শহরে আরোও একটি ধ’র্ষণ! তীব্র প্রতিবাদ জানালেন অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্র!
আরজি কর কাণ্ডের (R.G Kar) আ’গুন এখনো নেভেনি রাজ্যে। এরই মধ্যে রাজ্যে আরও একটি ধ’র্ষণ কাণ্ডের খবর উঠে এসেছে। নাবালিকাকে ধ’র্ষণের ঘটনায় উত্তাল নিউ টাউনের যাত্রাগাছির বিবেকানন্দ পল্লি এলাকা। একজন ১৬ বছরের নাবালিকাকে ২৫ বছরের যুবক সঞ্জয় হালদার দীর্ঘদিন ধরে প্রাণে মে’রে ফেলার হুমকি দিয়ে ধ’র্ষণ করে চলেছেন। এই নিয়ে এখন উত্তাল গোটা রাজ্য। একটা ঘটনা কাটতে না কাটতে ফের আরও একটি ঘৃণ্য ঘটনার সাক্ষী হলেন রাজ্যবাসী। সম্প্রতি এই নিয়েই মুখ খুলেছেন শ্রীলেখা মিত্র (Sreelekha Mitra)।
ধ’র্ষণকাণ্ডে মুখ খুললেন শ্রীলেখা
নিজের ফেসবুক প্রোফাইল থেকে অভিনেত্রী লিখেছেন ‘আরও একটি ধ’র্ষণ। এবার নিউটাউনের যাত্রাগাছিতে ১৬ বছরের মেয়েকে। ধ’র্ষককে কী বলব?’ ‘ধন্যবাদ ভাই, খু’নটা অন্তত করেননি? আমাদের ১৪ গুষ্টির ভাগ্য ভালো। হয়তো এরকম জায়গায় বাস করছি আমরা। ভ’য় দেখিয়ে সব কেড়ে নিয়ে যেটুকু ওরা দেবে, তাতেই সন্তুষ্ট থাকব সবাই।’,
পরিবারের অভিযোগ অনুযায়ী জানা গিয়েছে যাত্রাগাছি বিবেকানন্দ পল্লি এলাকায় ওই ১৬ বছরের নাবালিকা যখন বাড়িতে যখন একা থাকতো ফাঁকা বাড়িতে মাঝেমধ্যেই ঘরে ঢুকে পড়ত প্রতিবেশী কাকা সঞ্জয় হালদার। শুক্রবার মেয়েটি তার মায়ের কাছে সবটা জানায়। জানায় সঞ্জয় হালদার বাড়িতে একা পেয়ে তাকে ধ’র্ষণ করে। এরপরই নাবালিকার মেডিকেল পরীক্ষা করায় পরিবার। বিষয়টি জানাজানি হলে এলাকার মানুষ ক্ষি’প্ত হয়ে আ’ক্রমণ করে সঞ্জয় হালদারের বাড়িতে। বাড়ি ভা’ঙচুর করা হয়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে নিউ টাউন থানার পুলিশ আসলে পুলিশকেও ঘিরে ধরে বি’ক্ষোভ দেখায় স্থানীয়রা।
একের পর এক ধ’র্ষণকাণ্ডে উ’ত্তপ্ত হয়ে উঠছে কলকাতা শহর। দুমাস হতে চলল এখনো তিলোত্তমা কাণ্ডের সঠিক বিচার পায়নি সাধারণ জনগণ। জানা যায়নি আসলে ধ’র্ষণটা কে বা কারা করেছিল। গত ৯ আগস্টের পর থেকে একের পর এক বি’ক্ষোভ, মিছিল, সমাবেশ বসেছিল কলকাতার বিভিন্ন প্রান্তে। শুধুমাত্র এই রাজ্যের নয় বাইরে রাজ্যে, গোটা দেশ এমনকি বিদেশেও ছড়িয়ে পড়েছিল এই ঘটনার প্রভাব।
আরও পড়ুন: রাতারাতি ধারাবাহিক থেকে বাদ পড়েছিলেন নায়িকা! শুটিং সেটেই ভেঙে পড়েছিলেন কান্নায়!
একটা প্রভাব কাটতে না কাটতেই আরো একটা ঘটনার সম্মুখীন হলেন রাজ্যবাসী। এই ঘটনায় নাবালিকার মা জানিয়েছেন, “ভোরে আমরা কাজের জন্য বেড়িয়ে যাই বাড়ি থেকে৷ বাড়িতে বেশিরভাগ সময় একাই থাকে আমাদের একমাত্র মেয়ে। এর আগে বিষয়টি নিয়ে কখনও কিছু বলেনি মেয়ে৷ কিন্তু এবার জোর দিতেই সব কথা আমাদের জানায় সে। এর আগে বেশ কয়েকবার অভিযুক্ত প্রতিবেশীকে বাড়িতে আসতে বারণ করা হয়। আমাদেরকে মা’রধর করার এবং অ্যা’সিড দিয়ে পু’ড়িয়ে ফেলার ভয় দেখিয়েছিল অভিযুক্ত এই কাজ করেছে।”

