মানসিক চিকিৎসা টিকলির থেকে বেশি বীথির প্রয়োজন! মৌ টিকলিকে কিছুটা স্বস্তি দেওয়াতে চাইলেও বীথির হটোকারিতায় পুরনো অতীতের মুখোমুখি টিকলি

‘মেয়েবেলা’ ধারাবাহিকটি মাত্র কয়েকটা দিনের মধ্যেই দর্শকমহলের কাছে বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে।ধারাবাহিকের ট্যাগলাইনও দেওয়া হয়েছে মানানসই ‘মেয়েরাই মেয়েদের শত্রু’। আসলে আমাদের সমাজে বহুকাল আগে থেকে একটা ধারণা চলে আসছে, তা হল মেয়েরাই মেয়েদের শত্রু। চিরাচরিত এই ধারণার বদল ঘটাতেই আসছে সম্পূর্ণ নারী কেন্দ্রিক ধারাবাহিক ‘মেয়েবেলা’।
ধারাবাহিকের প্রথমেই বিয়ের পর্ব এনে মোড় ঘোরানো হয়। আর সেখান থেকেই শুরু নায়ক-নায়িকার পথ চলা। যদিও দুজনেই পরিস্থিতির চাপে পরে বিয়েতে রাজি হয়েছে। তবে এই সংসারের বন্ধনে কিভাবে তারা একে ওপরের সাথী হয়ে উঠবে তাই দেখার। পাশাপাশি গল্পের মেন্ কেন্দ্র নায়িকা মৌ-এর জন্য পুরো পরিবারের মেয়েরা আবার নতুন করে জীবনের অর্থ খুঁজে পাবে।
মৌ ডোডোকে বিয়ে করে এসেই একের পর এক সমস্যার সমাধান করছে। এরমধ্যেই আরও এক সমাধানে লেগে পড়েছে সে। মৌ-এর ছোটবেলার বন্ধু টিকলির অতীতকে সামনে নিয়ে আসবে সে। টিকলি তার ছোটবেলায় এক জঘন্য ঘটনার শিকার হয়। সবাই বিভিন্নভাবে চেষ্টা করে বউকে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে।
দোলের দিন বিভিন্ন কারণবশত বিশেষ করে পুরনো স্মৃতি হঠাৎ ভেসে ওঠায় ভীষণ অস্থির হয়ে গিয়েছিল টিকলি। সেই সময় মৌ থেরাপির মাধ্যমে টিকলিকে অনেকটা শান্ত করতে পেরেছিল। কিন্তু বীথির সেটা সহ্য হলো না। অহেতুক হটকারিতা এবং বোকামি করে সে চাঁদনীকে দিয়ে কোন এক ভালো সাইক্রিয়াটিস্টকে আনতে উঠেপড়ে লাগলো। যার ফল হলো ভয়ংকর। সবার ভাবনা চিন্তার বাইরে।
চাঁদনী যাকে নিয়ে এলো সেই টিকলিকে তার সাত বছর বয়সে ম’লে’স্ট করেছিল। হ্যাঁ ঠিকই ধরেছেন, সেই সাইক্রিয়াটিস্টই হল বড় পিসেমশাই ডক্টর দাস। এটা চাঁদনীও জানতোনা। এই সব কারণে টিকলি যেটুকু শান্তি পেয়েছিল সবকিছুই ঘুচে যাবে। তাহলে কি আবার ট্রমাটাইজড হয়ে পড়বে টিকলি? বীথির ভালো সাজার পরিকল্পনা কি হিতে বিপরীত ঘটাবে?

