দীপার এতো কষ্টেও চুপ লাবণ্য সেনগুপ্ত! এতো করে আসল সত্যি জিজ্ঞাসা করার পরেও কিচ্ছু বললো না তিনি! “এবার লাবণ্য সেনগুপ্তর ওপর রাগ হচ্ছে”, দীপার কষ্ট আর দেখতে পারছে না দর্শক

বর্তমানে স্টার জলসা পরিচালিত ধারাবাহিকগুলির মধ্যে সবচেয়ে বেশি টিআরপি নিয়ে এগিয়ে চলছে ‘অনুরাগের ছোঁয়া’। নতুন বছর পড়ার পর থেকেই টিআরপি তালিকার শীর্ষস্থান দখল করেছে এই ধারাবাহিকটি। তেলেগু ধারাবাহিকের রিমেক ধারাবাহিকটি প্রথম থেকেই দর্শকের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয় ছিল কিন্তু এই মুহূর্তে দাঁড়িয়ে দর্শকদের কাছে বেশ প্রশংসা পাচ্ছে দীপা সূর্যের জমজ মেয়ে সোনা এবং রূপা। কিন্তু গল্প এবার একঘেয়েমি বাড়ছে এমনটাই দাবি দর্শকদের।
সূর্যের বন্ধু মিশকার জন্য দীপা ও সূর্যের মধ্যে তৈরি হওয়া ভুল বোঝাবুঝি দীর্ঘ সময় ধরে চলেই আসছে। এই মুহূর্তে দাঁড়িয়ে মিশকার থেকেও বেশি দর্শক ধারাবাহিকের নায়ক সূর্যের চরিত্রটিকে নিয়ে বিরক্ত। কারণ গল্পে প্রত্যেকে দীপাকে বুঝতে পারলেও সূর্য তার কারণ গল্পে সবাই দিপাকে বুঝলেও সূর্য যেন বুঝেও বুঝতে চাইছে না, নিজের স্ত্রীকে। এমনকি সামনে থাকা সব সত্যিকে দেখেও অস্বীকার করছে সে। আর বারবার ঘটেছিল একই জিনিস দর্শকদের বিরক্তির কারণ হয়ে উঠছে।
দর্শকরা চেয়েছে সূর্য দীপার মধ্যে দূরত্ব কমুক, কিন্তু তা না হয়ে দুই মেয়ের পরিচয় নিয়ে আবার ভুল বোঝাবুঝির শিকার হতে শুরু করল গল্পের নায়ক নায়িকা। বর্তমানে দুই মেয়ের আসল পরিচয় একটু একটু করে সবার সামনে আসলেও কোন কিছুই পুনরায় একেবারে ঠিক হচ্ছে না আর সেটা পছন্দ করছিলেন না দর্শক। এরপর ঘটনাচক্রে রূপা জানতে পারে সোনা মিসকার মেয়ে নয়। এরপর জানতে পারে এমন একটি খবর যা শুনে আকাশ থেকে পড়ে দীপা।
ডাক্তারের থেকে দীপা জানতে পারে তার যমজ সন্তান হয়েছিল। কিন্তু সে জানতো না তার একটি সন্তান তার শাশুড়ি মা নিজের সাথে নিয়ে চলে যায়। যখন সে জানতে পারে সে একটি নয় বরং দুটি সন্তানের মা তখন আরেক সন্তানের কথা ভেবে সে কেমন আছে কোথায় আছে এ সমস্ত কিছুই একটা মায়ের মনকে ভয় ভীত করে তোলে। একটা মায়ের সন্তান স্নেহ এবং সে কোথায় আছে আজও বেঁচে আছে কিনা সেই চিন্তা যেভাবে দীপা চরিত্রটি নিজের মুখে ফুটিয়ে তোলে তা দেখে দর্শকদের চোখে জল চলে আসার জোগার। লাবণ্য সেন যদি এত তথ্য না লুকাতো তাহলে হয়তো এত বড় সমস্যা হতোই না এমনটাই দাবি করছে দীপা। একসময় পায়ে ধরলেও কিছুই জানাননি তিনি দীপাকে।
এই প্রসঙ্গে এক নিটিজেন বললেন – ‘দীপা লাবণ্যর পায়ে পর্যন্ত পড়লো তাও লাবণ্য মুখ থেকে কিচ্ছু বের করলো না। আজকে দীপাকে দেখে কান্না পাওয়ার মত অবস্থা হয়ে গেল। একটা মায়ের নিজের সন্তান কে খুঁজে পাওয়ার জন্য কতটা ব্যাকুল। তাও দীপার মাথায় ভালই বুদ্ধি যেই জেনেছে সূর্য মিসকার বিয়ে হয়নি অমনি ডাইরেক্ট সোনাকে নিজের মেয়ে হিসেবে সন্দেহ করা শুরু করলো। বাট দীপা আজকে লাবণ্য কে ভালই বলেছে – আপনি যদি এত কিছু গোপন করে না রাখতেন তাহলে বিষয়টা কোনোদিনই এতদূর গড়াত না। দীপা আর লাবণ্যর মুখের দিকে তাকানো যাচ্ছিলনা।’

