অভিনেত্রীর জীবনে শোকের ছায়া! বিয়ের এক বছর যেতে না যেতেই প্রিয়জনকে হারিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়লেন দর্শনা বণিক!

আবারো দুঃসংবাদ নেমে এলো জনপ্রিয় অভিনেত্রীর (Famous Actor) জীবনে। চলতি বছরে একের পর এক খারাপ খবর লেগেই রয়েছে। বছরের শুরু থেকেই অনেক দুর্ঘটনার খবর পেয়েছি আমরা। বিভিন্ন অভিনেতা, অভিনেত্রীর মৃত্যু সংবাদ পাওয়া গেছে, অনেকের জীবনেই নেমে এসেছে বড় দুর্ঘটনা। এবারে সেরকমই জনপ্রিয় অভিনেত্রীর জীবনে ঘটে গেল একটি দুর্ঘটনা। জনপ্রিয় অভিনেত্রীর জীবনে এমন একটা দিন কেউই আশা করেননি।

ঘটনাটি ঘটেছে টলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী দর্শনার সঙ্গে। অভিনেত্রী নিজের জীবনে ঘটে যাওয়া সেই দুঃসংবাদের কথা সকলকে জানিয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে। এভাবে কাছের প্রিয়জনকে হারাতে হবে সেটা কোনদিনই ভাবতে পারেনি অভিনেত্রী। কাছের মানুষকে হারিয়ে খুবই ভেঙে পড়েছেন দর্শনা।

darshana banik

 

অভিনেত্রী নিজের সোশ্যাল মিডিয়ার স্টোরিতে প্রিয়জনের সাথে ছবি পোস্ট করে তার আত্মার শান্তি কামনা করেছেন। মাঝেমধ্যেই দর্শনাকে তার সেই প্রিয়জনের সঙ্গে সময় কাটাতে দেখা যেত। এত তাড়াতাড়ি যে দর্শনাকে ছেড়ে তারাদের দেশে হারিয়ে যাবে যে সেটা কল্পনা করতে পারছে না অভিনেত্রী।

আরও পড়ুনঃ বাবা হয়ে দেখতে হয়েছে মেয়ের মৃ’ত্যু! পেশাগত জীবনের চ’রম অসফল আর ব্যক্তিগত জীবনে চ’রম আঘাত! কেমন ছিল হেমন্ত পুত্র জয়ন্ত মুখোপাধ্যায়ের জীবন?

শেষবার তাকে দেখা গিয়েছিল দর্শনার সৌরভের বিয়েতে নিতকনের বেশে। দর্শনার কাছে রবিবার রাতেই খবরটা পেয়েছেন সৌরভ। এত তাড়াতাড়ি প্রিয়জনের চলে যাওয়া মেনে নিতে পারছেন না তিনি। বহু স্মৃতি, সুন্দর মুহূর্ত মনে পড়ছে তাঁর। সৌরভ বললেন, “খুব দুঃখের খবর সকলের জন্যই। আসলে ও এতটা আনন্দ দিয়েছে আমাদের সকলকে। আমার অনেক বন্ধু বিয়ের সময়ে ওর সঙ্গে দেখা করতে পারেনি। ওদেরও আক্ষেপ ছিল।”

মৃত্যু হয়েছে ‘সেলিব্রিটি ডগ’ জনপ্রিয় সারমেয় সন্তুর। সৌরভ দাস ও দর্শনা বণিকের বিয়ের অন্যতম আকর্ষণ ছিল সন্তু। একেবারে নিতকনে সেজে এসেছিল সে। তাই সন্তুর আচমকা চলে যাওয়াকে কাছের কাউকে হারানোর যন্ত্রণার সমান বললেন তারকা-দম্পতি। সন্তুর অসুস্থ হওয়ার খবর আগেই পেয়েছিলেন দর্শনা। পরিবারের সকলের সঙ্গে কথাও হয়েছিল তাঁর। তবে মৃত্যুর খবরটা মেনে নিতে পারছেন না তিনি। সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন ‘ওর মৃত্যুর খবরটা খুব অদ্ভুত লাগছে। মনে হচ্ছে নিজের কেউ চলে গেল। ওকে তো বহু বছর ধরে দেখছি। বাংলাদেশে গেলেই ওর সঙ্গে দেখা হতো। এত কম বয়সে চলে গেল। ও অসুস্থ ছিল তখনই বাড়ির লোক খুব ভেঙে পড়েছিল। এখন তো আর কিছু বলার মতো ভাষা নেই। আমি শুধু এতটুকুই চাইব সন্তু যেখানেই থাকুক ভালো থাকুক। আর খুব তাড়াতাড়ি আবার সুন্দর একটা জীবন নিয়ে পৃথিবীতে ফিরে আসুক।’

Back to top button