ঘুরে গেল ভাগ্যের চাকা! ফুলকির জালে গুটি গুটি পায়ে নিজেই এসে ধরা দিল রুদ্র! ফাঁ’স ধারাবাহিকের আজকের পর্ব!

দীর্ঘদিন ধরে দর্শকদের মনে রাজত্ব করা ধারাবাহিক (Bengali Television) গুলির মধ্যে অন্যতম একটি ধারাবাহিক হলো জি বাংলার (Zee Bangla) ফুলকি (Phulki)। দীর্ঘদিন বেশ কয়েকবছর ধরে টেলিভিশনের পর্দায় চলছে এই ধারাবাহিক। ধারাবাহিকে রোহিত ফুলকির জুটি দর্শকদের তো এখন ভীষণ পছন্দের। প্রথম দিন থেকে ধীরে ধীরে দর্শকদের মন জয় করে নিচে এই জুটি। প্রায় সপ্তাহতেই টিআরপি তালিকায় দর্শকদের চমকে দেয় এই ধারাবাহিক।
ধারাবাহিকের শেষ কয়েকটি পর্বে দেখানো হয়েছে রোহিত ফুলকি যেই ল্যাবে টেস্ট করাতে গেছে সেখানে ডাক্তারকে পুরো ব্যাপারটা খুলে বলে। আর বলে দেয় এই পরীক্ষা খুব গোপনে সবার অজান্তে হবে তাই কেউ যেন এই বিষয়ে না জানে। কিন্তু রুদ্র তো সেখানে গিয়েও কারচুপি করে স্যাম্পেল বদলে দেয়। যাতে পরীক্ষা করলে সেই একই ফলাফল আসে।

এদিকে ফুলকিও রোহিতকে ভরসা দিতে থাকে সব ঠিক হয়ে যাবে। কিন্তু রুদ্র ঠিকই আবারো ঈশিতাকে দিয়ে ধানুর চুলের স্যাম্পেল আনায়। কিন্তু ঈশিতা শিবের মাথায় জল ঢালতে যাওয়ার নাম করে বেরোতে যাওয়ার সময় ধানুর বেশ সন্দেহ হয়। এরপর ঈশিতা গিয়ে রুদ্রকে ওই চুলের স্যাম্পেল দিয়ে আসে।
তারপর রুদ্র সেটা নিয়ে পৌঁছে যায় ল্যাবে। সেখানে গিয়ে ঠিক পাল্টাপাল্টি করে দেয়। যার জন্য আবারো টেস্ট করে রোহিত ফুলকির ডিএনএ ম্যাচ করে যায়। কিন্তু ফুলকি তো কিছুতেই মানতে চাইছে না। রোহিতও ডাক্তারকে বলে তাদের বিরুদ্ধে বড় কোনো ষড়যন্ত্র হচ্ছে, তাই ডাক্তার বলে রোহিত ফুলকির মুখের লালার মাধ্যমে আবারও টেস্ট করা হয়। আর এবারে ফুলকির ধারণা একেবারে ঠিক হয়। ডিএনএ টেস্টে কোনো মিল পাওয়া যায় না। ফুলকিরা তো বুঝতেই পারে কেউ ষড়যন্ত্র করেছে।
আরও পড়ুনঃ বয়স বাড়লে কেবল জুড়ছে চশমা! এদিকে কে মেয়ে আর কে মা বোঝা দায়! দর্শকদের ট্রোলের মুখে বাংলা মেগা সিরিয়াল!
তাই ফুলকি আর রোহিত আসল অপরাধীকে ধরার জন্য ওখানকার ডাক্তারদের সাহায্য চায়। সেখানে সিসিটিভি ক্যামেরার মাধ্যমেই দেখা যাবে কে এই চালাকি করছে। এরপর ফুলকি আসল অপরাধীকে ধরার জন্য ফাঁদ পাতে। আর সেই ফাঁদে এসেই ধরা দেয় রুদ্র। ফুলকি তো ঠিকই চিনতে পারে জামাইবাবুকে। এবারে দেখার অপেক্ষা আগামী দিনে কি হয়।

