চার মাসে কমাতে হয়েছে ১৩ কিলো ওজন! খাবারেও কড়া বিধি নিষেধ! হঠাৎ করে কি হলো অভিনেতার? জানালেন রজতাভ দত্ত

টলিপাড়ায় (Tollywood) জনপ্রিয় অভিনেতাদের মধ্যে অন্যতম একজন হলেন রজতাভ দত্ত (Rajatava Dutta)। বেশ কয়েক বছর ধরে অভিনয় জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন তিনি। একের পর এক ছবিতে ভিলেন চরিত্রে অভিনয় করে দর্শকের মনের জায়গায় তৈরি করে নিয়েছেন। তাকে সব কটি ছবিতেই প্রায়, ভিলেন চরিত্র দেখা গিয়েছে। তিনি ভিলেন চরিত্রে এতটাই সাবলীল ভাবে অভিনয় করেন যার কারণে তাকে ছাড়া ভিলেন চরিত্রে অন্য কাউকেই ভাবতে পারেন না দর্শক।
তবে অনেকদিন ধরেই রজতাভ দত্তকে পর্দায় দেখা যাচ্ছিল না। জানা গেছে কঠিন অসুখ হয়েছিল নাকি অভিনেতার। কিন্তু ঠিক কি হয়েছিল তার? মাঝে তাঁর ওজন বেড়েছিল বেশ খানিকটা। পুজোর সময়ে ও তার পরে মিষ্টি খেয়ে ফেলেই ঘটেছিল বিপত্তি। বাড়তি ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে ডায়েট করতে শুরু করেছেন। রজতাভ বললেন, ‘মাঝে তো ৪ মাসে ১৩ কেজি ওজন কমিয়ে ফেলেছিলাম। তার পরে আবার বেড়ে গিয়েছে তাড়াতাড়ি। আসলে আমি খেতে খুব ভালোবাসি।’
অভিনেতা আরও বলেন ‘আমি যেহেতু খাদ্যরসিক, যে কোনও সুস্বাদু খাবারই প্রচুর পরিমাণে খেতে পারি। কোনও একটা খাবারকে বেছে নেওয়া অন্য খাবারগুলোর প্রতি অন্যায় করা হবে। তাই যে কোনও ভালো খাবারই আমার প্রিয়। আড়াই থেকে সাড়ে তিনপাতার লেখা ছিল। আমার আজও মনে আছে, দেশ আক্রমণ ও বিজয় নিয়ে ছিল সেই প্রবন্ধ। পুরোটাই তিনি জুড়েছিলেন খাবারের সঙ্গে। রান্না ও বিভিন্ন মশলার কথা উল্লেখ করে দেশ আক্রমণের বিষয়টা বুঝিয়েছিলেন সৈয়দ। লেখা পড়তে পড়তে জিভে জল এসেছিল আমার।’
অভিনেতা বলেন ‘এক্সপেরিমেন্ট করতে ভালোবাসি। আমি সল্টলেকে থাকি। সেখানকার প্রায় সবকটি বাড়ির নীচতলাটাই রেস্তোরাঁ হয়ে গিয়েছে। প্রায়ই খেতে যাই। ছোটবেলায় চপ-কাটলেট-তেলেভাজাটাই ছিল আমাদের কাছে বিরাট ব্যাপার। কিন্তু এখন নানা স্বাদের বিদেশি খাবার যুক্ত হয়েছে। আমার মেয়ে ওসব খেতে ভালোবাসে। তাই এখন বিভিন্ন ধরনের ক্যুইজ়িন খাওয়া হয়। এই নানা ধরনের স্বাদটা আমার ভালো লাগে।’
আরও পড়ুনঃ “বিউটি উইথ ব্রেইন”- ফিজিক্স, কেমিস্ট্রি, ম্যাথের জটিল সমীকরণ থেকে শুটিংয়ের পাতা ভরা স্ক্রিপ্ট, সব সামলাচ্ছে অষ্টাদশী মোহনা!
তবে শরীর স্বাস্থ্যের কথা ভেবে এখন অনেকটাই ডায়েটের দিকে নজর দিতে হচ্ছে তাকে। কড়া ডায়েটের মধ্যে থাকছেন তিনি। অনেক নিয়ন্ত্রণ করছেন নিজেকে। আরও একটা বিষয়ের দিকে নজর রাখেন। তা হলো, হাইজ়িন। পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন না হলে সেই জায়গার খাবার খেতে পারেন না তিনি। খাওয়ার আগে খুঁতখুঁত করলে সেই খাবার ভালো করে হজমও হয় না সব সময়ে, এমনটাও মনে করেন। প্রায় বাতিকগ্রস্তের মতো মুখ কুলকুচি করেন খাওয়ার পর। খাওয়ার পর মুখ থেকে গন্ধ বের হবে, এ যেন রজতাভর কিছুতেই সহ্য হয় না। তিনি বলেছেন, ‘ব্যাড প্র্যাকটিস…। আমি সব সময়ে খেয়ে মুখ ধুই। না হলে অপর দিকের লোকটা আমার মুখ থেকে গন্ধ পাবেন, সেটা আমার একেবারে ভালো লাগবে না।’

