র ডাক্তারা টানা অনশন করেছেন। কিন্তু ওই ঘটনার এখনো সুবিচার হয়নি। তারপরে অনেক ঘটনার কথা শোনা গিয়েছে, সামনে এসেছে বহু পুরনো ঘটনাও।

এমন পরিস্থিতিতে ২৫ এপ্রিল মুক্তি পেতে চলেছে মিলন ভৌমিকের নতুন ছবি ‘প্রশ্ন’। এবারে ঘটে যাওয়া ঘটনার পুনর্নির্মাণের চেষ্টা করেছেন এই ছবিতে। নির্যাতিতার ভূমিকায় অভিনয় করেছেন পায়েল সরকার। এছাড়াও রয়েছেন রাজেশ শর্মা, তুলিকা বসু, খরাজ মুখোপাধ্যায়, রাজ ভৌমিক, সুদীপ মুখোপাধ্যায়, স্বাগতা মুখোপাধ্যায়, পাপিয়া অধিকারী, মৌবনি সরকার, সুমন বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ আরও অনেকে।
আরও পড়ুনঃ দুষ্কৃতীদের কবলে জনপ্রিয় নায়িকা! হাত-পা বেঁধে সারারাত ধরে চলল অত্যাচার! নৃ’শংসতার স্বীকার অসহায় অভিনেত্রী!
নির্যাতিতার ভূমিকায় অভিনয় মুখের কথা নয়। এমন স্পর্শকাতর চরিত্রে পায়েল অভিনয়ের আগে নিজেকে কী ভাবে প্রস্তুত করেছিলেন? পায়েল বললেন, “এই ধরনের স্পর্শকাতর ঘটনা আমাদের ছুঁয়ে যায়। ফলে না চাইতেই সে সম্পর্কে ওয়াকিবহাল থাকি। আমিও সেটাই করেছি।” অভিনেত্রী আরও বলেন, “এটা দেখাতে পারবে, কোনও রাজনৈতিক দল এই নির্যাতনের সঙ্গে জড়িত নয়। নারী নির্যাতন আমাদের সমাজের শিরা-উপশিরায়। ঘরে ঘরে আজও এই ব্যাধির দাপট। আমরা অন্যায় চাপা দিতে শাসনব্যবস্থাকে দায়ী করি।”
প্রসঙ্গত, ছবিটি ইউ+এ১৬ শংসাপত্র পেয়েছে সেন্সর বোর্ড থেকে। কারণ হিসেবে পরিচালক জানিয়েছেন, ছবিটির সঙ্গে বিচারাধীন আরজি কর-কাণ্ডের সাদৃশ্য থাকলেও কোথাও শালীনতা লঙ্ঘন করা হয়নি। পুরোটাই দেখানো হয়েছে প্রতীকী হিসাবে। সরকারপক্ষ, সিবিআই, আদালত— কাউকেই ছোট করে দেখানো হয়নি। পাশাপাশি, ছবিতে প্রকৃত ধর্ষণ এবং হত্যার দৃশ্য দেখানো হয়নি। তাই ইউ+এ১৬ শংসাপত্র পেয়েছে ‘প্রশ্ন’।

