*একদিকে পুজোর কার্নিভালে ঋতুপর্ণার নাচ! আবার তিলোত্তমার বিচার চেয়ে জলশঙ্খ বাজিয়ে কুমিরের কান্না! নাটক দেখে ধুয়ে দিল দর্শকমহল*

কিছুদিন আগেই শেষ হয়েছে বাঙালি সবথেকে বড় উৎসব দুর্গোৎসব (Durga Puja)। দুর্গাপূজার (Durga Puja) এই কটা দিন প্রত্যেকেই উৎসবে আনন্দে মেতে উঠেছিল। তবে পুজো শেষ হলেও কলকাতা সহ রাতের বিভিন্ন জেলার প্রতিমা এখনো বিসর্জন দেওয়া হয়নি। তার কারণ প্রতি বছরই পূজোর পরে বিভিন্ন জায়গায় কার্নিভালের উৎসব পালন করা হয়ে থাকে। বিভিন্ন জেলায় কার্নিভাল উৎসব পালন করা হয়ে থাকে। শহরের সেরা পুজো গুলো বাছাই করা হয় সেখানে এবং সেই অনুষ্ঠানে আবারো প্রতিমা পরিদর্শন করা হয়ে থাকে।

যেমন আমাদের কলকাতায় শহরে আজ রেড রোডে কার্নিভালের আয়োজন করা হয়েছে। আজ সেই রেড রোডে কলকাতা শহরের বিভিন্ন বড় বড় পুজোর প্রতিমা নিয়ে আসা হবে। কার্নিভালের পর রেড রোড থেকেই প্রতিমাগুলি বিসর্জনের উদ্দেশ্যে রওনা দেবে। তবে রেড রোডের এই ইউনেস্কো সম্মানিত কার্নিভালের আগে সোমবার রাজ্যের বিভিন্ন জেলার জেলা সদরে স্থানীয় প্রশাসনের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হল জেলার পুজো কার্নিভাল। আর সেই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বড় বড় অভিনেতা অভিনেত্রী এবং মন্ত্রীরা।

যেমন আসানসোলের কার্নিভাল অনুষ্ঠানে জনপ্রিয় টলি অভিনেত্রী ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত নৃত্য পরিবেশন করেন। বেশ কয়েকটা গানের তালে ঋতুপর্ণা ও তার গ্রুপ ঐদিন নৃত্য পরিবেশন করেন। এসবের ভিড়ে কলকাতার বুকে ঘটে যাওয়া নির্মম ঘটনা কেউই ভোলেনি। পুজোর মাঝেও চলেছে টানা অনশন, চলেছে প্রতিবাদ মিছিল। তিলোত্তমার সাথে ঘটে যাওয়া অন্যায় কেউই ভোলেনি। আর সেই ঘটনা যাতে কেউ না ভোলে সেটাই বারবার মনে করিয়ে দেয়া হয়েছে সাধারণ মানুষকে।

ঋতুপর্ণা সেনগুপ্তকে ঘিরে কটাক্ষ

তবে আসানসোলের ঋতুপর্ণা সেনগুপ্তের নৃত্য পরিবেশনকে ঘিরে তৈরি হয়েছে কটাক্ষ। অভিনেত্রী তিলোত্তমা প্রতিবাদ কাণ্ডের সময় শঙ্খ বাজিয়ে ট্রোলের মুখোমুখি হয়েছিলেন। সেই সময় অভিনেত্রীকে নানান সমালোচনার মুখে পড়তে হয়েছিল। এমনকি শ্যামবাজারের প্রতিবাদ মিছিলে যেতে দেওয়া হয়নি তাকে। সেখান থেকে রীতিমতো তাকে বিতাড়িত করা হয়েছিল। ওই ঘটনার পর থেকে সাধারণ মানুষ ঋতুপর্ণার উপর রাগে ক্ষোভে ফুঁসছে। এবারে আসানসোলে তার নৃত্য পরিবেশন নিয়ে শুরু হয়েছে কটাক্ষ।

আরও পড়ুন: না চাইতেও কাছাকাছি শ্যামলী-অনিকেত! জমে ক্ষীর ধারাবাহিকের আজকের পর্ব

এছাড়াও ঐদিনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রী মলয় ঘটক, সাংসদ শত্রুঘ্ন সিনহা, মেয়র বিধান উপাধ্যায় জেলা সভাধিপতি বিশ্বনাথ বাউরী, প্রাণী সম্পদ উন্নয়ন দপ্তরের ভাইস চেয়ারম্যান তথা জেলা পরিষদের মেন্টর ভি.শিবদাসন দাসু-সহ জেলা শাসক, পুলিস কমিশনার প্রমুখ। মোট ১৫ টি প্রতিমা এই কার্নিভালে অংশ গ্রহণ করেছিল। আসানসোলের পাশাপাশি উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, বীরভূম, বাঁকুড়া, উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুর, শিলিগুড়ি, দার্জিলিং-সহ সমস্ত জেলাতেই কার্নিভালের আয়োজন শুরু হয়ে গিয়েছে। বিষ্ণুপুরে এবার প্রথমবারের জন্য কার্নিভাল আয়োজিত হয়েছে।

Back to top button