এই প্রথম কোন স্বার্থ ছাড়া পর্ণার পাশে কৃষ্ণা! টানটান উত্তেজনাময় আজকের পর্ব

এই মুহুর্তে রমরমিয়ে চলছে জি বাংলার (Zee Bangla) নিম ফুলের মধু (Neem Phuler modhu) ধারাবাহিক। ধারাবাহিকের একান্নবর্তী পরিবারের গল্প প্রত্যেকেরই মন জয় করে নিয়েছে প্রথম দিন থেকেই। এছাড়াও ধারাবাহিকের নায়ক নায়িকার জুটিও দর্শকদের মাঝে ব্যাপক জনপ্রিয়। তাইতো প্রতি সপ্তাহতেই ধারাবাহিক টিআরপি তালিকায় খুবই ভালো ফলাফল করে।
ধারাবাহিক গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে ইশা চক্রান্ত করে পর্ণাকে মেরে ফেলার জন্য তার পুরনো সমস্ত কথা মনে করিয়ে দিতে থাকে। জোর করে পর্ণাকে তার অতীতের সমস্ত কথা মনে করানোর চেষ্টা করে। ইশাকে সঙ্গ দেয় অয়ন মৌমিতা। এরপরে সৃজন জানতে পেরে যায় যে পর্ণা নিজের অতীত খুঁজতে বাড়ি থেকে বেরিয়েছে। কিন্তু বুঝতে পারেনা যে পর্ণা কোথায় যেতে পারে। এরপর বাধ্য হয়ে থানায় গিয়ে মিসিং ডায়েরি করে আসে। অন্যদিকে পর্ণার ব্রেইন স্ট্রো’ক হয়ে যায়। এরপর ইশা লোক দিয়ে পর্ণাকে বস্তায় ভরে একটি জঙ্গল এলাকায় ফেলে দিয়ে আসে। এরপর পর্ণাকে খুঁজতে খুঁজতে সৃজন পুলিশকে নিয়ে সেই স্পটে চলে আছে।

নিম ফুলের মধু আজকের পর্ব ২রা অক্টোবর (Neem Phuler Modhu Today episode 2nd October)
ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখানো হবে পর্ণাকে বস্তা থেকে বের সঙ্গে সঙ্গে হাসপাতালে নিয়ে যায় সৃজন। পর্ণাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার সাথে সাথে ডাক্তার পর্ণাকে দেখে তাকে সঙ্গে সঙ্গে ভিতরে নিয়ে যায়। এরপর দত্ত বাড়ির সকলেই হাসপাতালে এসে উপস্থিত হয়। এরপর ডাক্তার পর্ণাকে দেখে সবাইকে জানায় পর্ণার অবস্থা ভালো নয়, যেকোনো সময় যা কিছু হয়ে যেতে পারে। ডাক্তারের কথায় খুব ভয় পেয়ে যায় সৃজন আর বাড়ির সবাই। সৃজন কান্নায় ভেঙে পরে। ডাক্তার বলে এভাবে চলতে থাকলে পর্ণা কোমায় চলে যেতে পারে।
এরপর দেখা বাড়ির সবাই মিলে পর্ণার জন্য চিন্তা করতে থাকে। এদিকে ওই মহিলা পুলিশ অফিসার এবং সুরভী মিলে আলোচনা করতে থাকে নিশ্চয়ই পর্ণাকে কেউ জোর করে মনে করানোর চেষ্টা করেছে, আর তার উদ্দেশ্যই ছিল পর্ণার ক্ষতি করা। সৃজন ভাবতে থাকে কে পর্ণার এই ক্ষতি করলো সেটা সৃজন ঠিক খুঁজে বের করবে। এদিকে অয়ন মৌমিতা নিজেদের মধ্যে আলোচনা করতে থাকে তখনই সৃজনের সন্দেহ হয়। সৃজন গিয়ে অয়ন মৌমিতাকে জিজ্ঞাসা করে তারা এই বিষয়ে কিছু জানে কিনা কারণ পর্ণার উপর তাদের রাগ ছিল। এসবের মধ্যে আবার কৃষ্ণা অর্থাৎ সৃজনের মায়ের সন্দেহ হয় ইশার উপরে।
আরও পড়ুনঃ সেই ভ’য়ংকর অতীতকে আর ফিরতে দেবে না রাঙামতি! তার একমাত্র ভরসা টিচার দিদিমণি!
এদিকে জেঠু বলতে থাকে আগের বার যেমন সবাই মিলে পর্ণাকে মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরিয়ে নিয়ে এসেছিল এবারেও সবাই মিলেই চেষ্টা করবে। তাই সবাই মিলে পর্ণার কেবিনে যায় তাকে মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করে। কিন্তু সবাই মিলে কেবিনে গিয়ে পর্ণার সামনে কথা বলার পরই পর্ণার অবস্থা আরও খারাপ হতে থাকে। ডাক্তার সবাইকে কেবিন থেকে বের করে দেয়। এর কিছুক্ষণ পর ডাক্তার এসে সবাইকে জানায় পর্ণা ধীরে ধীরে কোমায় চলে যাচ্ছে। এরকম হলে পর্ণা সারাজীবন বিছানায় পাথর হয়ে থেকে যাবে, সারা শব্দ করবে না, শুধু তার হার্টবিট চলবে মেসিনের সাহায্যে।

