মিঠাই সিরিয়াল দেখে সুস্থ হলেন এক গুরুতর রোগী!দাদাইয়ের মুখে সব শুনে দর্শকদের ভুরি ভুরি প্রশংসা

জি বাংলার মিঠাই ধারাবাহিক দর্শকদের কতটা আপন সেটা লিখে প্রকাশ করার প্রয়োজন পড়ে না। বাংলার সেরার সেরা অর্থাৎ টপার বরাবর মিঠাই রানী। সেটা টিআরপি হোক অথবা জনপ্রিয়তা হোক কোন অংশে অন্য কোন ধারাবাহিক টিকতে পারে না এই ধারাবাহিকের কাছে।

মিঠাই, উচ্ছে বাবু আর গোটা মোদক পরিবার জমিয়ে রেখেছে জি বাংলা এবং গোটা বাংলার সংসার। সৌমীতৃষা কুণ্ডু নতুন অভিনেত্রী হিসেবে এই সিরিয়ালে এসেছিলেন। আর এই মুহূর্তে গোটা বাংলা জুড়ে এমন কোন মানুষ নেই যে এই নায়িকাকে চেনে না আর। এর জন্য সম্পূর্ণ কৃতিত্ব নায়িকার অভিনয়কেই দিতে হয়।

মোট ৫৬ সপ্তাহ ধরে বাংলার টপার হিসেবে তালিকা ধরে রেখেছে মিঠাই রানী। আর এই নায়িকা এবং এই ধারাবাহিকের জনপ্রিয়তা যে শুধু টেলিভিশনের পর্দা পর্যন্ত সীমাবদ্ধ নেই তার প্রমাণ ছড়িয়ে গেছে সোশ্যাল মিডিয়াতে।

ইদানিং এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে মিঠাই ধারাবাহিকের দাদু জনপ্রিয় অভিনেতা বিশ্বজিৎ চক্রবর্তী এবং দিদিমা স্বাগতা বসু মুখ খুলেছেন কিছু বিশেষ বিষয় নিয়ে। এক মনমুগ্ধকর কাহিনী প্রকাশ করেছেন দর্শকদের সামনে।

দুজনে বলেছেন গল্প অনুযায়ী এক চরিত্রের সঙ্গে অপর চরিত্রের ঝগড়া ঝামেলা হলেও অফস্ক্রিন সবার সম্পর্ক ভীষণ ভালো। শুটিং শেষ হলেই সকলে মিলে দৌড়ে যান কোন ক্যাফেতে আড্ডা মারার জন্য। হইহুল্লোড় করে সাফল্য উদযাপন করেন সকলে মিলে। পাশাপাশি রয়েছে শহরের কিছু অভিজাত ক্লাব। তবে এর বাইরেও এক মর্মস্পর্শী কাহিনী বর্ণনা করেছেন।

আপনারা কি জানেন যে মিঠাই ধারাবাহিক দেখে এক মুমূর্ষু রোগী রীতিমতো সুস্থ হয়ে গেছে? এই তথ্য দিয়েছেন বিশ্বজিৎ চক্রবর্তী। জানিয়েছেন এমন কিছু বন্ধু রয়েছে যারা ভাষাগত দিক থেকে হিন্দি বলে কিন্তু তারা নিয়মিত মিঠাই ধারাবাহিক দেখতে ভোলে না। শুধু তাই নয় মুম্বইতে চিকিৎসাধীন এক পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পেরেছিলেন তিনি। জানতে পারেন পরিবারের এক ব্যক্তি দুরারোগ্য রোগে আক্রান্ত এবং এই মুহূর্তে সুস্থ। হাসপাতালে থাকাকালীন নিয়মিত মিঠাই দেখতেন তিনি। এটাই নাকি তাঁকে ভালো রেখেছে।

