আনন্দীর বাবাকে গ্রা’স করল নন্দিনীর নোং’রা প্ল্যান! টানটান উত্তেজনাময় আজকের পর্ব

বর্তমানে জি বাংলায় জনপ্রিয় ধারাবাহিক গুলির মধ্যে অন্যতম একটি হলো জি বাংলার (Zee Bangla) আনন্দী (Anondi)। ধারাবাহিকটি অল্প কয়েকদিনের জন্য শুরু হয়েছে টেলিভিশনের পর্দায়। তবে ইতিমধ্যেই দর্শক এই ধারাবাহিক ভালবাসতে শুরু করেছেন। টিআরপি তালিকায় তার প্রমাণ পাওয়া গেছে। প্রথম সপ্তাহতেই যে এই ধারাবাহিক এতটা ভালো ফলাফল করবে তা আশা করা যায় না।
ধারাবাহিকের গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে অবশেষে মেডিনেস নার্সিংহোমে আনন্দীর বাবার অপারেশন হচ্ছে। আর ডক্টর আদিদেব লাহিড়ী আনন্দীর বাবার অপারেশন করছে। আনন্দী তার বাবাকে নিয়ে তো খুব চিন্তিত। কারণ তার বাবা ছাড়া কেউ নেই। বাবাকে সুস্থ করে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়াই আনন্দীর লক্ষ্য। এদিকে আনন্দীর দাদা নিজের ধান্দায় রয়েছে। বাবাকে অপারেশন থিয়েটারে নিয়ে যাওয়ার আগেই বাবার থেকে সম্পত্তির কাগজে সই করিয়ে নিতে চাইছে। আর অন্যদিকে নন্দিনীর পরামর্শে সুপায়ন আনন্দীর বাবার অপারেশনে কোন একটি ওষুধ অদল বদল করে দেওয়ার চেষ্টা করে।

আনন্দী আজকের পর্ব ৬ অক্টোবর (Anondi Today Episode 6 October)
ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখানো হবে সুপায়ন ওষুধ অদল বদল করতে গেলে তাকে হাতেনাতে ধরে ফেলে আদি। এরপরে অপারেশন থিয়েটার থেকে তাকে বের করে দেয়। অন্যদিকে তো আনন্দী বাবার চিন্তায় চিন্তায় শুকিয়ে গিয়েছে। এই অবস্থায় কোথায় যাবে বুঝতে না পেরে সে চলে যায় বিজয়ার কেবিনে। সেখানে গিয়ে দেখে বিজয়া বাড়ির দুই বউয়ের সঙ্গে ফোনে কথা বলছে। সামনে দুর্গা পূজা তাই সেই সমস্ত কাজেরই নির্দেশ দিয়ে দিচ্ছে বিজয়া। এরপর দেখা যায় বিজয়া আনন্দীকে মনে ভরসা যোগায়, তাকে সাহস দিতে থাকে।
আনন্দী বিজয়াকে জড়িয়ে কেঁদে ফেলে। আর বলতে থাকেন বাবা ছাড়া তার এই পৃথিবীতে আর কেউ নেই। সে বড্ড একা, মা থাকলে সে মায়ের কাছে যেত কিন্তু মা তো নেই তাই কার কাছে যাবে বুঝে উঠছে না পেরে বিজয়ার কাছে এসেছে সে। এদিকে তো সুপায়ন নন্দিনীর ঘরে এসে নন্দিনীকে বলে আর একটু হলেই আদি তাকে হাতেনাতে ধরে ফেলছিল।
আরও পড়ুনঃ ‘অন্যকে ছোট করে নিজেকে বড় করা যায় না’- সরাসরি শ্রীলেখাকে ক’টাক্ষ ঋতুপর্ণার!
আসলে এর আগে আদি এই নার্সিংহোমে ছিল না তাই প্রশ্ন করার মত কেউ ছিল না। কিন্তু আদি এখন ছোট ছোট বিষয় নিয়েই প্রশ্ন করছে। তাই কাজটা করতে একটু দেরি হয়েছে। কিন্তু কখন যে সবার চোখের আড়ালে সুপায়ন ওষুধ বদলে দিয়েছে সেটা কেউ বুঝতেই পারেনি। সুপায়ন যে ওষুধটা বদলে দিয়েছে তার প্রতিক্রিয়া ভয়ংকর হতে চলেছে। আনন্দীর বাবার প্রাণ চলে যাওয়া সম্ভাবনা রয়েছে। আদি ভালো ডাক্তার হলেও এক নজরে ওই ওষুধ দেখে চিনতে পারাটা সহজ কথা নয়। তাই কি করে যে আনন্দীর বাবার প্রাণ আদি বাঁচাবে সেটাই দেখার অপেক্ষা।

