এক রাতেই নিঃস্ব! অজান্তেই প্রতারকের হাতে তুলে দিলেন জমানো পুঁজি! দেউলিয়া হয়ে ফিরলেন রাঙামতি তীরন্দাজ ধারাবাহিকের নায়িকা!

বছর শুরুর প্রথম মাসেই একটার পর একটা দুঃসংবাদের কথা জানতে পারছি আমরা। ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে (Film Industry) যেন দুঃসময় কাটছেই না। কখনও জনপ্রিয় অভিনেতা অভিনেত্রীদের (Actor-Actress) মৃত্যুর খবর আবার কখনো অভিনেতা অভিনেত্রীদের জীবনের নানান দুর্ঘটনার কথা জানতে পারি আমরা। আবারও সেরকমই এক অভিনেত্রীর জীবনে ঘটে যাওয়া দুর্ঘটনার কথা জানাব আপনাদের।

টেলিভিশনের পর্দার জনপ্রিয় ধারাবাহিক গুলির মধ্যে অন্যতম একটি হলো স্টার জলসার রাঙামতি। জনপ্রিয় ধারাবাহিকের নায়িকার সাথে ঘটেছে বিরাট দুর্ঘটনা। অভিনেত্রীর জীবনে এমন একটা অন্ধকার দিন আসবে সেটা কেউই কল্পনা করতে পারেনি। অভিনেত্রী এখনও নিজের জীবনের এই দুর্ঘটনার কথা বিশ্বাস করতে পারছে না। ভক্তরা তো খুবই ভেঙে পড়েছে অভিনেত্রীর জীবনের এই খারাপ খবর শোনার পর।

হঠাৎ করে কি এমন হলো অভিনেত্রীর সঙ্গে যার জন্য এত বড় বিপদের মুখে পড়লেন তিনি। দিল্লিতে বোনের কাছে ঘুরতে গিয়েছিলেন। একটা রাত ফাইভ স্টারে বোনের সঙ্গে একটু ফূর্তি করার প্ল্যান করেছিলেন। নিউ দিল্লির ফাইভ স্টার হোটল ‘লেমন ট্রি’-র একটি রুম এক রাতের জন্য বুকিং করতে গিয়েই ঘটল বিপত্তি। ভুলবশত মেক মাই ট্রিপ থেকে বুকিং না করে গুগল থেকে হোটেল বুকিং করতেই ফেঁসে গেলেন।

আরও পড়ুনঃ ঝগড়া থেকেই প্রেমের সূত্রপাত! মা’র মা’র কা’ট কা’ট লড়াইয়ের মাঝেই পারুল রায়ানের মনে প্রেমের ফুল! ফাঁ’স ধারাবাহিকের আগামী পর্ব!

সোশ্যাল মিডিয়ায় সেই কথা নিজেই জানিয়েছেন অভিনেত্রী মধুরিমা চক্রবর্তী। যাকে রাঙামতি ধারাবাহিকে রাঙার জা এর চরিত্রে প্রথম দিকে অভিনয় করতে দেখা গিয়েছে। অভিনেত্রী বলেন ‘গত সপ্তাহে দিল্লিতে আমার তুতো বোনের কাছে গিয়েছিলাম। ও ওখানেই থাকে। একদিন দুপুরে লাঞ্চ করার সময় হঠাৎ-ই ভাবলাম একটা রাত আমরা একটু ফাইভ স্টারে কাটাব। দুই বোন এক জায়গায় হলে যেমন হয় সেই রকমই একটা সাডেন প্ল্যান করেছিলাম। মেক মাই ট্রিপ থেকেই সবসময় হোটেল বুকিং করি। কিন্তু, সেদিন গুগল থেকে করেছিলাম। ওখানে লেমন ট্রি-র দুটো নম্বর ছিল। তার মধ্যে একটা অরিজিনাল অপরটা স্ক্যামারের। ভুলবসত ওই নম্বরটায় ফোন করি। প্রথমে তো আসল-নকল বুঝিনি। ফোন করার পরই ওরা বলল পেমেন্ট না করলে বুকিং হবে না। সঙ্গে সঙ্গে স্ক্যানারটা পাঠিয়ে দিল। টাকা পাঠানোর পর আমাকে ব্লক করে দেয়। কোনওভাবেই যোগাযোগ করতে পরিনি।’

আরও বলেন তিনি ‘পরে আমরা অরিজিনাল নম্বরে যখন ফোন করলাম তখন ‘লেমন ট্রি’ থেকে বলল আপনাদের সঙ্গে কোনও কথাই হয়নি। কোনও টাকাও আসেনি। আমরা কাউকে স্ক্যানার পাঠাই না। অন স্পট বুকিং হয়। ওখানে বোনের অনেক পরিচিত আছে। ওঁর এক বন্ধু সাইবার ক্রাইম ডিপার্টমেন্টের সঙ্গে যুক্ত। সে বলল, দিল্লিতে অনেক বছর ধরে এই স্ক্যাম চলছে। পুলিশকে জানিয়েও কোনও লাভ হবে না। এখন এই স্ক্যামের এতটাই বাড়বাড়ন্ত যে কোনও হদিশ পাওয়াটাই মুশকিল।

Back to top button