শ্যামলীর হাতে এল বিরাট প্রমাণ! তীর্থঙ্করের খেলা শেষ!

এই মুহূর্তে জি বাংলার (Zee Bangla) জনপ্রিয় ধারাবাহিক গুলির মধ্যে একটি হল ‘কোন গোপনে মন ভেসেছে’ (Kon Gopone Mon Bhesechhe)। দীর্ঘ কয়েক মাস ধরে এ ধারাবাহিক চলছে টেলিভিশনের পর্দায়। শুরু থেকে এখনো পর্যন্ত ধারাবাহিকটি দর্শকের মনে। ভালোই জায়গা দখল করে রেখেছে মোটামুটি ভালোই ফলাফল করে প্রতি সপ্তাহে অনেকে এবং শ্যামলীর জুটি দর্শকদের অনেকেরই খুব পছন্দের।

শেষ কয়েকদিন ধরে এই ধারাবাহিকের এপিসোডে দেখানো হচ্ছে কিভাবে অনিকেতের উপর মি’থ্যে চু’রির ব’দনাম দেওয়া হয়েছে অফিস থেকে। আসলে অনিকেতের অফিসেই এমন অনেক এমপ্লয়ি রয়েছে যারা অনিকেতকে পছন্দ করেনা। অনিকেত কোম্পানিতে ডিপার্টমেন্টের হেড হয়ে জয়েন করার পর অনেকেরই বেশ অ’সুবিধা হয়ে গিয়েছে। কারণ অনিকেত খুব কর্মঠ একজন মানুষ। কাজে ফাঁ’কি দেওয়া একদম পছন্দ করেনা। আর ওই অফিসে এমন অনেক এমপ্লয়ি রয়েছেন যারা সব সময় কাজে ফাঁ’কি দেন। তাই তাদেরই অসুবিধা হয়ে গিয়েছে অনিকেত এসে পড়ার।

Bengali serial

এদিকে অনিকেতকে ফাঁ’সানোর জন্যই ওই অফিসের কেউ চক্রান্ত করে এই কাজ করেছে। সেটা শ্যামলী নিশ্চিত, তাই অনিকেতের উপর শ্যামলীর পুরো ভরসা রয়েছে। অনিকেতকে অফিস থেকে বার করে দেওয়ার পর অনিকেত এই অ’পমান সহ্য করতে না পেরে রাস্তায় রাস্তায় ঘুরতে থাকে। এমনকি তার সাথে অ্যা’ক্সিডেন্ট হতে হতে বেঁচে যায়। এই সমস্ত ভাবনা চিন্তার মধ্যেই তার ধুম জ্ব’র আসে। কিন্তু বেশ অনেকদিন ধরেই তো অনিকেত জোড়া বাড়িতে থাকছে না। অহনার সঙ্গে তার একটি ফ্ল্যাটে রয়েছে। এদিকে অহনাও অনিকেতের যত্ন ঠিকমতো করতে পারছে না। এই ঘটনা জানার পরে শ্যামলী অনিকেতকে নিয়ে চলে যায় জোড়া বাড়িতে। সেখানে গিয়ে অনিকেতের সেবা শুশ্রষা করে তাকে সুস্থ করে তোলে।

কি হতে চলছে আগামী পর্বে?

অনিকেত সুস্থ হয়ে উঠলে শ্যামলী অনিকেতকে সব ঘটনা খুলে বলে। কিভাবে সিসিটিভি ক্যামেরায় সমস্ত ঘটনা দেখেছে শ্যামলী। লোডশেডিং হয়েছে ৫ মিনিটের জন্য আবার কারেন্ট এসেছে তার মাঝে কি কি হতে পারে সমস্ত কিছু আলোচনা করে দুজনে মিলে। আর সমস্ত ঘটনা বুঝতে পেরে শ্যামলীর এখন একটাই উদ্দেশ্য অনিকেতকে নির্দোষ প্রমাণ করা, তার সম্মান আবার ফিরিয়ে দেওয়া আর আসল দোষীকে শা’স্তি দেওয়া।

আরও পড়ুনঃ স্মৃতি ফিরতেই তার কেটে গেল পর্ণার! লেজে গোবরে ইশা! জমে গেল আজকের পর্ব

এরই মাঝে আগামী পর্বে দেখা যেতে চলেছে কিভাবে অনিকেত এবং শ্যামলী মিলে অফিসে গিয়ে সকলের উপর নজর রাখছে। এদিকে দুজনে যাকে সন্দেহ করেছিল সেই তীর্থঙ্কর অফিসে সকলের কাছে অনিকেতের নামে ব’দনাম করছে। শ্যামলী এবং অনিকেত দুজনেরই সন্দেহ ঐ তীর্থঙ্করের উপরে। তীর্থঙ্কর অনিকেতকে প্রথম দিন থেকেই সহ্য করতে পারে না। তাই তীর্থঙ্কর অনিকেতকে এই অফিস থেকে বের করার জন্যই এই কাজটা করতে পারে। এবারে দেখার অপেক্ষা দুজনে মিলে কি করে আসল সত্যিটা প্রমাণ করে।

Back to top button