প্রতিপক্ষের সামনে ভয়ে গুটিয়ে গেল আঁখি! ঝিলিক কি আসবে আঁখিকে বাঁচাতে?

বর্তমানে টেলিভিশনের সম্প্রচারিত বাংলা ধারাবাহিক প্রদর্শনকারী অন্যতম জনপ্রিয় চ্যানেল স্টার জলসায় (Star jalsha) পর্দায় যে সকল ধারাবাহিক গুলি নতুন শুরু হয়েছে তার মধ্যে দর্শকদের কাছে বিশেষভাবে গ্রহণযোগ্য এবং পছন্দের একটি ধারাবাহিক হয়ে উঠেছে ‘দুই শালিক’ (Dui Shalik)। ধারাবাহিকটিতে রয়েছে দুটি নতুন জুটি দেখতে পাচ্ছেন দর্শকমহল। মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই দুটি জুটি দর্শকদের মনের খুব কাছাকাছি পৌঁছে যেতে সক্ষম হয়েছে।

ধারাবাহিকের আগের পর্বে দেখা যায়, আঁখি বর্তমানে ঝিলিকের জায়গায় রয়েছে এবং ঝিলিক বর্তমানে রয়েছে আঁখির বাসস্থানে অর্থাৎ ছাতা বাড়িতে। দুজনেই দুই রকম ভাবে সংকটে পড়েছে। ঠাম্মি ঝিলিককে সেলাই করতে দিয়েছে আর সেটা নিয়েই চিন্তায় পড়ে গেছে ঝিলিক। অন্যদিকে আরো বড় সমস্যায় পড়েছে আঁখি। কারণ তাকে সবাই দুটো ঝিলিক ভেবে ভয়ংকর প্রতিযোগীর সামনে দাঁড় করাতে চাইছে। দুজনই এখন বেশ অসহায় হয়ে পড়েছে।

Dui Shalik, Star jalsha, Bengali Serial, Bengali Telivision, দুই শালিক, স্টার জলসা, বাংলা সিরিয়াল, বাংলা টেলিভিশন, দুই শালিক Today Episode 27 October, দুই শালিক আজকের পর্ব ২৭ অক্টোবর, দুই শালিক আজকের পর্ব

দুই শালিক আজকের পর্ব ২৮ অক্টোবর (Dui Shalik Today Episode 28 October)

ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, ঝিলিকের মা বাবা পাড়া-প্রতিবেশী দেবা চারানা প্রত্যেকে ব্যান্ড বাজনা নিয়ে আঁখির কাছে এসে তাকে বলে এই টুর্নামেন্টে তাকে জিততেই হবে। এর আগের তিনবার সে জিতেছে আর এইবারও তাকে জিততে হবে। এটা তাদের মান সম্মানের ব্যাপার। যেটাই হয়ে যাক না কেন হেরে যাওয়া চলবে না। আঁখি মনে মনে ভাবতে থাকে, সে কোনদিনও লড়াই করেনি। এখন কিভাবে এই কঠিন লড়াইয়ে জিতবে সে!

অন্যদিকে, ঝিলিকের বাবা তাকে বলে, কোন বাবা মাই চায় না তাদের সন্তানরা যুদ্ধে যাক। শুধুমাত্র যোদ্ধার বাবা মায়েরা এই ধারণা রাখেনা। তারা চাই তাদের ছেলেমেয়েরা যুদ্ধে যাক এবং জিতে ফিরুক। দেবা আঁখিকে বলে, সে কখনো কারোর কাছ থেকে কিছু চায়নি, আজ একটাই জিনিস চাইছে ঝিলিক যেন জিতে পেরে। এমনকি ছোট্ট চারানাও আঁখিকে বলে, সে যদি জিততে পারে তাহলে সে নিজে চাঁদা তুলে বিরিয়ানি খাওয়াবে তাকে।

আরও পড়ুনঃ রকেটের কথা শুনে আনন্দীকে ভু’ল বুঝল আদি! আনন্দী কি পারবে নিজেকে র’ক্ষা করতে?

ঝিলিককে সব জানানোর সুযোগ খুঁজছে আঁখি

সবার কথা আঁখিকে বেশ আবেগপ্রবণ করে তোলে। এরপর দেবার বাইকে করে তারা পৌঁছে যায় টুর্নামেন্টে। সেখানে গিয়ে সব কিছু দেখে সবার মধ্যে এত ঝগড়া দেখে আঁখি ভীষণ ভয় পেয়ে যায়। বুঝতে পারে আর যদি সে জিততে না পারে তাহলে তার জন্য সবার মন ভেঙে যাবে। শুধু তাই নয়, ঝিলিকের মান সম্মান সব ডুবে যাবে। এরপর প্রস্তুতি নেওয়ার নাম করে আঁখি তাড়াতাড়ি একটা ঘরে চলে যায় আর নিজের ফোন বার করে ঝিলিককে ফোন করতে থাকে। ঝিলক কি পারবে তার বোনকে বাঁচাতে?

Back to top button