বাংলা শিখতে বই নয়, দেখতে হবে সিরিয়াল! বাংলা সিরিয়াল দেখে বাংলা শেখেন যীশু কন্যা! সারার কথা শুনে অবাক দর্শক!

‘মা’ পৃথিবীর অন্যতম ক্ষুদ্র শব্দ হলেও তার অর্থ এবং দায়িত্ব অনেক। মা’ই এমন একজন ব্যাক্তি যিনি সমানতালে ঘরে এবং বাইরে দুই জগতই সামলাতে পারে। ইতিমধ্যেই দেখা যাচ্ছে দুই কন্যাসহ শুটিং ফ্লোরে হাজির হয়েছেন নীলাঞ্জনা শর্মা (Nilanjana Sharma)। সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে জানতে পারা গেছে, আগামী আর বেশ কিছুদিনের মধ্যে শেষ হতে চলেছে স্টার জলসা জনপ্রিয় সিরিয়াল ‘হরগৌরীর পাইস হোটেল’। আর গতকাল সিরিয়ালের শুটিংয়ের শেষ দিনে যীশুকন্যারাও যোগ দিয়েছে তাঁদের মায়ের সঙ্গে।
এই দিনের বিশেষ কিছু মুহূর্ত ঘুড়ে বেড়াচ্ছে নেট দুনিয়ার চারিদিকে। কখনো পুরো টিমকে নিয়ে কেক কাটছে নীলাঞ্জনা আবার কখনো দেখা যাচ্ছে জারা-সারা সাক্ষাৎকার দিচ্ছে সংবাদমাধ্যমকে। ইতিমধ্যে, জারা-সারার দেওয়া এক সাক্ষাৎকার নজর কেড়েছে নেটিজেনদের। মূলত, সেই ইন্টারভিউতে দুই বোন তাঁদের মায়ের প্রশংসায় পঞ্চমুখ।

সাক্ষাৎকারের প্রথমে, বাংলা সিরিয়াল দেখা নিয়ে সারাকে জিজ্ঞাসা করাতে তিনি বলেন, তাঁর অতটা বাংলা সিরিয়াল দেখা হয় না কিন্তু তাঁর বোন অর্থাৎ জারা প্রায়শই দেখে বাংলা ধারাবাহিক। যেহেতু, তাঁর মায়ের মনের খুব কাছের এই সিরিয়াল বলে সারা এসেছে শেষদিনে তাঁর মা’কে সঙ্গ দিতে। তাঁদের কথায়, মায়ের প্রযোজনায় এই সিরিয়াল শেষ হওয়াতে একটু হলেও ইমোশনাল হয়েছে সারা-জারা।
সারার কথায়, পরিবারের সবাই মিলে এই সিরিয়াল প্রায়শই দেখত জারা। জারার কথা, এই সিরিয়াল দেখার মাধ্যমে তাঁর বাংলা ভাষাতেও অনেকটা উন্নত হয়েছে বলে মনে করে এমনকি স্কুলে বাংলা সাবজেক্টে ভালোই নাম্বার পেতে সাহায্য করেছে। কার বেশি প্রোডাকশনে ইচ্ছা এবং কার বেশি অভিনয় ইচ্ছা? এই প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করাতে দুই বোনের মধ্যে সারা বলে তাঁর অভিনয় ভালো লাগলেও মূলত ইচ্ছা মডেলিং করার আর ছোটো বোন জারার ইচ্ছা প্রযোজক হবার।
আরও পড়ুনঃ ছড়িয়ে পড়ল আতঙ্ক! পাকিস্তান থেকে অভিনেতাকে সরাসরি খুনের হুমকি!
নীলাঞ্জনা প্রযোজক হিসাবে বেশি কঠোর নাকি মা হিসেবে বেশি কঠোর? দুই বোনকে এই প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করাতে বলে প্রোডিউসার স্বত্তায় নীলাঞ্জনা একটু বেশিই কঠোর, দাবি সারার। মা হয়েও নীলাঞ্জনার হাত থেকে ছাড় নেই দুই বোনের। কঠোর হওয়া সত্ত্বেও মা’কে দশে দশ দিতে কার্পণ্যবোধ করেনি সারা-জারা। মায়ের কথা বলতে দুই মেয়ে বলে তাঁরা সবসময় মায়ের থেকে থেকে কিছু না কিছু শিখে আসছে।

