স্বয়ম্ভুর সামনে বৈদেহির পর্দা ফাঁস করল কৌশিকী! স্বয়ম্ভু জগদ্ধাত্রীর সম্পর্ক ভাঙতে দিল না সে! আবার একবার পরিবারের বিরুদ্ধে গিয়ে সত্যের পথে কৌশিকী

নিত্যদিন নতুন নতুন চমক নিয়ে হাজির হচ্ছে জগদ্ধাত্রী। গল্পটি একটি মেয়ে জগদ্ধাত্রী এবং একটি ছেলেকে ঘিরে জড়িত যারা উভয়ই বন্ধু এবং অপরাধ কর্মকর্তা। জগদ্ধাত্রী একজন সিক্রেট ক্রাইম ব্রাঞ্চ অফিসার কিন্তু তার আসল পরিচয় কেউ জানে না। জগদ্ধাত্রী মুখার্জি (নী সান্যাল) ওরফে জ্যাস সান্যাল – একজন বিশেষ অপরাধ শাখার অফিসার হিসেবে অঙ্কিতা মল্লিক, দেব এবং শিখার মেয়ে, স্বয়ম্ভুর স্ত্রী, মেহেন্দির সৎ বোন। স্বয়ম্ভু মুখার্জির চরিত্রে সৌম্যদীপ মুখার্জি – একজন বিশেষ অপরাধ শাখার অফিসার, জগদ্ধাত্রীর স্বামী, উৎসবের সৎ ভাই।
স্বয়ম্ভুকে তার বাবা কখনোই মেনে নেননি। তার বাবার দুটি বিয়ে। বন্ধু ভেবে জগদ্ধাত্রী স্বয়ম্ভুকে তার জায়গা ফিরিয়ে দেওয়ার উদ্দেশ্যেই বউ সেজে আসে। ঘটনাচক্রে স্বয়ম্ভুকে ভালোবেসে ফেলে জগদ্ধাত্রী। স্বয়ম্ভুর বাবা যাতে তাকে মেনে নেয় পরিবারে যাতে সে ছেলের পূর্ণ সম্মান পায় বরাবরই তার আপ্রাণ চেষ্টা করে গেছে জগদ্ধাত্রী।
এরপর দেখা যায় নিজের স্বার্থসিদ্ধি করতে নায়কের সৎ মা তাকে ছেলে হিসেবে মেনে নেয়। নিজের ছেলে উৎসবকে জগদ্ধাত্রির হাত থেকে বাঁচানোর জন্যই এমন ফন্দি এটেছিলেন তিনি। কিন্তু সেই সময় নায়ক প্রথমবার মায়ের ভালোবাসা পেয়ে জগদ্ধাত্রীকে প্রায় ভুলে যান বললেই চলে। তার মাঝে নাটক করছে সেটা বুঝতে পেরে যায় নায়কের জেঠুর মেয়ে বা তার দিদি। চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে অনেক বুঝেও তার দিদি কিছুতেই বিশ্বাস করাতে পারে না যে তার সৎ মা তার সঙ্গে অভিনয় করছে।
ঘটনাচক্রে স্বয়ম্ভুর সৎ মা বৈদেহি দেবী জগদ্ধাত্রী কে সবার সামনে আরো ছোট করতে এবং স্বয়ম্ভুর সমস্ত আসল ডকুমেন্টস উধাও করতে জগদ্ধাত্রীদের ওপর আলমারির চাবি চুরি করার অপবাদ দেয়। আর সেই মিথ্যেরই পর্দা ফাঁস করে কৌশিকি অর্থাৎ স্বয়ম্ভুর দিদি। সে তার কাকী মনি মনে স্বয়ম্ভুর সৎ মায়ের আঁচল থেকে চাবিটা খুলে দেখিয়ে প্রমাণ করে দেয় জগদ্ধাত্রী চাবিটি নেয়নি।
আর জগদ্ধাত্রী স্বয়ম্ভুর সামনে তার মায়ের আলমারি খুলে প্রমাণ করে তার সমস্ত সার্টিফিকেট সহ ফাইলটি উধাও। মায়ের আসল রূপটা ধরা পড়ে যায় নায়কের সামনে। নিজের সৎ মাকে চিনতে বাকি থাকে না তার। সে বুঝতে পারে সে এতদিন মিথ্যে মায়ায় জড়িয়ে ছিল আর জগদ্ধাত্রী সঙ্গে অনেক বড় অন্যায় করে চলেছিল।
স্বয়ম্ভুর দিদি অর্থাৎ কৌশিকী তাদের সম্পর্কের ফাটলে একপ্রকার মলমের কাজ করে। প্রথম থেকেই কৌশিকীর জগদ্ধাত্রী পাশে দাঁড়ানো বিষয়টি মন ছুঁয়েছিল দর্শকদের। সে আরো একবার জগদ্ধাত্রীকে সাহায্য করে তার সৎ শাশুড়ির অসৎ পরিকল্পনার পর্দা ফাঁস করে তাদের সম্পর্ককে পুনরায় স্বাভাবিক করে তুলতে। তার দিদির চরিত্রটি বেশ পছন্দের হয়ে উঠেছে দর্শকমহলে। এরপর কী করবে স্বয়ম্ভু? কিভাবে প্রতিশোধ নেবে তার সাথে হওয়া এত বড় ছলনার? এখন সেটাই দেখার বিষয়।

