মর্মান্তিক ঘটনার শিকার পরমব্রত! ভারসাম্য হারিয়ে মানসিক হাসপাতালে ভর্তি অভিনেতার আপনজন!

একের পর এক খারাপ খবর শোনা যাচ্ছে ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে (Film Industry)। চলতি বছরের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত একটার পর একটা খারাপ খবর শুনতে পাচ্ছি আমরা। যার জন্য মন ভাঙছে ভক্তদের। ইন্ডাস্ট্রিতে নেমে আসছে শোকের ছায়া। চলতি বছরের শুরু থেকে একের পর এক জনপ্রিয় অভিনেত্রী, অভিনেতার মৃত্যুর খবর অসুস্থতার খবর পেয়েছি আমরা। দেবরাজ রায় (Debraj Ray), উমা দাশগুপ্ত (Uma Dasgupta), হারাধন বন্দ্যোপাধ্যায় (Haradhan Banerjee), বাসুদেব চক্রবর্তীর মতো একাধিক জনপ্রিয় অভিনেতা অভিনেত্রী মারা গিয়েছেন।
বর্ষীয়ান সমস্ত অভিনেতা অভিনেত্রীদের হারিয়ে শোকোস্তব্ধ গোটা টলিউড ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রি। এরই মধ্যে আরো এক খারাপ খবর নেমে এলো জনপ্রিয় অভিনেতার জীবনে। অভিনেতার জীবনের এই দুঃসংবাদের খবর শুনে প্রত্যেকেই অভিনেতাকে সাহস জুগিয়ে গিয়েছেন। তার পাশে দাঁড়িয়েছেন।

টলিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়ের জীবনে নেমে এলো বিরাট দুঃসংবাদ। অভিনেতার আপনজন গুরুতর ভাবে অসুস্থ। তাকে নিয়ে বর্তমানে বিরাট ব্যস্ত অভিনেতা। বর্তমানে তার চিকিৎসা হচ্ছে। কিন্তু অভিনেতার আপনজনের দুঃসংবাদ শুনে ভেঙে পড়েছেন সকলে। মানসিক হাসপাতালে ভর্তি তিনি।
পরমব্রত চট্টোপাধ্যায় সোশ্যাল মিডিয়ায় বিস্ফোরক তথ্য জানিয়েছেন। মানসিক হাসপাতালে ভর্তি ঋত্বিক ঘটকের বড় ছেলে ঋতবান ঘটক। সম্পর্কে ঋতবান তাঁর মামা। তিনি বিগত দশ বছর ধরে এসএসকেএম হাসপাতালের মনোরোগ বিভাগে চিকিৎসাধীন। পশ্চিমবঙ্গ সরকার এবং চট্টোপাধ্যায় ও ঘটক পরিবার সম্মিলিতভাবে ঋতবানের চিকিৎসার ভার বহন করছেন।
আরও পড়ুনঃ “খুব মিথ্যা কথা বলি আমি, নিজের সাথে নিজে মিথ্যাচার করি”- কি নিয়ে মিথ্যে বলেন অভিনেত্রী? অকপটে অপরাজিতা আঢ্য!
মামার অসুস্থতার খবর সোশ্যাল মিডিয়াতে জানিয়ে অভিনেতা লেখেন ‘আমার মামা… ঋতবান ঘটক, প্রয়াত পরিচালক ঋত্বিক ঘটকের পুত্র। যাকে সকলে জিনিয়াস ফিল্মমেকার হিসাবেই চেনেন। প্রায় গত দশ বছর ধরে ওঁনার মানসিক চিকিৎসা চলছে। রাজ্য সরকার এবং আমাদের পরিবার যৌথভাবে ওঁনার খেয়াল রাখছে।প্রতি বছর দুর্গা পুজো এবং ক্রিসমাস অথবা নিউ ইয়ারে ওঁনার সঙ্গে আমার ডেট বাঁধা থাকে। অন্য ছবিতে যাদের দেখছেন, সেই সুন্দর মানুষরা এসএসকেএম হাসপাতালের মনোরোগ বিভাগে ওঁনার খেয়ার রাখে। লোকনাথ, অনিমা, তাহের, দীপালি ও বাকিরা… এই ছবিতে আখতার মিসিং, কারণ ওই ফটোটা তুলেছে’। সব শেষে পরমব্রতর সংযোজন,’পুজোর মতোই , এখনো বলতে চাই… “চারপাশে আলো হোক!’

