৯১ বছরে এসে চিরবিদায় জানালেন গায়িকা! সংগীতকে ভালোবেসেই উৎসর্গ করলেন জীবন! শূন্য হয়ে গেল সংগীত জগত!

চলতি বছর যেন বিনোদন জগতে (Entertainment Industry) একের পর এক দুর্ঘটনা লেগেই রয়েছে। একটার পর একটা খারাপ খবর শোনা যাচ্ছে। বহু বর্ষিয়ান অভিনেতার মৃ’ত্যুর খবর থেকে শুরু করে শারীরিক অবস্থার অবনতির খবর শোনা গিয়েছে। চলতি বছরে আমাদের মধ্যে থেকে আমরা হারিয়েছি বহু জনপ্রিয় মানুষকে। সম্প্রতি সেরকমই আবারও শোকের ছায়া নেমে এলো সংগীত জগতে (Music Industry)।
বিনোদন জগতের একাধিক নক্ষত্রপতন হয়েছে চলতি বছরে। এবারে আরও এক অভিনেত্রীর আত্মহত্যার খবর শোনা গেল। বিনোদন জগত এই খবরটার জন্য একেবারেই প্রস্তুত ছিলেন না। এমন এক দুঃসংবাদ পাওয়ায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে গোটা মিউজিক ইন্ডাস্ট্রিতে।

বর্ষীয়ান গায়িকা ৯১ বছর বয়সে বার্ধক্য জনিত কারণে গতকাল ৩:১০ মিনিট নাগাদ মারা যান। এই খবর ছড়িয়ে পড়া মাত্রই শোকের ছায়া নেমে আসে সঙ্গীত মহলে।গায়িকা বিগত বেশ কয়েকদিন ধরেই নানান অসুস্থতার জন্য হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। সঙ্গীত শিল্পীকে হারিয়ে সংগীত জগতে বড় ক্ষতি হয়ে গেল।
আরও পড়ুনঃ পরম বন্ধু থেকে চ’রম শত্রু! পারুলের জীবনে বিরাট সংকট! ফাঁ’স ধারাবাহিকের আজকের পর্ব!
গায়িকার লেখা বেশিরভাগই ছিল কবিগুরু রবীন্দ্রনাথকে কেন্দ্র করে। এমনকি, তাঁর লেখা সাধারণ মানুষদের যথেষ্ট প্রভাবিত করে তুলতেন। কবি শঙ্খ ঘোষ এই শিল্পীর সম্পর্কে লিখেছিলেন, “গান তাঁর জীবিকা নয়, গান তাঁর জীবন, চারপাশের মানুষজনের সঙ্গে মিশে যাওয়া এক জীবন। ধর্মতলা স্ট্রিটের প্রথম পরিচয়ে জেনেছিলাম যে দেশের আত্মপরিচয় খুঁজছেন তিনি রবীন্দ্রনাথের গানে, আর আজ জানি যে সে-গানে তিনি খুঁজে বেড়াচ্ছেন নিজেরই আত্মপরিচয়”।
বহুমুখী প্রতিভার এই সংগীতশিল্পী হলেন সনজীদা খাতুন। সহকর্মীদের কাছে সনজীদা দেবী ‘মিনু আপা’ নামেই পরিচিত ছিলেন তিনি। বাংলাদেশী এই শিল্পীকে তাঁর কাজের জন্য ভারত সরকার ২০২১ সালে পদ্মশ্রী পুরস্কারে পুরস্কৃত করেন।

