এক ঢিলে দুই পাখি ম’রলো! সফল নন্দিনীর প্ল্যান! টানটান উত্তেজনাময় আজকের পর্ব

সদ্য শুরু হাওয়া জি বাংলায় (Zee Bangla) জনপ্রিয় ধারাবাহিক গুলির মধ্যে অন্যতম একটি হলো আনন্দী (Anondi)। ধারাবাহিকে জুটি বেধেছেন অন্বেষা এবং ঋত্বিক। ফের আরো একবার তাদের জুটি ধারাবাহিককে ফিরে আসাতে দর্শক দারুণ খুশি।
ধারাবাহিকের গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে সুপায়ণ এবং নন্দিনীর প্ল্যান অনুযায়ী আনন্দীর বাবাকে মে’রে ফেলার সক্ষম হয়েছে তারা। অপারেশন থিয়েটারে অপারেশন সফল হবার পরেও ইনজেকশন দেওয়ার পরের মুহূর্তেই আনন্দীর বাবার অবস্থার অ’বনতি হতে শুরু করে এবং অপারেশন থিয়েটারে মা’রা যায় আনন্দীর বাবা। এ কথা জানার পর আনন্দী ভীষণ ভে’ঙ্গে পড়ে। এদিকে আদি বুঝতে পারে না এই ধরনের ঘটনা তার হাতে কি করে ঘটলো। সে বড় বড় অপারেশন করেছে এর আগে। কখনো এমনটা হয়নি তার সাথে আনন্দীর বাবা মা’রা যাওয়ার পর নন্দিনীর কথা মতন রকেট, আনন্দীর দাদা এবং করে গুলো গুণ্ডা মিলে নার্সিংহোমে আদির উপর হা’মলা চালায়। তাদেরকে ভ’য় পেয়ে যায় বিজয়া। এরপরে কোনরকম ভাবে সেখান থেকে তারা বেরিয়ে আসে আদি, বিজয়া এবং আনন্দীকে সঙ্গে করে নিয়ে আসে।

আনন্দী আজকের পর্ব ৮ অক্টোবর (Anondi Today Episode 8 October)
ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখানো হবে আনন্দীর জ্ঞান ফিরে আসার পর সে দেখে লাহিড়ী বাড়িতে রয়েছে এবং সে উঠে বসে জিজ্ঞাসা করে আদি কোথায় আদির সঙ্গে কথা বললে সমস্ত কিছু ঠিক হয়ে যাবে। আদি সবার ভগবান, তার হাতের জাদুতে ম:রা মানুষ জ্যান্ত হয়ে ওঠে। এ সমস্ত কথা বলে অ’স্থির হয়ে ওঠে আনন্দী। এদিকে দেখা যায় নন্দিনী সু প্ল্যান তো সফল হয়েছে। তাই তারা মনে মনে ভীষণ খুশি। বিজয় স্কিমের ব’দনাম করতে পেরেছে তারা। এদিকে আনন্দীর উপরেও ব’দলা নেওয়া হয়ে গেছে। মোটকথা এক ঢিলে দুই পাখি মা’রা হয়ে গিয়েছে।
কিন্তু আদির বাবা তাকে নিয়ে চিন্তা করতে থাকে। তার ডাক্তারির লাইসেন্সটা ক্যা’ন্সেল হয়ে গেলে সে এটা কিছুতেই মেনে নিতে পারবে না। এ কথা শোনার পরে তো নন্দিনী আরো ক্ষে’পে ওঠে। নন্দিনী কিছুতেই মানতে পারেনা যে অনিরুদ্ধ মেডিনেসের আগে তার পরিবারের কথা ভাবছে। অনিরুদ্ধ বারবার নন্দিনীকে বলতে থাকে বাইরে যারা ঝা’মেলা করছে তাদেরকে থামানোর ব্যবস্থা করতে। না হলে অনেক বড় ক্ষ’তি হয়ে যাবে। এদিকে বিজয়ার উপর তো বে’জায় ক্ষে’পে রয়েছে, পারলে বাড়ি থেকে তা’ড়িয়ে দেয়।
আরও পড়ুনঃ প্রথম ঝলকেই বাজিমাত করল উদয় প্রতাপ! প্রকাশ্যে পরিণীতার প্রথম প্রোমো!
অন্যদিকে আদি আনন্দীকে বোঝাতে থাকে যে সেই ভগবান নয়, সে একজন সাধারণ ডাক্তার। সে নিজের যথাসাধ্য দিয়ে তার বাবাকে বাঁ’চানোর চেষ্টা করেছিল। এমনকি তার বাবা অপারেশনে সাড়াও দিয়েছিল, অপারেশন সফল হয়েছিল। কিন্তু কি থেকে কি হয়ে গেল সে কিছুই বুঝতে পারল না। এ সমস্ত কথা শোনার পর আনন্দী নিচে নেমে আসে। নিচে নেমে আসার পর দরজা খুলে দেখে বাইরে তার দাদা, বৌদি, রকেট সবাই মিলে ঝা’মেলা করছে। আনন্দী তাদের থামাতে চাইলেও থামাতে পারেনা। অন্যদিকে আদি এবং বিজয়া নেমে আসে, বাড়ির সবাই মিলে তাদের বলে এই ঝামেলা তাদেরকেই মুখোমুখি দাঁড়িয়ে সামলাতে হবে। কারণ বিজয়া এখন নার্সিংহোমের এমডি এবং আদি এই অপারেশনটা করেছে। তাই তাদের দুজনেরই উপরই এর দায় রয়েছে।

