দেবাদৃতা থেকে নীলু হয়ে হয়ে ওঠা সহজ ছিল না! জেনে নিন অভিনেত্রীর জীবন সংগ্রাম

টেলিভিশন জগতের জনপ্রিয় একজন অভিনেত্রী হলেন দেবাদৃতা বসু (Debadrita Basu)। দীর্ঘ বেশ কয়েক বছর ধরে অভিনয় জগতের সঙ্গে সংযুক্ত রয়েছেন অভিনেত্রী। জি বাংলা, স্টার জলসা, সান বাংলার মতন চ্যানেলে একাধিক ধারাবাহিকে অভিনয় করেছেন তিনি। জয়ী ধারাবাহিকের হাত ধরে অভিনয়ের জগতে আত্মপ্রকাশ করতে দেখা যায় তাকে। প্রথম ধারাবাহিকের মাধ্যমেই সকলের মন জয় করে নিয়েছিলেন দেবাদৃতা (Debadrita Basu)।
এরপর একের পর এক আলো ছায়া, শ্রী কৃষ্ণ, আলোর ঠিকানাতে অভিনয় করেছেন। বর্তমানে অভিনয় করছেন জি বাংলার মিঠিঝোরা ধারাবাহিকে। এই ধারাবাহিকে অভিনেত্রীকে একেবারে অন্য একটি চরিত্রে অভিনয় করতে দেখা যাচ্ছে। অভিনেত্রীকে এর আগে প্রত্যেকটি চরিত্রে পজিটিভ ভাবেই দেখানো হয়েছে। তবে এই প্রথম নেগেটিভ চরিত্রে দেখা যাচ্ছে অভিনেত্রীকে।
দেবাদৃতার জীবন সংগ্রাম
তবে অভিনেত্রীর এই দেবাদৃতা থেকে নীলু হয়ে ওঠার জার্নিটা কিন্তু ছিল বেশ কঠি’ন। অভিনয় জগতে আসার পরেই স্ট্রাগল করতে হয়েছে তাকে। বাবা-মার সাপোর্ট ছিল সাথে, তবে এই বর্তমানে দাঁড়িয়ে এই প্রতিযোগিতার মধ্যে নিজের জায়গা শক্ত করে তৈরি করে তাই ছিল চ্যালে’ঞ্জের। অভিনেত্রী জানিয়েছেন তিনি ছোট থেকেই অভিনয় করতে চাইতেন, পড়াশোনা করতে খুব একটা ভালো লাগতো না। ছোট থেকে বিভিন্ন থিয়েটার দলের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। সেখানে অভিনয় শিখেছেন। তবে বরাবরই চাইতেন টেলিভিশন বা সিনেমায় অভিনয় করতে। সেখান থেকেই বাবার সাথে সাথে বিভিন্ন স্টুডিও পাড়ায় গিয়েছেন অডিশনের জন্য। বহুবার রিজেক্ট হয়েছেন, কিন্তু চেষ্টা করে গেছেন।
অভিনেত্রীর প্রথম ধারাবাহিক ছিল জয়ী। জি বাংলায় এই ধারাবাহিককে অভিনয় করে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়েছিলেন দেবাদৃতা। তবে দেবাদৃতার কাছে যখন জয়ী ধারাবাহিকের অফার এসেছিল তার এক বছর পরই ছিল তার উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা। এটা ছিল তার কাছে অনেক বড় স্ট্রাগল। এছাড়া অভিনেত্রীকে অনেকে প্রশ্ন করে কিভাবে অভিনয় জগতে আসা যায় কিভাবে হিরোইন হওয়া যায়। অভিনেত্রী তাদের উদ্দেশ্যে একটাই কথা বলতে চান পরিবারের সাপোর্ট থাকতে হবে, আর নিজের ইচ্ছে থাকতে হবে। আসলে অনেকের পরিবারেই অভিনয় জগতের সঙ্গে ছেলেমেয়েরা যুক্ত হোক সেইটা চান না। অনেকের বাবা মায়েরা সাপোর্ট করেন না। কারণ অনেকেরই ধারণা এই লাইনের মেয়েরা এরকম হয়, এই লাইনের ছেলেরা এরকম হয়। তবে সব লাইনেই নানান ধরনের সুবিধা অসুবিধা রয়েছে।
আরও পড়ুনঃ এখন থেকেই রাঙামতির পাশে আক্কি! বৃন্দার মুখে ঝা’মা ঘষে দিল সে!
এছাড়াও দেবাদৃতা জানিছেন আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে সব সময় প্র্যাকটিস করতেন, মায়ের ওড়না শাড়ি হিসেবে পড়ে একা একাই নিজের মতো করে অভিনয় করতেন। এগুলো সবই অনুশীলনের উপর নির্ভর করে। যতবেশি অনুশীলন করা যাবে তত বেশি ভবিষ্যতে কাজে আসবে। তবে অভিনয় জগতে আসার পর অভিনেত্রী বুঝতে পারেন আসল স্ট্রাগল কাকে বলে।

