সবাই যে যার বদলে নিল রং! বি’পদের দিনে এক্কেবারে একা আনন্দী! টানটান উত্তেজনাময় আজকের পর্ব

জি বাংলার (Zee Bangla) পর্দায় প্রায়শই নতুন নতুন ধারাবাহিক শুরু হয়। বিভিন্ন ধরনের গল্প দিয়ে দর্শকদের মন জয় করে চলছে জি বাংলা। সম্প্রতি সেরকমই একটি ধারাবাহিক শুরু হয়েছে জি বাংলার পর্দায় ‘আনন্দী’ (Anondi)। ধারাবাহিকে টেলিভিশন জগতে দুই জনপ্রিয় অভিনেতা অভিনেত্রী জুটি বেঁধেছেন। আর আগেও আমরা এদের জুটি বাঁধতে দেখেছি। ধারাবাহিকে জুটি বেঁধেছেন অভিনেত্রী অন্বেষা হাজরা (Annwesha Hazra) এবং অভিনেতা ঋত্বিক মুখার্জি (Writwik Mukherjee)।
ধারাবাহিকের গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে রকেট লাহিড়ী বাড়ি এসে আনন্দীর নামে মিথ্যা কথা বলতে থাকে। আনন্দী এবং আদির মধ্যে ভুল বোঝাবুঝি তৈরি করার জন্য বানিয়ে বানিয়ে যা খুশি তাই বলে। এমন ভাবে ঘটনাগুলো বলতে থাকে যাতে সবাই বিশ্বাস করে। এদিকে আনন্দী বারবার চিৎকার করে বলতে থাকে রকেট যা বলছে সব মিথ্যে তার কোন দোষ নেই, কিন্তু রকেট তাও মিথ্যা কথাগুলো বারবার বলতে থাকে।

আনন্দী আজকের পর্ব ২৯ অক্টোবর (Anondi Today Episode 29 October)
ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখানো হবে রকেট যে কথাগুলো সবার সামনে দাঁড়িয়ে বলে সেগুলো প্রথমে আদি বিশ্বাস করতে চায় না তাই আদি রকেটকে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যেতে বলে। কিন্তু বাড়ির সবাই মিলে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে রকেটের কথা শুনতে থাকে। এদিকে রকেটের কথা আর সহ্য করতে না পেরে আদি রকেটের গায়ে হাত তোলে তাকে মারতে পর্যন্ত যায়। কিন্তু বাড়ির সবাই মিলে তাকে আটকে দেয়। এর পরে ঠাম্মি বলে রকেটের মুখের কথা কেন তারা বিশ্বাস করবে কি প্রমাণ আছে রকেটের কাছে।
এরপরই রকেট তার ফোন থেকে একটা ভিডিও বার করে সবাইকে দেখায়। সেই ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে আনন্দী রকেটকে পাঁচ লাখ টাকা দিচ্ছে, আর বলছে তার কাজটা যেন ঠিকভাবে হয়ে যায়। আসলে আনন্দীর দাদা একসময় রকেটে থেকে পাঁচ লাখ টাকা ধার নিয়েছিল সেই কথা জানতে পেরে আদির ঠাম্মি ৫ লক্ষ টাকা ধার দিয়েছিল আনন্দীকে। সেই ভিডিও রকেট সবার সামনে এমনভাবে দেখাচ্ছে যাতে সবাই আনন্দীকে ভুল বোঝে।
আনন্দীকে ভুল বুঝল আদি
সেই ভিডিও দেখার পর বাড়ির সবাই অবাক হয়ে যায়। এমনিতেই বাড়িতে বেশিরভাগ লোকজন আনন্দীকে পছন্দ করেনা। আদির দাদা বাবা কাকা কেউই ভালো চোখে দেখে না আনন্দীকে। তারপরে রকেটের এই ভিডিওতে আগুনে ঘি ঢালার মত কাজ করেছে। এদিকে ভিডিওতে আনন্দে যে ব্যয় করে রকেটকে টাকা দিচ্ছে সেই ব্যাগ দেখে চিনতে পারে চৈতি। সে হঠাৎ করে বলে ওঠে ভিডিওতে একটা দেখা যাচ্ছে সেটা ঠাকুমার ব্যাগ কিন্তু সেই ব্যাক আমাদের কাছে কি করে গেল সেটা নিয়ে প্রশ্ন তুলে সবাই। কিন্তু ঠাম্মি যখন আনন্দীকে টাকাগুলো দিয়েছিল তখন ডিপি দিয়েছিল যাতে আনন্দী কাউকে কিছু না বলে সেইজন্য আদির হাজার প্রশ্ন করার পরেও আনন্দে চুপ করে দাঁড়িয়েছিল।
আরও পড়ুনঃ টেলিকাস্ট এর আগেই ফাঁ’স আদৃত পারিজাতের নতুন ধারাবাহিক মিত্তির বাড়ির গল্প!
এদিকে আদির দাদা পুলিশ ডাকার কথা বলে বাড়িতে। আনন্দী আর কি কি প্ল্যান করে রেখেছে সেটাই সন্দেহ হতে থাকে তাদের। তখন ঠাম্মি বাধ্য হয়ে মুখ খোলে, সে জানায় সে নিজে আনন্দীকে টাকা গুলো দিয়েছিল। ঠাম্মির কথা শুনে তো সবাই অবাক হয়ে যায়। সবাই আবার ঠাম্মিকে বকাবকি করতে শুরু করে। এদিকে আদিও বিশ্বাস করতে থাকে রকেটের কথাগুলো। আনন্দী কি বলবে বুঝতে পারেনা পাথর হয়ে দাঁড়িয়ে থাকে সে। রকেটের সব কথা শোনা হয়ে গেল রকেটকে বাড়ি থেকে বের করে দেয় সবাই মিলে। এদিকে আনন্দী আদিকে বলে এই সমস্ত মিথ্যে সে কখনো তাকে ঠকাইনি বা তার পরিবারের কাউকে ঠকাইনি। কিন্তু আদি বিশ্বাস করতে চায় না। এবারে দেখার অপেক্ষা আগামী পর্বে কি হয়।

