হাত মেলাল শ্যামলী অনিকেত! অহনাকে ঝেঁ’টিয়ে তা’ড়ালো শ্যামলী

জি বাংলার (Zee Bangla) জনপ্রিয় ধারাবাহিকগুলির মধ্যে অন্যতম একটি হলো ‘কোন গোপনে মন ভেসেছে’ (Kon Gopone Mon Bhesechhe)। জি বাংলার পর্দায় দীর্ঘ কয়েক মাস ধরে এই ধারাবাহিক চলছে। ধারাবাহিক শুরুর সময় থেকে ধীরে ধীরে দর্শকের মন জয় করে নিতে সক্ষম হয়েছে। বর্তমানে ধারাবাহিকটি দর্শকদের বেশ পছন্দের হয়ে উঠেছে। ধারাবাহিকটিতে অভিনয় করছেন অভিনেত্রী শ্বেতা ভট্টাচার্য এবং অভিনেতা রণজয় বিষ্ণু। দুজনের জুটি ও দর্শকদের মাঝে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়েছে।

ধারাবাহিকে শেষ কয়েকদিন ধরে দেখানো হচ্ছে অনিকেত নিজের পারিবারিক ব্যবসা ছেড়ে একটি চাকরিতে যোগ দিয়েছে। সেখানে দীর্ঘদিন ধরে চাকরি করছে সে। তবে এরই মাঝে ঘটে বি’পত্তি। হঠাৎ করেই অফিসে বড়সড় স্ক্যা’মের দায় পড়েছে অনিকেতের ওপরে। যদিও অনিকেত সম্পূর্ণভাবেই নির্দোষ। এ কথাটা মন থেকে বিশ্বাস করে শ্যামলী। তবে অফিসে অনিকেতের কম্পিউটার থেকেই এই সমস্ত কা’রসাজি হয়েছে। আর এই অ’পমানের বোঝা মাথায় নিয়ে অনিকেত রাস্তায় ঘুরতে থাকে। রাস্তায় তারা শরীর খা’রাপ হয় এমনকি বাড়ি আসার পথে তার ধুম জ্ব’র আসে গায়ে।

Kon Gopone Mon Bhesechhe Today Episode 18 June

কোন গোপনে মন ভেসেছে আজকের পর্ব ৫ অক্টোবর (Kon Gopone Mon Bhesechhe Today episode 5 October)

ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখানো হবে অনিকেত এখন অহনার সঙ্গে একটি আলাদা ফ্ল্যাটে থাকছে। কিন্তু অহনা তো অনিকেতের বিন্দুমাত্র খেয়াল রাখে না। তার খাওয়া, পড়া কিছুই খেয়াল থাকেনা অহনার। অহনা বাড়ি এসে অনিকেতকে শুয়ে থাকতে দেখে খুব সাধারণভাবে অনেকের সঙ্গে কথা বলতে থাকে। এরপর হঠাৎ গায়ে হাত দিয়ে বুঝতে পারে অনিকেতের জ্বর এসেছে। কিন্তু অহনা তো নিজের স্বার্থ ছাড়া কিছুই বোঝে না। তাই অনিকেতের এই অবস্থা দেখেও সে নিজের কথা ভাবতে থাকে। অনিকেত জরের ঘোরে বিড়বিড় করে অহনাকে মাথায় জল ঢালার কথা বলে। অহনা কিছু বুঝতে না পেরে যা খুশি ভাবে অনিকেতের মাথায় জল ঢেলে তাকে পুরো ভিজিয়ে দেয়।

শ্যামলী বাড়ি এসে সবাইকে ডাকতে থাকে এবং বাড়ির সবাইকে জানাই অনিকেত ভালো নেই। তাকে অফিসে চুরির দায়ে বের করে দেওয়া হয়েছে। এই কথায় প্রত্যেকেই তো অবাক হয়ে যায়। শ্যামলী অনিকেতের কাছে যেতে চাইলেও তার শ্বশুর মশাই তাকে বাধা দেয় প্রথমে। কিন্তু শ্যামলী তার শ্বশুর মশায়ের কথার অবাধ্য হয়ে চলে যায় অনিকেতের ফ্ল্যাটে। সেখানে গিয়ে দেখে অহনা অনিকেতের সাথে এই কাণ্ড করে বসে রয়েছে। এরপর অহনাকে ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে দেয় শ্যামলী। নিজে অনিকেতের সেবা করতে থাকে। অনিকেতের মা অহনাকে জিজ্ঞাসা করে অনিকেত কে কোন ওষুধ দেওয়া হয়েছে কিনা। অহনা তখন আর কি বলবে বাধ্য হয়ে সত্যিটা বলতে হয় তাকে। এরপর সবাই মিলে অহনাকে জোর করে ওষুধ আনতে পাঠায়। সেই ফাঁকে শ্যামলী বলে অনিকেতকে এখানে ফেলে রাখলে সে আরো অসুস্থ হয়ে পড়বে তাই সকলে মিলে অহনার অনুপস্থিতিতে অনিকেতকে নিয়ে চলে যায় তাদের বাড়িতে।

বাড়িতে গিয়ে রাত জেগে শ্যামলী অনিকেদের পাশে বসে থাকে, তাকে সুস্থ করে তোলার জন্য। এরপর হঠাৎ মাঝরাতে অনিকেতের দাদা অরু অহনাকে ফোন করে সমস্ত কিছু বলে। আর এতেই অহনার ইগোতে আঘাত লাগে। সে মাঝরাতে এই ছুটে আসে অনিকেতের বাড়িতে। এসে নিজের অধিকার বোধ ফলাতে থাকে। শ্যামলী যে তার উপর কোন অধিকার নেই সে কথা শোনাতে থাকে। আর অনিকেতকে এ বাড়ি থেকে নিয়ে যাওয়ার কথা বলে। শ্যামলী তখন অহনাকে ভালোমতো বুঝিয়ে দেয় অধিকারবোধ কাকে বলে। আর সকলের সামনে তাকে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যেতে বলে। অহনা বাড়ি থেকে বেরিয়ে যেতে না চাইলে শ্যামলী তাকে ঘা’ড় ধা’ক্কা ধরে বাড়ি থেকে বে’র করে দেয়। আর এই ঘটনা শ্যামলীর পাশে ছিল গোটা পরিবার।

আরও পড়ুনঃ পর্ণার পৌষ মাস মৌমিতার স’র্বনাশ! স্মৃতি ফিরতেই সব কু’কীর্তি ফাঁ’স!

অনেকে বাড়ি থেকে বের করে দিয়ে শ্যামলী আবার অনিকেতের সেবা করতে থাকে। অনিকেত শ্যামলীর সেবায় আগের চেয়ে একটু সুস্থ বোধ করে। এরপরই শ্যামলী এবং অনিকেত মিলে অফিসের ঘটনা নিয়ে আলোচনা করতে থাকে। শ্যামলী অনিকেতকে বলে সিসিটিভি ক্যামেরায় কি কি ধরা পড়েছেন। কিভাবে মাঝ রাতে আলো নিভে গিয়ে আবার আলো জ্বলে উঠেছে। সমস্ত ঘটনা দেখায় অনিকেতের খটকা লাগে। এরপর শ্যামলী অনিকেতকে জিজ্ঞাসা করে তার কারণ উপর সন্দেহ আছে কিনা। অনিকেত জানায় তাদের অফিসের তীর্থঙ্কর অনিকেতের উপস্থিতি ঠিক পছন্দ করছে না। সে এই কাজটা করলেও করতে পারে। এবারে দেখার অপেক্ষা অনিকেত এবং শ্যামলী মিলে আসল অ’পরাধীকে ধরিয়ে দিতে পারে কিনা।

Back to top button