নিজের অজান্তেই পিসিমণির ফাঁদে পা দিল ঝিলিক! খেয়ে নিল ওষুধ মেশানো ভাত! টানটান উত্তেজনাময় আজকের পর্ব

স্টার জলসার (Star jalsha) পর্দায় নতুন শুরু হওয়া দুই যমজ বোনের জীবনের গল্প নিয়ে এসেছে ‘দুই শালিক’ (Dui Shalik)। বর্তমানে ধারাবাহিকে দুই যমজ বোনের জীবনের নানান গল্প ফুটিয়ে তোলা হচ্ছে। কিভাবে জন্মের সময় থেকে দুই বোন আলাদা হয়ে গিয়েছিল। তারপর থেকে তাদের দুজনের জীবন দুদিকে বয়ে গিয়েছে। সমস্ত কিছু দেখানো হচ্ছে।
ধারাবাহিকের গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে ঝিলিকের মধ্যে পরিবর্তন দেখে দেবা তো কিছুই বুঝতে পারে না। ঝিলিক এবং আঁখির অদল বদল কেউই এখনো পর্যন্ত ধরতে পারেনি। ঝিলিক রয়েছে ছাতা বাড়িতে এবং আঁখি রয়েছে বস্তিতে। অন্যদিকে অনিমেষ রায়ের যমজ সন্তানের খোঁজ করতে পুষ্পা স্বাস্থ্য কর্মী সেজে উপস্থিত হয়েছে ছাতা বাড়িতে। আসলে পুষ্পা ঝিলিককে হারানোর ভয় পাচ্ছে।

দুই শালিক আজকের পর্ব ২১ অক্টোবর (Dui Shalik Today Episode 21 October)
ধারাবাহিকের আজকের পর্বের শুরুতেই দেখানো হয় পুষ্পা স্বাস্থ্যকর্মী সেজে রাতের বেলা ছাতা বাড়িতে গেছে দেখে ঝিলিকের তো মাথায় হাত পড়ে গিয়েছে। এদিকে ছাতা বাড়িতে গিয়ে অনিমেষ রায়ের খোঁজ করতে থাকে পুষ্পা। কিন্তু সেখানে গিয়ে জানতে পারে অনিমেষ রায় নামে কেউই থাকেন এই বাড়িতে। পুষ্পার কথা শুনে কেউই বুঝতে পারে না কে এই অনিমেষ রায়। ঝিলিকও বুঝতে পারেনা কেন তার মা এই ব্যক্তির খোঁজ করছে। এরপরে রাইমা জিজ্ঞাসা করে পুষ্পা কোথায় থাকে কেনো এসেছে সবকিছু। পুষ্পা বস্তিতে থাকে শুনে রাইমা দেবার কথা জিজ্ঞাসা করে। কিন্তু পুষ্পা বুদ্ধি করে দেবার কথা এড়িয়ে গিয়ে বেরিয়ে আসে ছাতা বাড়ি থেকে।
অন্যদিকে ঝিলিক আঁখিকে ফোন করে সমস্ত ঘটনা জানায়। আঁখি তো ঝিলিকের কথা শুনে অবাক হয়ে যায়। সেও বুঝতে পারে না কেন ঝিলিকের মা ছাতা বাড়িতে গিয়েছিল, আর অনিমেষ রায়ের নাম আঁখিও কোনদিনও শোনেনি। সেইসময় ছাদের ওই চিলেকোঠার ঘরের সামনে দিয়ে যাচ্ছিল রাইমা। রাইমা ঝিলিককে ফিসফিস করে কথা বলতে শুনে নেয় এবং সন্দেহ করে তার কাছে হয়তো ফোন আছে। ঘরে ঢুকতে যাবে ঠিক তখনই তাকে আটকে দেয় পিসিমণি। খাবারে ওষুধের ডোজ আরো একটু বাড়িয়ে দিতে বলেন তিনি। আসলে ঝিলিক যেভাবে তাকে জড়িয়ে ধরেছিল তাতে করে বেশ ভয় পেয়েছেন তিনি।
আরও পড়ুন: নতুন ছন্দে সেই পুরনো বন্ধুত্ব, দুষ্টু মিষ্টি খুনসুটি! মা’রপিট করতে করতেই শুটিং করছে ঋত্বিকের অন্বেষা!
এদিকে ঝিলিকের বাবা এসে আঁখিকে অনেক কিছু বোঝাতে থাকে। আসলে তিনিও বুঝতে পারেনি ওটা যে আঁখি। আঁখির ঝিলিকের বাবার কথা শুনে চোখে জল চলে আসে। আঁখি ভাবতে থাকে ঝিলিক কত ভাগ্যবতী এত ভালো বাবা মা পেয়েছে। তার কিছুক্ষণ পরেই আসে দেবা। দেবাকে নিজের হাতে চা করে দেয় আঁখি। ঝিলিকের এই পরিবর্তন দেখে দেবা প্রতিমুহূর্তে অবাক হচ্ছে। অন্যদিকে আঁখির খাবারে ওষুধের ডোজ আরো বাড়িয়ে দেয় রাইমা, ওষুধ গুড়ো করে খাবারে মিশিয়ে দেয়। কিন্তু সেটা জানতেও পারে না ঝিলিক। ঝিলিক এসে ওই খাবারটাই খেয়ে নেয় এবারে দেখার অপেক্ষা আগামী পর্বে পারবে কি হয়।

