লাহিড়ী বাড়িতে এসে হারিয়ে যাওয়া মাকে খুঁজে পেল আনন্দী! ফাঁ’স ধারাবাহিকের আগামী পর্ব

জি বাংলার (Zee Bangla) পর্দায় বেশ কয়েকটি নতুন ধারাবাহিক শুরু হয়েছে। তার মধ্যে একটি হল নতুন ধারাবাহিক আনন্দী (Anondi)। ধারাবাহিকের কেন্দ্রীয় চরিত্রের অভিনয় করছেন অভিনেত্রী অন্বেষা হাজরা (Annwesha Hazra) এবং অভিনেতা ঋত্বিক মুখার্জী (Writwik Mukherjee)। ধারাবাহিক ঋত্বিকের ডাক্তারের চরিত্রে অভিনয় করতে দেখা যাচ্ছে এবং অন্বেষাকে দেখা যাচ্ছে একজন নার্সের চরিত্র অভিনয় করতে। মাত্র কয়েকদিন হল এই ধারাবাহিক শুরু হয়েছে টিভির পর্দায়। ইতিমধ্যেই ধীরে ধীরে দর্শকের মন জয় করে নিচ্ছে।
ধারাবাহিকটি নিত্যনতুন টুইস্ট এবং টানটান উত্তেজনা পর্ব দিয়ে টিআরপি তালিকায় পরপর দুই সপ্তাহেই ভালো ফলাফল করেছে। বর্তমানেও ধারাবাহিকে চলছে টানটান উত্তেজনা পর্ব। আনন্দীকে রকেটের হাত থেকে বাঁচাতে নিজের জীবনের ঝুঁ’কি নিয়েছে আদি। আসলে আনন্দী যেভাবে বি’পদের দিন আদির পাশে ছিল তাই আদিও আনন্দীর বি’পদে ঝাঁপিয়ে পড়েছে।

সম্প্রতি ধারাবাহিকের পর্বে দেখানো হচ্ছে আনন্দীর দাদা বৌদি আনন্দীকে জোর করে রকেটের সঙ্গে বিয়ে দিতে যায়। সেই খবর আদি জানতে পারার সাথে সাথে আনন্দীকে উদ্ধার করতে চলে যায়। আনন্দীকে বিয়ের মন্ডপে রকেটের হাত থেকে বাঁচিয়ে নিয়ে আসে আদি। তারপর সোজা আনন্দীকে নিয়ে যায় লাহিড়ী বাড়িতে। এদিকে আনন্দীকে লাহিড়ী বাড়িতে নিয়ে আসার সাথে সাথে আদিকে নানান রকম প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হয়। আনন্দীকেও অপমান করতে ছাড়ে না আদির বাড়ির লোক।
লাহিড়ী বাড়ির বউ হল আনন্দী
ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখানো হবে আদি আনন্দীকে পরিচয় দেওয়ার জন্য মা দুর্গার সামনে দশমীর দিন আনন্দীর সিঁথিতে সিঁদুর পরিয়ে তাকে বিয়ে করে নিজের স্ত্রীয়ের পরিচয় দেয়। আদির এই সিদ্ধান্তে তার মা এবং ঠাম্মি খুশি হলেও বাড়ির বাকিরা ভীষণ ক্ষেপে যায়। আনন্দীও বুঝতে পারেনা আদি কেন তাড়াহুড়োর মধ্যে এই সিদ্ধান্ত নিল।
আরও পড়ুনঃ দুর্গা সেজে শাশুড়িকে জব্বর ভয় দেখালো পর্ণা! বউমার বুদ্ধিতে কু’পোকাত কৃষ্ণা!
এরই মধ্যে ধারাবাহিকের আগামী পর্বের ছোট্ট এক ঝলক সামনে এসেছে। ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে আনন্দী লাহিড়ী বাড়ির বউ হওয়ার পর তাকে কাছে টেনে নেয় বিজয়া। আনন্দীকে প্রথম দিন থেকেই বিজয়া পছন্দ করে। নিজের ছেলের বউ হিসেবেও আনন্দীকে মনে ধরেছে বিজয়ার। আনন্দীর মা নেই সে কথা সবাই জানতো, তাই জন্য বিজয়া আনন্দীকে বলেছে এবার থেকে তাকে মা বলে ডাকে। বিজয়ার কথা শুনে আনন্দীর চোখে জল চলে আসে। কিন্তু আদি এবং আনন্দীর সম্পর্ক কোন দিকে এগোয় সেটাই দেখার অপেক্ষা।

