এবারেও প্রাণে বেঁ’চে গেল ফুলকি! প্ল্যানে নতুন টুইস্ট আনল রুদ্র! টানটান উত্তেজনাময় আজকের পর্ব
এই মুহূর্তে বাংলা ধারাবাহিক গুলির মধ্যে দর্শকদের পছন্দের একটি ধারাবাহিক হলো জি বাংলার (Zee Bangla) ফুলকি (Phulki)। এই ধারাবাহিক যে দর্শকদের কতটা পছন্দের সেটা ভালোমতোই বোঝা যায় টিআরপি তালিকা লক্ষ্য করলে। টিআরপি তালিকায় প্রতি সপ্তাহে এই ধারাবাহিকের ফলাফল দুর্দান্ত।
ধারাবাহিকের গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছিল দীননাথকে বলে রুদ্র ফুলকিকে মা’রার জন্য নতুন প্ল্যান সাজিয়েছে। ফুলকিকে ভূ’তের গল্প বলে তার কৌতূহল বাড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেছে দীননাথ। এরপর ফুলকিকে বাংলোর দোতলার ঘরে পাঠিয়ে সেখানে তাকে দুজনে মিলে ভ’য় দেখিয়ে অ’জ্ঞান করে দেয়। সেখানেই ফুলকিকে তালা বন্ধ করে রাখে রুদ্র এবং দীননাথকে মু’খ বন্ধ রাখতে বলে। রোহিতরা ফুলকিকে খুঁজতে খুঁজতে যখন দীননাথকে ডেকে পাঠায় তখন দীননাথ মিথ্যে কথা বলে। কিন্তু পায়েল তো দূর থেকে দীননাথ এবং ফুলকিকে কথা বলতে শুনে নিয়েছিল তাই পায়েল সমস্ত সত্যিটা ফাঁস করে দেয়।

ফুলকি আজকের পর্ব ৪ অক্টোবর (Phulki Today Episode 5 October)
ধারাবাহিক আজকের পর্বে দেখানো হবে যে ঘরে তালা বন্ধ করে ফুলকিকে রাখা হয়েছিল সেখানে পৌঁছয় রোহিতরা। সেখানে গিয়ে ফুলকিকে ডাকাডাকির পরেও ফুলকির কোন সাড়া পাওয়া যায় না। এদিকে দীননাথ সমানে মিথ্যা কথা বলে যাচ্ছে। এরপর রোহিত বাধ্য হয়ে ওই দরজার তালা ভেঙে ভেতরে ঢোকে। তারপর সবাই মিলে ফুলকিকে মেঝেতে অ’জ্ঞান অবস্থায় খুঁজে পায়। রোহিত খুব ভয় পেয়ে যায় ফুলকিকে এই অবস্থায় দেখে।
ফুলকিকে অনেকবার করে ডাকার পরেও কোন সা’ড়া না পাওয়ায় রোহিত কোলে করে ফুলকিকে ঘরে নিয়ে যায়। এরপরে সবাই মিলে ফুলকির জ্ঞান ফেরানোর চেষ্টা করে। ওইদিকে রুদ্র তো বে। তাকে ফোন করে খবরটা দিতে যায় লাবু। আর রোহিত বক্সারের সময় যে যেভাবে জ্ঞান ফেরানো হতো সেই পদ্ধতি অবলম্বন করে ফুলকির জ্ঞান ফেরানোর চেষ্টা করে। এরপর অনেক কষ্টে ফুলকির জ্ঞান ফিরে আসে। আসলে ফুলকির শ্বা’সকষ্টের সমস্যা রয়েছে, সে কারণে তাকে ইনহেলার দিয়ে সুস্থ করে তোলা হয়।
আরও পড়ুনঃ বড় তীরন্দাজ হবার আগেই ভে’সে গেল রাঙামতির জীবন! টানটান উত্তেজনাময় আজকের পর্ব
এই কিছুক্ষণ পরেই ঘরে এসে উপস্থিত হয় রুদ্র। ফুলকিকে সুস্থ অবস্থায় দেখে রুদ্র একেবারে হতবাক হয়ে যায়। আর ফুলকির মনে হয় রুদ্র তাকে এভাবে বেঁচে থাকতে দেখে যেন বেশ অবাকই হয়েছে। এরপরে রোহিত ফুলকিকে ধরে পৌঁছে দেয়। তারপর চেপে ধরা হয় দীননাথকে। কেন সমস্ত ঘটনা জানার পরেও ফুলকিকে ওই ঘরে যেতে দিয়েছিল সে, ওই ঘরের চাবি তাকে দিয়েছিল। রোহিতের মাথা গরম দেখে রুদ্র তো বেশ ভয় পেয়ে যায়। রুদ্র ভাবতে থাকে যদি দীননাথ সব সত্যি কথা বলে দেয় তাহলে তার সব সত্যি ফাঁস হয়ে যাবে।

