‘বাচ্চা মেয়েদের এমন জঘন্য অঙ্গভঙ্গি…এই ধরনের শো-তে আমি বিচারক হতে চাই না’- নাম না করেই জি বাংলার জনপ্রিয় রিয়েলিটি শোকে কটাক্ষ! কি বললেন মমতা শঙ্কর?

বাংলার জনপ্রিয় নৃত্যশিল্পীদের (Dancer) মধ্যে অন্যতম একজন হলেন মমতা শঙ্কর (Mamata Shankar)। তিনি যে শুধুমাত্র একজন জনপ্রিয় নৃত্যশিল্পী তা নয় পাশাপাশি তিনি একজন খুব ভালো অভিনেত্রী (Actress) দীর্ঘ কয়েক বছর ধরেই অভিনয় জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন মৃগয়া, গণশত্রু, প্রজাপতি, প্রধানের মতো একাধিক জনপ্রিয় ছবিতে কাজ করেছেন তিনি। পাশাপাশি নিজের ঠোটকাটা জবাব দেওয়ার জন্য অনেকবার সোশ্যাল মিডিয়ার শিরোনামে উঠে এসেছে তার নাম।
বহুবার তিনি রাজনৈতিক অরাজনৈতিক বিভিন্ন বিষয়ে নিজের মন্তব্য রেখেছেন এবং বেশিরভাগ সময়ই তার বিভিন্ন মন্তব্য শিরোনামের উঠে এসেছে। বিভিন্ন সময় সোশ্যাল মিডিয়াতে ট্রোলও হয়েছেন এই অভিনেত্রী নৃত্যশিল্পী। মেট্রো স্টেশনে চুম্বন কান্ড, উদিত নারায়ণের চুম্বন ভিডিও ঘিরে প্রবল বিতর্কতা তৈরি হয়েছিল। সেই নিয়েও নিজের মতামত জানিয়েছেন তিনি।

এবারে টেলিভিশনের পর্দায় নাচের রিয়েলিটি শো গুলি নিয়ে মুখ খুললেন মমতা শঙ্কর, জানালেন নিজের মতামত। একাধিক অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে দেখা গিয়েছে তাঁকে, তবে বিচারক হিসেবে তিনি কোনও নাচের প্রতিযোগিতাতেই থাকতে নারাজ। কিন্তু কেনো? সাক্ষাৎকারে সেই নিয়েই এবারে মুখ খুললেন তিনি।
মমতা শঙ্করের কথায়, ‘আমি এই ধরনের প্রতিযোগিতায় বিশ্বাসী নই খুব একটা। আমার মনে হয়, প্রতিযোগিতা নিজের সঙ্গে নিজের। নিজেকে ছাপিয়ে যেতে হবে। এই ধরনের শো-তে বিচারক হিসেবে না থাকা আমার ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত। তবে আমি অতিথি হিসেবে এই ধরনের শো-তে গিয়েছি। আমার দেখতে খুব ভাল লাগে। তবে এই ধরনের শোয়ের আমি অংশ হতে চাই না।’
আরও পড়ুনঃ বিরাট বড় দুঃসংবাদ! গুরুতর অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হরগৌরী পাইস হোটেলের নায়িকা শুভস্মিতা!
তিনি সচেতনভাবে নিজেকে বিচারক পদের থেকে সরিয়ে রাখেন কেন? এই প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন ‘আমি যে ভীষণ অন্যরকমভাবে বিচার করব। আমি যে ঠিক কথাগুলো বলব। আমি কেবল ওই, ‘তোমায় খুব মিষ্টি দেখতে লাগছে’, ‘তোমার এনার্জি লেভেল খুব ভাল’ এই গতানুগতিক কথাগুলো বলতে পারব না। যদি তার কোথাও ভুল থাকে, তার ভালর জন্য ভুলটা ধরিয়ে দেব। যদি ভাল করে, নিশ্চয়ই প্রশংসা করব। তবে এই বাচ্চা বাচ্চা মেয়েদের বড়দের মতো অঙ্গভঙ্গি করে মুখভঙ্গি করে নাচটা আমি ঠিক মেনে নিতে পারি না। বাচ্চারা বাচ্চাদের মতো থাকবে। এরা না বাচ্চা, না বড়… এরা কী বনসাই গাছ! ছোট্ট একটা গাছে ফল, ফুল হয়ে যেন ঝরে পড়ে গিয়েছে। বাচ্চাগুলোর সরলতাটাও নষ্ট হয়ে যায়। তখন তারা ভাবতে আরম্ভ করে আমি বিরাট কিছু হয়ে গিয়েছি। হঠাৎ তার মুখ সবাই চিনতে পারছে, সবাই বাহবা দিচ্ছে, মাথায় করে রাখছে.. তারপরে যখন গিয়ে সে কিছু করতে পারে না, তাকে অবসাদ গ্রাস করে। ভীষণ প্রভাব পড়ে ওই বাচ্চাটির ওপর।’

