‘মা’রধর তো করিনি, ভাবিনি এভাবে আমার বিরুদ্ধে পাল্টা আক্রমণ করা হবে…’ জোট বেঁধে অভিনেতার উপর মিথ্যে দোষারোপ! বিস্ফোরক সায়ন্ত!

অভিনেতা সায়ন্ত (Sayanta Modak) ও কিরণ মজুমদারের ব্রেকআপে এখন সরগম টলিপাড়া (Tollywood)। কান পাতলেই তাদের বিচ্ছেদের গল্প বেশকিছুদিন ধরেই শোনা যাচ্ছিল। দেবচন্দ্রিমা, প্রিয়াঙ্কা সকলের সঙ্গে বিচ্ছেদের পর জনপ্রিয় মডেল কিরণ মজুমদারের সাথে প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়েছিলেন অভিনেতা। প্রথমে বন্ধুত্ব দিয়ে শুরু হলেও পরে নিজেরাই জানিয়েছিলেন তারা সম্পর্কে রয়েছেন। সায়ন্তর ইউটিউব চ্যানেল থেকে দুজনেই একসাথে ভিডিও করতেন।
তারপর হঠাতই তাদের একসাথে আর দেখা যাচ্ছিল না। সেই থেকেই নেটিজেনদের মনে সন্দেহ শুরু হয়। ভিডিওর কমেন্ট বক্সে সকলেই সায়ন্তকে এই নিয়ে প্রশ্ন করতে থাকে। এরপর একটি ভিডিওর মাধ্যমে নিজেদের বিচ্ছেদের খবর জানান সায়ন্ত। সেখানে নেটিজেনরা যা নয় তাই বলে অপমান করে কিরণকে। কিরণও তারপর নিজের ইউটিউব চ্যানেলে ভিডিয়ো বার্তায় ক্ষোভ উগরে দেন সায়ন্তের বিরুদ্ধে। তাঁর অভিযোগ একাধিক। তাঁকে নাকি আলাদা ভিডিয়ো করতে দিতেন না অভিনেতা। সঙ্গে মানসিক অত্যাচার তো ছিলই। পাশাপাশি, কিরণের টাকায় দামি জিনিস কিনতেন সায়ন্ত। তার পর আচমকাই যোগাযোগ বন্ধ করে দেন তিনি। অভিনেতার এমন আচরণে মানসিক ভাবে ভেঙে পড়েন কিরণ।
কিরণের সেই ভিডিওতে দেবচন্দ্রিমার কমেন্ট দেখার পরই শুরু হয় মূল বিতর্ক। দেবচন্দ্রিমার সেই বিস্ফোরক মন্তব্য গিয়ে শুরু হয় রহস্য। সেখানেই দেবচন্দ্রিমা বলে “আমি তোমাকে ব্যক্তিগত ভাবে চিনি না, তোমার পুরো ভিডিয়োটা দেখলাম। সেই ভিডিয়োয় আমি কিরণ মজুমদারকে নয় ২০২১-এর দেবচন্দ্রিমাকে দেখতে পেলাম। আমি দুঃখিত, এই ভিডিয়োটা আমারও তখন করা উচিত ছিল। কথায় বলে, পাপ বাপকেও ছাড়ে না! তবে এখানে শুধু বাপকে নয়, মাকেও যেন না ছাড়ে।” এখানেই থামেননি দেবচন্দ্রিমা। তিনি কিরণকে সাহস জোগান সহযোগিতার। আশ্বাস দেন, যে কোনও পরিস্থিতিতে পাশে থাকবেন তাঁর। লেখেন, “ভয় পেও না। তোমার বড় দিদি তোমার পাশে। ফোন নম্বর দাও। আমি এখন কলকাতাতেই। তোমার কি গায়ে হাত তোলা হয়েছে? তা হলে জানাও।”
আরও পড়ুনঃ স্ত্রী ধরে রেখেছে, মেয়েরা লাঠি দিয়ে পেটাচ্ছে! তারপর মিলল ঝুলন্ত দেহ—আ’ত্মহত্যা নাকি পরিকল্পিত খু’ন?
দেবচন্দ্রিমা, কিরণের মাঝে অভিনেত্রী প্রিয়াঙ্কা মিত্রের সঙ্গেও প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়েছিলেন সায়ন্ত। বিচ্ছেদের পর প্রিয়াঙ্কা ফেলে আসা সম্পর্ককে ‘অসুস্থ’ তকমা দিয়েছিলেন। তা হলে কি তিন জনে একই ভাবে সায়ন্তের নিগ্রহের শিকার? এই প্রসঙ্গে সায়ন্ত সাক্ষাৎকারে ধরা দেন।
সায়ন্ত বলেছেন “তিন বার প্রেমের কথা জানিয়েছি, তিন বার বিচ্ছেদের কথাও। খুব স্বাভাবিক, লোকে আমার দিকে অভিযোগের আঙুল তুলবে। তা বলে মোটেও মারধর করিনি যে এ ভাবে আমার বিরুদ্ধে পাল্টা আক্রমণ করা হবে।” তিনি আরও বলেন “এ কথা অনেকেই বলছেন। তাঁদের পরামর্শ, বার বার প্রেম ভাঙলে মনের উপরে চাপ এবং ছাপ— দুটোই পড়ে। আমারও মানুষকে বিশ্বাস করতে কষ্ট হচ্ছে। ঠিক করেছি, প্রেম-সম্পর্ক থেকে দূরেই থাকব। আরও বেশি করে মনে দেব কাজে। তাতে যদি শান্তি পাই।”

