খুলে গেল মুখোশ! তিতির নন্দিনীকে হাতেনাতে ধরল আনন্দী! টানটান উত্তেজনাময় আজকের পর্ব

জি বাংলার (Zee Bangla) দর্শকদের পছন্দের ধারাবাহিকগুলির মধ্যে একটি হলো আনন্দী। প্রতি সপ্তাহে টিআরপি তালিকায় ভালোই ফলাফল করছে ধারাবাহিকটি। বর্তমানে তো ধারাবাহিকটি বেশ জমে উঠেছে। টিআরপি তালিকায় বেশ ভালই ফলাফল করছে প্রতি সপ্তাহে। অবশেষে আদি আনন্দী সব বাধা পেরিয়ে নতুনভাবে সবকিছু শুরু করেছে।

ধারাবাহিকের গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছিল সুমনাকে আদি বাঁচিয়ে দিল দেখে আনন্দীতো খুবই খুশি হয়ে যায়। আদিকে অনেক করে ধন্যবাদ জানায়। তারপর বাড়িতে ফিরে আদি জানতে পারে তিতির আত্মহত্যা করার চেষ্টা করেছে। আদি নার্সিংহোমে ছুটে যায়। আনন্দীও যেতে চায় কিন্তু আদি তাকে বারণ করে দেয়। ডাক্তারের সঙ্গে কথা বলে আদি জানতে পারে তিতিরের অবস্থা আগের থেকে অনেকটাই ভালো। কিন্তু বিজয়া, ঠাম্মি সবাই বলে তিতির আদৌ আত্মহত্যা করেছে কিনা সেই নিয়ে তাদের সন্দেহ রয়েছে। আনন্দী নার্সিংহোমে ছুটে যায় তিতিরকে দেখার জন্য।

Anondi, Zee Bangla, Bengali Serial, Bengali television, আনন্দী, জি বাংলা, বাংলা সিরিয়াল, বাংলা টেলিভিশন, Anondi Today Episode 25 December, আনন্দী আজকের পর্ব ২৫ ডিসেম্বর, আনন্দী আজকের পর্ব

আনন্দী আজকের পর্ব ২৬ ডিসেম্বর (Anondi Today Episode 26 December)

ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখানো হবে পরদিন নার্সিংহোমে তিতিরকে দেখতে যায় আনন্দী। কেবিনের আড়ালে দাঁড়িয়ে আনন্দী শুনতে পারে তিতির এবং নন্দিনী মিলে নতুন প্ল্যান করছে আদিকে ফাঁসানোর জন্য। আদৌ তিতির সুইসাইট করেনি। সেই শুনে আনন্দী ঠিক করে নেন আদিকে তাদের হাত থেকে সে রক্ষা করবে। এরপর আদি এসে আনন্দীকে দেখে তো অবাক হয়ে যায়। তারপর আদি আনন্দী মিলে তিতিরকে দেখতে যায়।

আনন্দী বারবার তিতিরের হাতের ড্রেসিং করে দিতে চাইলে তিতির তো কিছুতেই রাজি হয় না। আনন্দী তার খেয়াল রাখবে বলে তাতেও রাজি হয় না। আদিও বারবার বলতে থাকে আনন্দী খুব ভালো ড্রেসিং করবে, দেখাশোনা করবে। কিন্তু তিতির তো কিছুতেই রাজি হয় না। নন্দিনীও বলে দেয় আনন্দী এসব কাজ পারবে না। আদি তো বুঝতে পারে না কেন তারা রাজি হচ্ছে না। কিন্তু আনন্দী তো ভালই বুঝতে পারছে। এদিকে সুমনাকে হাতেনাতে ধরার জন্য সেদিনকে তার বর নার্সিংহোমে যেতে চায়না। সুমনাকে সাহায্য করার জন্য বিজয়া, ঠাম্মি সবাই ছুটে আসে।

আরও পড়ুনঃ ‘অনেক বাসন মেজেছি, অনুরাগদার এঁটো থালাটাও আমি ধুয়েছি!’, পুরোনো স্মৃতি মনে পড়তেই কেঁদে ফেললেন দেব!

এরপর একজন ডাক্তার এসে বলে তিতিরের মানসিক অবস্থা ভালো নয়, তার একজন খুব কাছের বন্ধু দরকার। যে তার সঙ্গে মনের কথা ভাগ করে নেবে। এরপর নানান রকম ছল চাতুরী দিয়ে নিজের কাছে রেখে দেয় তিতির। কিন্তু আনন্দী এই সবকিছু সহ্য করতে পারে না। সে যেভাবেই হোক তিতিরের বিরুদ্ধে প্রমাণ জোগাড় করবেই। আদিকে সমস্ত সত্যি জানাবে। এবারে দেখা যাক আগামী পর্বে কি হয়।

Back to top button