আদির রক্ষা কবচ আনন্দী! বুদ্ধিতে বাজিমাত নন্দিনী! টানটান উত্তেজনাময় আজকের পর্ব

গত কয়েক সপ্তাহে শুরু হয়েছে বেশ কিছু নতুন ধারাবাহিক। তার মধ্যে একটি হলো জি বাংলার (Zee Bangla) আনন্দী (Anondi)। মাত্র কয়েকদিন আগে শুরু হয়েছে, আর ইতিমধ্যেই টিআরপি তালিকায় ভালো ফলাফল করছে। এই ধারাবাহিকটি একের পর এক টুইস্টের মাধ্যমে দর্শকদের মন জয় করে চলেছে।
ধারাবাহিকের গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে আনন্দীর বাবার সাথে যে ঘটনাটা ঘটেছে তারপর থেকে বিজয়া ফ্রি স্কিমে কোন রোগী আর নিজেদের নাম এন্টি করাতে চাইছে না। যে সমস্ত রোগী নাম এন্ট্রি করাচ্ছে তারাও পড়ে নাম তুলে নিচ্ছে। কেউই স্কিমের উপর ভরসা রাখতে পারছে না। অন্যদিকে আনন্দীও নিজের পরিবারকে রকেটের হাত থেকে বাঁচাতে ঠাম্মির থেকে পাঁচ লাখ টাকা ধার নিয়ে রকেটের সমস্ত টাকা শোধ করে দিয়েছে।

আনন্দী আজকের পর্ব ১৫ অক্টোবর (Anondi Today Episode 15 October)
ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখানো হবে বিজয়া ফ্রিজ কিনে কোন রোগী তাদের চিকিৎসা করাতে চাইছে না সেই কারণেই পরপর রোগীরা সমস্ত নাম লিখেও তাদের নাম তুলে নিচ্ছে এই অবস্থায় একেবারেই ভেঙে পড়েছে আদি সামনে আর কোন উপায় দেখতে পাচ্ছে না সে। বিজয়াও ছেলেকে এই অবস্থায় দেখতে পারে না। বাড়ির সবাই মিলে আবারো আদি ও বিজয়াকে নিয়ে আড়ালে কথা বলতে থাকে। এদিকে হঠাৎই আনন্দীর কাছে একটা ফোন আসে, ফোন পেয়ে ছুটে যায় আনন্দী। গিয়ে পৌঁছায় নিজের নার্সিং সেন্টারে।
সেখানে বিমলা নামের এক মহিলার ছেলে ভীষণই অসুস্থ হয়ে পড়েছে। আসলে ও বাচ্চাটির হার্টে ছোট থেকেই ফুটো রয়েছে কিন্তু টাকার অভাবে তারা কোনদিনও ভালো চিকিৎসা করাতে পারেনি। কিন্তু এবারে বাড়াবাড়ির পর্যায়ে পৌঁছে গিয়েছে, এবারে অ’পারেশন না করালে বাচ্চাটিকে আর বাঁচানো যাবে না। তখন আনন্দী বলে বিজয়া ফ্রি স্কিমে ছেলের চিকিৎসা করানোর কথা। প্রত্যেকে প্রথমে আনন্দীর কথা শুনে ইতস্তত করে, কারণ আনন্দীর বাবার কথা সকলেই জানতো। তবে আনন্দী ভরসা দিয়ে বলে আদিদেবের হাতে যে কোন রোগী সুস্থ হয়ে যায়, তার বাবার বয়স হয়েছিল তাই এমন ঘটনা ঘটেছে। তবে আদি বিমলার ছেলেকে ভালো করে দেবে, কারণ যদি অন্য কোন হাসপাতালে চিকিৎসা করাতে হয় তাহলে চার লক্ষ টাকা লাগবে। আর সেই টাকা জোগাড় করতে থাকেন বাড়ি বন্ধক দিতে হবে। তাই সেটা চায় না আনন্দী। এবার আনন্দী বিমলা এবং বাচ্চাটিকে নিয়ে ছুটে যায় মেডিনেসে।
আরও পড়ুনঃ ‘এর শেষ দেখতে হবে’- তিলোত্তমা কাণ্ডে বি’স্ফোরক দেবলীনা!
এদিকে তো নন্দিনী বিজয়া স্কিম বন্ধ করার জন্য উঠে পড়ে লেগেছে। আদির সামনে নন্দিনী রোগীদের নামের লিস্ট তুলে ধরেছে, যেখানে পরপর রোগীরা নিজেদের নাম এন্ট্রি করেও তুলে নিয়েছে। তাই কোন মানেই হয় না এই স্কিম চালু রাখার। বারবার সেটাই আদির মাথায় ঢোকাতে থাকে নন্দিনী। আদি যদিও প্রথমে মানতে চাইছিল না তবে নন্দিনী জোর করে এই স্কিম বন্ধ করার কথা বলে। তখনই বিমলা এবং তার ছেলেকে নিয়ে নার্সিংহোমে উপস্থিত হয়ে আনন্দী। আনন্দী এসে আদির হাতে পায়ে ধরে অনুরোধ করে যাতে বিমলার ছেলেকে চিকিৎসা করে তাকে বাঁচিয়ে তোলে সুস্থ করে তোলে। আনন্দীর এই চেষ্টা দেখে আদিও ভরসা পায় এবং সঙ্গে সঙ্গে রোগীর নাম এন্ট্রি করে এই স্কিমের আওতায় চিকিৎসা শুরু করে। আর এই দেখে তো নন্দিনী ভীষণ ক্ষেপে যায় আনন্দীর উপরে। সে আনন্দীকে এত সহজে ছেড়ে দেবে না এই তার পথে বাধা হয়ে দাঁড়ানোর জন্য। দেখা যাক এরপরে কি হয়।

