মিতুলের সাধের দিন গোটা লাহিড়ী বাড়িকে শেষ করার পরিকল্পনা অনামিকার! মিতুল কি বাঁচাতে পারবে তার পরিবারকে, নাকি খুশির মুখ দেখার আগেই শেষ হয়ে যাবে তারা?

জি বাংলার এক জনপ্রিয় ধারাবাহিক ‘খেলনা বাড়ি’। বাংলা সিরিয়াল প্রেমী দর্শকদের কাছে এখন এটি অন্যতম চর্চিত ধারাবাহিক। ধারাবাহিকে নায়িকা মিতুলের চরিত্রে অভিনয় করছেন জনপ্রিয় টেলি অভিনেত্রী আরাত্রিকা মাইতি । তাঁর বিপরীতে নায়ক হলেন ইন্দ্র, যিনি ‘কে আপন কে পর’ খ্যাত অভিনেতা বিশ্বজিৎ ঘোষ। শুরু থেকেই মিতুলের অন্যায়ের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর স্বভাব দর্শক মুগ্ধ করেছে।

শুরু থেকেই মিতুলের অন্যায়ের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর স্বভাব দর্শক মুগ্ধ করেছে। পর্দার দাপুটে নায়িকা মিতুল মুখের ওপর সর্বদা সত্যি কথা বলতে ভালোবাসে। আর এইভাবেই অল্পদিনেই পর্দার প্রতিবাদী মিতুল দর্শকদের কাছে খুবই প্রিয় উঠেছে। বর্তমানে দর্শক চায় ধারাবাহিকের নায়িকা অত্যাচার সহ্য করে না কেঁদে অন্যায়ের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াবে। যা এই ধারাবাহিকে হুবহু দেখানো হয়েছে। যার দরুন খুব তাড়াতড়ি দর্শক মহলে জায়গা করে নিয়েছে এই ধারাবাহিকটি।

এই মুহূর্তে সব সিরিয়ালে একেবারে মারকাটারি দৃশ্য চলছে, সে জি বাংলা হোক বা স্টার জলসা। আর এই সব কিছুই হলো টিআরপি ধরে রাখার পন্থা। আর এবার খেলনা বাড়ির নতুন টুইস্ট নিয়ে হাজির হয়েছে অনামিকা। এই অনামিকাই ইন্দ্রর আগের পক্ষের স্ত্রীর মুখের আদলে নিজের মুখের প্লাস্টিক সার্জারি করিয়ে লাহিড়ী বাড়িতে ঢুকেছিল সবার অনিষ্ট করতে। তার উদ্দেশ্য পুরো লাহিড়ী পরিবারকে ধূলিসাৎ করে দেওয়া। প্রথম থেকেই সব সময় পরিবারের ক্ষতি করে এসেছে অনামিকা। তাই এইবার তাকে লাহিড়ী পরিবারের কেউই আশ্রয় দিতে চাননি।

অন্যদিকে ইন্দ্রর সৎভাই রন সবসময়ই মৃত্যুর আর ইন্দ্রর ক্ষতি সাধনের জন্যই নানা রকম কাণ্ডকারখানা ঘটিয়েছে। কখনো মিতুলকে কড়া ইনজেকশন দিয়ে মারতে চেষ্টা করেছে আবার কখনো ইন্দ্রকে কুমির ভর্তি নদীতে ফেলে দিয়েছে। তাদের ক্ষতি করতে পারলে রণ আর কিছু চায় না। আর এইবার এত ভালো সুযোগটা মিস করেনি রন। রনের সাহায্যে অনামিকা মিতুলের ভালো মানসিকতা ও সারল্য সুযোগ নিয়ে একদিনের জন্য লাহিড়ী বাড়িতে আশ্রয় পায়।

বেশ আট ঘাট বেঁধে অনেক প্ল্যান করে লাহিড়ী বাড়িতে ঢুকেছে অনামিকা। এবার তার উদ্দেশ্য বড় কিছু ধামাকা করার। যাতে সমগ্র পরিবারটাই ধ্বংস হয়ে যায়। সেই পরিকল্পনা নিয়েই এগোচ্ছে অনামিকা। সে একটি বোম লাহিড়ী বাড়িতে একটি গোপন স্থানে রেখে দেয়। ঘটনাচক্রে মিতুলের সাধভক্ষণ অনুষ্ঠান চলছে ফলে সবাই ব্যস্ত থাকায় কেউ সেভাবে এই ঘটনাটি ধরতে পারে না। এখন কি ওই বোমায় লাহিড়ী বাড়ি উড়ে যাবে নাকি মিতুল ঠিক সবাইকে বাঁচিয়ে নেবে অনামিকার কু বুদ্ধি থেকে? জানতে উৎসুক দর্শকমহল।

