ছদ্মবেশে কামাল করল আনন্দী! তবে ঘরে ঢুকতেই ভয়ের চোটে আদির কোলে ঝাঁপ মারলো সে! টানটান উত্তেজনাময় আজকের পর্ব!

জি বাংলার (Zee Bangla) দর্শকদের পছন্দের ধারাবাহিকগুলির মধ্যে একটি হলো আনন্দী। প্রতি সপ্তাহে টিআরপি তালিকায় ভালোই ফলাফল করছে ধারাবাহিকটি। বর্তমানে তো ধারাবাহিকটি বেশ জমে উঠেছে। টিআরপি তালিকায় বেশ ভালই ফলাফল করছে প্রতি সপ্তাহে। অবশেষে আদি আনন্দী সব বাধা পেরিয়ে নতুনভাবে সবকিছু শুরু করেছে।

ধারাবাহিকের গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছিল নার্সিংহোমে একটি ছোট্ট বাচ্চা পেশেন্টকে নিয়ে বেশ চিন্তিত আদির কাকা। বাচ্চাটির হার্টের সমস্যা থাকায় আদিও তার চিকিৎসা করছে। আর বাকিটা আদির কাকা দেখছে। সমস্যা হল বাচ্চাটি কোন চিকিৎসাতেই সাড়া দিচ্ছে না। কেবল নিজের মনে মনে খাতায় রং পেন্সিল নিয়ে কিসব এঁকে যাচ্ছে। আদি এবং আদির কাকার কথায় আনন্দী ওই বাচ্চাটিকে সারিয়ে তোলার দায়িত্ব পায়। আনন্দী জোকার সেজে নার্সিংহোমে গিয়ে বাচ্চাটির মুখে হাসি ফোটানোর চেষ্টা করে। কিন্তু বাচ্চাটি তাতেও কোনরকম সারা শব্দ দেয় না। আনন্দী বুঝতে পারে বাচ্চাটা দাদু ঠাকুমাকে ভীষণভাবে মিস করে। তাই আনন্দী ঠাকুমা সেজে মেডিনেসে যাওয়ার প্ল্যান করে।

anondi

আনন্দী আজকের পর্ব ১১ ডিসেম্বর (Anondi Today Episode 11 December)

ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখানো হবে আনন্দী বয়স্ক মহিলা সেজে ঠাকুমার ছদ্মবেশে যায় নার্সিংহোমে কিয়ানের কাছে। কিয়ান আনন্দীকে ঠাম্মি ভেবে জড়িয়ে ধরে তার সঙ্গে কথা বলতে থাকে। কেন ঠাম্মা চলে গেলে তাকে ছেড়ে, কেন তার সঙ্গে দেখা করতে আসে না, কথা বলে না এই নিয়ে নানান প্রশ্ন করতে থাকে। কিন্তু যখন দেখতে পায় ওই ছদ্মবেশী আনন্দী তার ঠাম্মা নয় তখন চিৎকার শুরু করে। আদি তখন কোনরকমে আনন্দীকে সেখান থেকে বার করে নিয়ে আসে। এদিকে কিয়ানের চিৎকার শুনে ডাক্তার নার্স সবাই ছুটে আসে। কোনরকমে তাকে শান্ত করা হয় আর আদি কোনরকমে সেখান থেকে আনন্দীকে বার করে নিয়ে আসে।

বিনা দোষে শাস্তি পেল আনন্দী

এরপর পরের দিন সকালবেলা যখন কিয়ানকে খাবার দিতে যায় তখন দেখতে পায় কিয়ান তার বেডে নেই। সবাই মিলে তাকে খোঁজাখুঁজি শুরু করে দেয়। কিন্তু কোথাও খুঁজে পায় না তাকে। এদিকে কিয়ানের বাবা ডক্টর সেন এসে যখন জানতে পারে কিয়ান মিসিং, তখন সরাসরি চলে যায় লাহিড়ী বাড়িতে আনন্দীর সঙ্গে কথা বলতে। এদিকে সেই সময় আনন্দী এবং আদিও বেরোচ্ছিল মেডিনেসের উদ্দেশ্যে কিয়ানের সঙ্গে দেখা করতে। আদির কাকাও যাচ্ছিল তাদের সাথে। লাহিড়ী বাড়িতে এসে তো কিয়ানের বাবা সরাসরি আনন্দীকে দায়ী করতে থাকে তার ছেলে হারিয়ে যাওয়ার জন্য। আনন্দী সবটা শুনে অবাক হয়ে যায়। আসলে আদি ছাড়া আর কেউই জানেনা আনন্দী রাতের বেলা বয়স্ক মহিলার ছদ্মবেশে কিয়ানের সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিল। এরপর বাচ্চাটির বাবা আনন্দীকে ২৪ ঘন্টা সময় দেয় তার মধ্যে যদি কিয়ানকে খুঁজে বের করতে পারে আনন্দী তাহলে ভালো না হলে আনন্দীকে জেলে পাঠানোর ব্যবস্থা করবে, এই কথা জানিয়ে দেয়।

আরও পড়ুনঃ টলিপাড়ায় ফের বিয়ের সানাই! বিয়ের পিঁড়িতে জলসার “মেম বউ”! পাত্রটি কে!

অন্যদিকে মেডিনেসে মিটিং ডাকে নন্দিনী। কিয়ানের হারিয়ে যাবার পিছনে আনন্দীকে সম্পূর্ণ দোষী করতে থাকে সে। বারবার বলতে থাকে আনন্দী যদি জোকার সেজে না আসতো তাহলে বাচ্চাটি এভাবে পালিয়ে যেত না। তাই সমস্ত দায়ভার আনন্দীকেই নিতে হবে। এরপর সবাই চলে গেলে নন্দিনী আদিকে বলে আনন্দী যেন নিজেই পুলিশের কাছে সারেন্ডার করে। তাহলে সবার জন্য সেটা ভালো। এদিকে আসল সত্যিটা কি সেটা খুঁজে বার করতে আনন্দী, তনুশ্রী এবং সুমনাকে নিয়ে সরকারি কর্মী হিসেবে সার্ভে করতে যায় কি কিয়ানদের বাড়িতে। সেখান থেকেই সমস্ত সত্যিটা জানার চেষ্টা করে তারা। এবারে দেখা যাক আগামী পর্বে কি হয়।

Back to top button