আক্কুর ক্ষ’তি করতে গিয়ে ধরা পড়ল উৎপল! আক্কুর প্রাণ বাঁচালো রাঙা! দুর্ধর্ষ আজকের পর্ব

স্টার জলসার (Star jalsha) জনপ্রিয় ধারাবাহিক গুলির মধ্যে অন্যতম একটি হলো রাঙামতি তীরন্দাজ (Rangamoti Tirandaj)। রাঙামতির তীরন্দাজ হয়ে ওঠার গল্প নিয়েই শুরু হয়েছে এই ধারাবাহিক। খুব অল্প সময়ের মধ্যেই দর্শকদের মন জয় করেছে রাঙামতি সবার। আর টিআরপি তালিকায় সেই ছবি চোখে পড়ছে। কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই টিআরপি তালিকায় বেশ ভালো জায়গা দখল করে নিয়েছে রাঙামতি।
ধারাবাহিকের গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে আহেরি রাঙাকে নিয়ে বাড়ি চলে আসে। আর রাঙাকে দেখে সবাই জিজ্ঞাসা করতে কোথায় ছিল সে এতক্ষণ। রাঙার সব টাকা যে ছিনতাই হয়ে গেছিল রাঙা যে সেই টাকা উদ্ধার করতেই গিয়েছিল সেটা সবাইকে বলে আহেরি। বাড়ির সবাই তো এই পরিস্থিতি দেখে ভীষণ রেগে যায়। প্রমিতা রাগে রাঙাকে শাস্তি দেওয়ার জন্য হাতে বেতের বাড়ি মারতে থাকে। আক্কু এই পরিস্থিতি সামলাতে না পেরে ঘরে চলে যায়। সেখানেই আক্কু তার মাকে জানিয়ে দেয় সে আহেরির সঙ্গে থাকতে চায়। আহেরির সঙ্গে তার জীবন কাটাতে চায়। রাঙাকে সে পরিস্থিতির চাপে বিয়ে করেছে। তাই রাঙার দায়িত্ব সে নিতে পারবে না।

রাঙামতি তীরন্দাজ আজকের পর্ব ৩০ নভেম্বর (Rangamoti Tirandaj Today Episode 30 November)
ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যাবে রাঙা নিজের ঘরে গিয়ে ছিনতাই হওয়া টাকার কথা ভাবতে থাকে। কিভাবে তার থেকে দুটো মহিলা ছিনতাই করে নিল সেই সমস্ত কিছু ভাবতে থাকে। এর পরেই রাঙা ভাবে উৎপল জেল থেকে ছাড়া পেয়ে গিয়েছে এবং উৎপল জানিয়েছে আক্কু এবং তাকে কিছুতেই শান্তিতে জীবন কাটাতে দেবে না। এটাই রাঙাকে সব থেকে বেশি ভাবাতে থাকে।
বিপদের মুখে আক্কু
অন্যদিকে রাতের অন্ধকারে উৎপল চুপি চুপি এসে আক্কুর ঘরে বিষধর সাপ রেখে যায়। কিন্তু পালাতে যাওয়ার সময় রাঙা তাকে দেখে ফেলে। তবে মুখ ঢাকা দেখার জন্য এবং অন্ধকারের জন্য উৎপলকে চিনতে পারেনি। বাড়িতে রাতের অন্ধকারে অচেনা লোক ঢুকেছে দেখে সন্দেহ হয় রাঙার। আক্কু ঠিক আছে কিনা দেখতে সঙ্গে সঙ্গে ছুটে যায় তার ঘরে। তখনই রাঙা আক্কুর ঘরে ঢুকে দেখে একটি বিষধর সাপ ফনা তুলে রয়েছে। সঙ্গে সঙ্গে রাঙা সেই সাপকে ধরে ফেলে। যেহেতু রাঙা জঙ্গলের মেয়ে তাই তার এই সমস্ত অভিজ্ঞতা রয়েছে। রাঙার আওয়াজে ঘুম ভেঙে যায় আক্কুর। আর ঘুম থেকে উঠে রাঙার হাতে সাপ দেখে একেবারে অবাক হয়ে যায় সে।
এরপর রাঙা আক্কুর চিৎকারে সবাই এক জায়গায় জড়ো হয় তারপর আক্কু সবাইকে জানাই তার ঘরে সাপ ঢুকেছিল। আর রাঙা সেই সাপ ধরে নিয়েছে এই কথা শুনে তো সবাই অবাক হয়ে যায়। বৃন্দা ময়নাও উৎপলের এই প্ল্যানের বিষয়ে জানতো না। কিন্তু তারা মনে মনে ভাবতে থাকে নিশ্চয়ই এটা উৎপলেরই কাজ। রাঙাও সন্দেহ করে বৃন্দাদের। রাঙা ঠিক করে আগামী তিন দিনের মধ্যে রাঙা ঠিক অপরাধীকে খুঁজে বের করবে। সেইজন্য পরের দিন সকালে উঠে রাঙা বাড়ির আশেপাশে দেখতে থাকে কোথাও কোন প্রমাণ পাওয়া যায় কিনা। তখনই রাঙা ঘড়ির অংশ খুঁজে পাই। রাতে উৎপল বাড়ি থেকে পালানোর সময় এটা তার হাত থেকে খুলে পড়ে যায়।
আরও পড়ুন: দর্শকদের জন্য সুসংবাদ! ৬ বছর পর ফের ছোট পর্দায় ফিরছে রাখি-বন্ধন!
রাঙা বাড়ির সবাইকে সেই ঘড়ি দেখিয়ে জিজ্ঞাসা করতে থাকে সেটা বাড়ির কারোর কিনা, কিন্তু বাড়ির কেউ এমন ঘড়ি পড়ে না। তাই কেউ বুঝতে পারে না ওটা কার ঘড়ি। কিন্তু রাঙা ঠিকই বুঝতে পারে। অন্যদিকে বৃন্দা তো সুব্রতকে ফোন করে উৎপলের নামে নালিশ করতে থাকে। কেন উৎপল রাতের অন্ধকারে আক্কুর ঘরে সাপ ছেড়ে দিয়েছিল সেটা নিয়ে চিৎকার চেঁচামেচি করতে থাকে। আক্কুর কোনো কিছু হয়ে গেলে তারা একেবারেই ফেঁসে যেত। আর তখন উৎপল বৃন্দাকে বলে দেয় আক্কুর জন্যই সে রাঙাকে বিয়ে করতে পারেনি তাই রাঙা এবং আক্কুর উপর বদলা না নিয়ে সে থামবে। এবারে দেখা যাক উৎপলকে ধরতে পারে কিনা রাঙা।

