নন্দিনীর ষ’ড়যন্ত্রের শিকার আনন্দী, মৃ’ত্যুর মুখে আনন্দীর বাবা!

জি বাংলার (Zee Bangla) পর্দায় বেশ কয়েকটি নতুন ধারাবাহিক শুরু হয়েছে। তার মধ্যে একটি হল নতুন ধারাবাহিক আনন্দী (Anondi)। ধারাবাহিকের কেন্দ্রীয় চরিত্রের অভিনয় করছেন অভিনেত্রী অন্বেষা হাজরা (Annwesha Hazra) এবং অভিনেতা ঋত্বিক মুখার্জী (Writwik Mukherjee)। ধারাবাহিক ঋত্বিকের ডাক্তারের চরিত্রে অভিনয় করতে দেখা যাচ্ছে এবং অন্বেষাকে দেখা যাচ্ছে একজন নার্সের চরিত্র অভিনয় করতে। মাত্র কয়েকদিন হল এই ধারাবাহিক শুরু হয়েছে টিভির পর্দায়। ইতিমধ্যেই ধীরে ধীরে দর্শকের মন জয় করে নিচ্ছে।
ধারাবাহিকের গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে আনন্দীর বাবার হার্ট অ্যাটাক হাওয়ার পর আনন্দী তার বাবাকে নিয়ে এসেছে মেডিনেস নার্সিংহোমে। সেখানে আদিদেবের হাতে পড়লে তার বাবা একেবারে সুস্থ হয়ে যাবে। কিন্তু নার্সিংহোমে গিয়ে আদিদেবকে দেখতে না পেয়ে আনন্দী তাকে খুঁজতে খুঁজতে আদিদেবের গাড়ির সামনে এসে পড়ে। এরপর আনন্দী আদিদেবকে সমস্ত ঘটনা খুলে বলে। তখন আদিদেব সঙ্গে সঙ্গে নার্সিংহোমে গিয়ে আনন্দীর বাবার চিকিৎসা শুরু করে এবং আনন্দীকে বলে তার বাবার চিকিৎসা বিজয়া সা’র্জারি স্কিমে বিনামূল্যের হবে। অন্যদিকে এইসব দেখে নন্দিনী তো বেজায় ক্ষে’পে যায়।

আনন্দী আজকের পর্ব 4 অক্টোবর (Anondi Today Episode 4 October)
ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখানো হবে আনন্দী তার বাবাকে নার্সিংহোমে ভর্তি করে পরের দিন সকালে তার কাজের জন্য বেরোচ্ছে। তখনই নন্দিনীর মুখোমুখি হয় আনন্দী। নন্দিনী তাকে বলে তাহলে এই কারণেই সে লাহিড়ী বাড়িতে কাজের জন্য ঢুকেছিল। নন্দিনীর করা এই অপমানের যোগ্য জবাব দিয়ে সেখান থেকে চলে আসে আনন্দী। এদিকে লাহিড়ী বাড়িতে আনন্দী এখনো ঠাম্মার ইন’জেকশন দিতে আসছে না বলে বিজয়া এবং ঠাম্মি দুজনেই খুব চিন্তা করতে থাকে আনন্দীর জন্য। এরপর আদিদেব এসে জানায় আনন্দী আজ থেকে আর আসবেনা। এ কথা শুনে তো চিন্তায় পড়ে যায় ঠাম্মি। আদিদেব জানায় আনন্দীর বাবা তাদেরই নার্সিংহোমে ভর্তি রয়েছে। এই কথা শুনে বিজয়া এবং ঠাম্মি খুব চিন্তা করতে থাকে।
এরপর আদিদেব ঠাম্মিকে ইনজেকশন দেওয়ার জন্য জোরাজুরি করতে থাকে। কিন্তু ঠাম্মি মানতে চায় না তখনই ঘরে আসে আনন্দী। আনন্দীকে দেখে তো সকলেই অবাক, বিশেষ করে আদিদেব ভাবতে থাকে কি করে এত এনার্জি আসে আনন্দীর মধ্যে। মনে মনে আনন্দীর প্রশংসা করতে থাকে সে। ওইদিকে নন্দিনী ভাবতে থাকে কি করে সকলের সামনে আদিদেব, বিজয়ার এই স্কিমের বদনাম করা যায়। সে নতুন করে প্ল্যান সাজাতে থাকে, আর তাকে আরও উ’স্কে দেয় বিজয়ার জামাই।
আরও পড়ুনঃ ছোটবেলায় হারিয়েছেন বাবা-মাকে, খাবার যোগাতে দুয়ারে দুয়ারে ফেরি করেছেন লিপস্টিক! প্রতিভাবান হওয়া সত্বেও মেলেনি সম্মান!
কিছুক্ষণ পরেই নার্সিংহোমে পৌঁছায় আদিদেব, আনন্দী আর বিজয়া। সেখানে গিয়ে বিজয়া আদিদেবকে জানায় সে আনন্দীর এই বিপদের দিনে তার পাশে দাঁড়াবে, আনন্দীর বাবাকে নিজে দেখতে যাবে। বিজয়ার মুখে এই কথা শুনে আনন্দীর চোখে জল চলে আসে। এরপর আদিদেব বিজয়াকে নিয়ে চলে গেলে সেখানে এসে উপস্থিত হয় রকেট গুণ্ডা এবং আনন্দীর দাদা। তারা এসে আনন্দীকে নানারকম প্রশ্ন করতে থাকে। আনন্দীর দাদা খরচ নিয়ে কথা শোনাতে থাকে। তখন আনন্দী তাদের স্পষ্ট করে জানিয়ে দেয় বাবার চিকিৎসা একেবারে বিনামূল্যে হচ্ছে, আর চিকিৎসা করছে আদিদেব। এই কথা শোনার পর সেখান থেকে রাগে গজগজ করতে করতে চলে যায় তারা। এরপর আনন্দী তার বাবার কেবিনে যায় সেখানে বিজয়ার সাথে পরিচয় করিয়ে দেয়, আর বলে তার চিকিৎসার কোনো খরচ লাগবে না। বিনামূল্যের হবে। এবারে দেখার অপেক্ষা আনন্দীর বাবার এই চিকিৎসায় নন্দিনী কোন বিপদ নিয়ে আসে আনন্দীর জীবনে।

