‘পাঁচ মিনিট অন্তর বাথরুমে গিয়ে কেঁদেছি…’ তবে কি রাজ শুভশ্রীর সম্পর্কে ভাঙনের সুর!

বর্তমান সময়ের টলিউডের (Tollywood) অন্যতম সুন্দরী এবং ব্যস্ত অভিনেত্রীদের মধ্যে একজন হলেন শুভশ্রী গাঙ্গুলী (Subhasree Ganguly)। রাজ চক্রবর্তীর গৃহিনী, এবং দুই সন্তানের মা হবার সাথে সাথে নিজের অভিনয় জগতে সমান সময় দিচ্ছেন অভিনেত্রী। অনেকগুলি বছর তিনি টলিউড এ কাটালেন। দিনে দিনে তার অভিনয়ে আরো প্রশংসিত হচ্ছে। নিজেকে আরও অন্যান্য চরিত্রে পর্দায় ফুটিয়ে তুলছেন শুভশ্রী। আর সেইসব চরিত্রে অভিনয় করে দর্শকদের থেকে প্রশংসাও পাচ্ছেন।

টলিপাড়ায় জনপ্রিয় কাপল বলতে প্রথমেই আমাদের মাথায় রাজ শুভশ্রীর নাম মাথায় আসে। যেকোনো অনুষ্ঠান, অ্যাওয়ার্ড শো এছাড়াও পার্টিতে দুজনকে সবসময় একসাথে দেখা যায়। তাদের মধ্যেকার কেমিস্ট্রি দেখে সত্যি মুগ্ধ দর্শক। কিন্তু এবারে শুভশ্রীর এক সাক্ষাৎকারে রাজ শুভশ্রীর বিচ্ছেদের আভাস পেলেন নেটিজেনরা।

actress

ইন্ডাস্ট্রির ভিতরের খবর অনেকসময়ই আমাদের অজানা থেকে যায়। অনেক গল্পই আমরা জানতে পারি না। তবে অভিনেতা অভিনেত্রী পরিচালকদের ব্যক্তিগত জীবনের কথা শত রাখডাক থাকা সত্ত্বেও সামনে বেরিয়ে পড়ে। তেমনি রাজ শুভশ্রীর ব্যক্তিগত জীবন নিয়েও কম চর্চা হয় না। এমনিতেই সেলিব্রিটিদের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে আগ্রহী থাকে নেটিজেনরা সবসময়। তাদের জীবনে কি হচ্ছে সেটা জানার জন্য আগ্রহী থাকেন।

আরও পড়ুনঃ মেরে ফেলা হল রাহুলকে! ‘এতটা অসম্মান কি প্রাপ্য?’ হঠাৎ কি এমন হলো অভিনেতার সঙ্গে? মুখ খুললেন রাহুল!

সম্প্রতি শুভশ্রী এক সাক্ষাৎকারে বেশকিছু কথা জানিয়েছেন। জানিয়েছেন তিনি কঠিন পরিস্থিতির মধ্যে দিয়ে গেছেন। পাঁচ মিনিট পর পর কান্নায় ভেঙে পড়েছেন। কিন্তু কেন? কেন কান্নায় ভেঙে পড়েছেন অভিনেত্রী? তবে কি রাজ শুভশ্রীর সংসারে ফাটল ধরলো?

না আসলে এমন কিছুই ঘটেনি। শুভশ্রী নিজের কেরিয়ারের কঠিন পরিস্থিতির কথাই জানিয়েছেন। শুভশ্রী বলেছিলেন, ‘চার বছর কোনও কাজই করিনি। ‘পরাণ যায় জ্বলিয়া রে’-র পর কাজ করা ছেড়ে দিয়েছিলাম। এটা আমার নিজের সিদ্ধান্ত ছিল। কেউ কাউকে কোনওদিন জোর করতে পারে না। যেটার জন্য ডিসিশনটা নিয়েছিলাম, সেটাই যখন থাকল না, তখন বুঝেছিলাম, জীবন খুব আনপ্রেডিক্টেবল’। শুভশ্রী আরও যোগ করেন, ‘আমি বাবা-মায়ের সঙ্গে খুশিটাই ভাগ করে নিতে চাইতাম। আমার কষ্ট হয়েছে, এটা ভেবে ওঁরা হয়তো এসেছেন। আমি ওঁদের খুশিটা দেখাতাম। এমনও হয়েছে পাঁচ মিনিট অন্তর বাথরুমে গিয়ে কেঁদে এসেছি। তবে যে সময়ে জিরো হয়ে গিয়েছিলাম, সে সময় বলেছিলাম, আমি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগি না। আমার হারানোর কিছুই নেই। কারণ আমার কিছুই নেই। যা আসবে, সেটাই পাওনা। তারপর ঈশ্বরের আশীর্বাদে, উন্নতি লাভ করতে শুরু করি’।

Back to top button