আনন্দীর বুদ্ধিতেই বাজিমাত! বুদ্ধির জোরে লাহিড়ী বাড়ীর সম্মান বাঁচালো নায়িকা! জমে গেল আজকের পর্ব!

জি বাংলার (Zee Bangla) দর্শকদের পছন্দের ধারাবাহিকগুলির মধ্যে একটি হলো আনন্দী। প্রতি সপ্তাহে টিআরপি তালিকায় ভালোই ফলাফল করছে ধারাবাহিকটি। বর্তমানে তো ধারাবাহিকটি বেশ জমে উঠেছে। টিআরপি তালিকায় বেশ ভালই ফলাফল করছে প্রতি সপ্তাহে। অবশেষে আদি আনন্দী সব বাধা পেরিয়ে নতুনভাবে সবকিছু শুরু করেছে।
ধারাবাহিকের গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছিল আনন্দী বয়স্ক মহিলা সেজে ঠাকুমার ছদ্মবেশে যায় নার্সিংহোমে কিয়ানের কাছে। কিন্তু যখন দেখতে পায় ওই ছদ্মবেশী আনন্দী তার ঠাম্মা নয় তখন চিৎকার শুরু করে। কিয়ানের চিৎকার শুনে ডাক্তার নার্স সবাই ছুটে আসে। কোনরকমে তাকে শান্ত করা হয় আর আদি কোনরকমে সেখান থেকে আনন্দীকে বার করে নিয়ে আসে। পরের দিন সকালবেলা দেখতে পায় কিয়ান তার বেডে নেই। সবাই মিলে তাকে খোঁজাখুঁজি শুরু করে দেয়। কিন্তু কোথাও খুঁজে পায় না তাকে। কিয়ানের বাবা ডক্টর সেন এসে যখন জানতে পারে কিয়ান মিসিং, তখন সরাসরি চলে যায় লাহিড়ী বাড়িতে আনন্দীর সঙ্গে কথা বলতে। এরপর বাচ্চাটির বাবা আনন্দীকে ২৪ ঘন্টা সময় দেয় তার মধ্যে যদি কিয়ানকে খুঁজে বের করতে পারে আনন্দী তাহলে ভালো না হলে আনন্দীকে জেলে পাঠানোর ব্যবস্থা করবে।

আনন্দী আজকের পর্ব ১২ ডিসেম্বর (Anondi Today Episode 12 December)
ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখানো হবে আনন্দী তনুশ্রী এবং সুমনাকে নিয়ে ছদ্মবেশে যায় কিয়ানদের বাড়িতে। সেখানে তাদের ঢুকতে না দিলে তারা মিথ্যে বলে বাড়ির ভেতরে ঢুকে সেখানে গিয়ে নানান ছলে বলে কিয়ান এবং তার ঠাম্মির ছবি তুলে আনে। এরপর সেই ছবি নিয়েই সবাইকে জিজ্ঞাসা করতে থাকে তারা কোথাও বয়স্ক এই ভদ্রমহিলাকে দেখেছে কিনা। প্রায় কেউই কিয়ানের ঠাম্মির খোঁজ ঠিকমতো দিতে পারে না। এরপরে আনন্দী দেখতে পায় কিয়ানদের বাড়ি থেকে দুধওয়ালা বের হচ্ছে। সেই দুধওয়ালাকে ধরেই আনন্দী জিজ্ঞাসা করে কিয়ানের ঠাম্মির কথা। তিনি বলেন প্রতিদিন সকালবেলা তার ঠাম্মি দুধ নিতে আসতো, কিন্তু শেষ অনেকদিন ধরে তাকে দেখতে পাওয়া যাচ্ছে না। এরপর পার্কে বসে থাকা কয়েকজন বয়স্ক ভদ্র মহিলার থেকে জিজ্ঞাসা করে আনন্দী জানতে পারে কিয়ানের ঠাম্মিকে তার ছেলে বৌমা মিলে বৃদ্ধাশ্রমে রেখে এসেছে।
কিয়ানকে খুঁজে পেল আনন্দী
আর তখনই আনন্দী বুঝতে পারে তাই ঠাম্মিকে কাছে না পেয়ে কিয়ান এত কষ্ট পাচ্ছে। আর ঠাম্মিকে খুঁজতেই হয়তো কিয়ান নার্সিংহোম থেকে বেরিয়ে পড়েছে। তারপরেই আনন্দী ওই বৃদ্ধাশ্রমের খোঁজে বেরিয়ে পড়ে। তার আগে আদিকে ফোন করে জানিয়ে দেয় কিয়ান হয়তো তার ঠাম্মিকে খুঁজতে বৃদ্ধাশ্রমে গিয়েছে। তাই বৃদ্ধাশ্রমে গেলেই ঠাম্মি নাতি দুজনকেই একসঙ্গে পেয়ে যাবে তারা। এরপরে আদি আনন্দী সবাই মিলে একসঙ্গে বৃদ্ধাশ্রমে গিয়ে পৌঁছায়। সেখানে গিয়ে জানতে পারে ঠাম্মি নাকি ভোরবেলা থেকে মিসিং, তাকেও খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। এবারে আনন্দী কি করবে কিছুই বুঝতে পারে না। দুজনে একসঙ্গে হারিয়ে গিয়ে আরো বড় বিপদ হল। দুজনকে কোথায় খোঁজা হবে সেই নিয়ে ভাবতে তাকে আদি।
আরও পড়ুন: টিআরপির দৌড়ে শ্যামলীকে ছুঁয়ে ফেলল শুভলক্ষী! স্লট হারা হতে চলেছে জি বাংলা!
তারপরে আনন্দী আদিকে বোঝায় কিয়ান ভোরবেলা নার্সিংহোম থেকে বেরিয়ে গিয়েছে, হয়তো ঠাম্মিকে খুঁজতে খুঁজতে বৃদ্ধাশ্রম এসেছে আর বৃদ্ধাশ্রমে এসে ঠাম্মির সঙ্গে নাতির দেখা হওয়ার পরও কেউ দেখে ফেলার আগেই তারা সেখান থেকে বেরিয়ে গিয়েছে। ঠাম্মি যখন নাতিকে নার্সিংহোমের পোশাক পরে দেখেছে তখন নিশ্চয়ই তাকে কোন হাসপাতালে বা নার্সিংহোমে নিয়ে গেছে। তাই দুজনকে হয়তো মেডিনেসে একসঙ্গে পাওয়া যাবে। প্রথমে আদি রাজি না হলেও জোর করে আনন্দী নিয়ে যায় আদিকে। এরপর সেখানে গিয়ে দেখে সত্যি কিয়ান তার ঠাম্মির সঙ্গে রয়েছে। এটা দেখার পর সবাই ভীষণ নিশ্চিন্ত হয়। দেখা যাক আগামী পর্বে কি হয়।

