নিজের মাকে নতুন করে চিনল আদিদেব! আনন্দীর ছোঁয়ায় বদলে গেল অদিদেবের মা!

ধারাবাহিক জগতে শেষ কয়েকদিনে বেশ কিছু নতুন ধারাবাহিক শুরু হয়েছে. তার মধ্যে অন্যতম হলো জি বাংলার (Zee Bangla) নতুন ধারাবাহিক ‘আনন্দী’ (Anondi)। ধারাবাহিকে আনন্দী আদিদেবের জুটি দর্শক মহলে সকলের মন জয় করে নিচ্ছে ধীরে ধীরে। অপেক্ষা শুধু ধারাবাহিক কেমন ফলাফল করছে সেটা দেখার। আগামী সপ্তাহে টিআরপি রেটিং তালিকায় আনন্দী স্লট পাই কিনা সেটাই দেখার অপেক্ষা। নতুন ধারাবাহিকের হাত ধরে অন্বেষা ঋত্বিকের জুটি আবার ফিরে এসেছে এতে বেশ খুশি হয়েছেন দর্শক।

ধারাবাহিকের গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে আদিদেবের সমস্ত শর্ত মেনে নন্দিনী মেডিনেসের ম্যানেজিং ডিরেক্টর পদে জায়গা দিয়েছে আদিদেবের মা বিজয়াকে এছাড়াও আদিদেবের অন্যান্য সমস্ত শর্ত মেনে নিয়েছেন তিনি। তবে নন্দিনীর এই সিদ্ধান্তে একেবারে খুশি হননি অনিরুদ্ধ অর্থাৎ আদিদেবের বাবা। তবে নন্দিনী মনে মনে ঠিক করে নেয় বিজয়ার উপর তিনি সুদে আসলে সমস্ত প্রতিশোধ নেবেন। বিজয়াকে পদে পদে নার্সিংহোমে অপমানিত করবে। তারপর দেখা যায় নন্দিনীর কথায় চৈতি অর্থাৎ বিজয়ার জা তাকে নার্সিংহোমে যাওয়ার আগে সাজাতে নিয়ে যায়। আসলে পুরোটাই প্ল্যান যাতে বিজয়া নার্সিংহোমে যেতে না পারে।

আনন্দী আজকের পর্ব ১লা অক্টোবর (Anondi Today Episode 1st October)

Anondi, Zee Bangla, Bengali Serial, Bengali Telivision, আনন্দী, জি বাংলা, বাংলা সিরিয়াল, বাংলা টেলিভিশন, Anondi Today Episode 30 September, আনন্দী আজকের পর্ব ৩০ সেপ্টেম্বর, আনন্দী আজকের পর্ব

ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখানো হবে আদিদেব এবং অনিরুদ্ধ তার মায়ের আসার অপেক্ষা করতে থাকে। ঠিক তখনই সিঁড়ি থেকে নেমে আসে বিজয়া। তাকে বিয়ের বেনারসি, সোনার গয়না এবং ভারী মেকআপে দেখা যায়। এই দেখে তো প্রত্যেকেই অবাক হয়ে যায়। আসলে ইচ্ছে করেই চৈতি নন্দিনীর কথায় বিজয়াকে এই ধরনের সাজে সাজিয়ে দিয়েছে যাতে সে নার্সিংহোমে যেতে না পারে। বিজয়াকে এভাবে দেখে তো আদিদেবের বাবা ভীষণ রেগে যায়। তিনি সকলের সামনে আবারো বিজয়াকে অশিক্ষিত বলে অপমান করেন। এদিকে বিজয়া যে এই ধরনের সাজে সেজে আসবে আদিদেব বুঝতে পারেনি, তাই জন্য মায়ের হয়ে বাবার সামনে সে মুখ খুলতে পারেনি। এরপরে অনিরুদ্ধ আদিদেব এবং বিজয়া দুজনকেই রেখে চলে যায় নার্সিংহোম এর উদ্দেশ্যে। ওদিকে চৈতি ফোনে ভিডিও করে নন্দিনীকে পাঠিয়ে দেয়। আদিদেব তার মাকে প্রশ্ন করে তার মা কেন এরকম ভাবে সেজে এসেছে। আদিদেবের মা প্রথমে বলে সবাই তাকে সুন্দর করে তৈরি হতে বলেছে তাই। এরপরে চৈতির ছেলের বউ নিজেই জানিয়ে দেয় যে চৈতি নিয়ে গিয়েছিল বিজয়াকে সাজাতে। তখনই আদিদেব ডাকে তার কাকিমণিকে।

নিচে এসে কাকিমনি তো নিজের দোষ ঢাকতে ব্যস্ত। সে বলে ভালো করতে গিয়েও সেই অপমানিত হচ্ছে সে এই দোষের ভাগীদার হবে না কিছুতেই। এরপরে পরিস্থিতি হাতের বাইরে বেরিয়ে যাচ্ছে দেখে আনন্দী আদিদেবের থেকে পাঁচ মিনিট সময় চেয়ে নেয়। প্রথমে তো আদিদেব বুঝতেই পারেনা সে এই ৫ মিনিটে কি করবে। এর পরে আনন্দী বিজয়াকে নিয়ে চলে যায় উপরের ঘরে। এদিকে ঠাম্মি আদিদেবকে আনন্দীর উপরে ভরসা রাখতে বলে তারপর সেও চলে যায় নিজের বৌমার কাছে। এরপরে দেখা যায় আনন্দী বিজয়াকে সুন্দর করে সাজিয়ে নার্সিংহোমে যাওয়ার জন্য এক্কেবারে তৈরি করে নিচে নিয়ে আসে। আদিদেব নিজের মাকে দেখে তো অবাক হয়ে যায় মায়ের থেকে চোখে ফেরাতে পারে না সে। এদিকে প্ল্যান ভেস্তে যাবার খবরও চৈতি পৌঁছে দেয় নন্দিনীর কানে।

এরপরে আদিদেব নিজের মাকে নিয়ে নার্সিংহোমের উদ্দেশ্যে বেরিয়ে যায়। অন্যদিকে আনন্দী ঠাম্মির সেবা-শুশ্রূষা করতে শুরু করে। কিন্তু নিজের বড় বৌমার জন্য চিন্তা করতে থাকে। কারণ বিজয়া ভীষণই নরম, শান্ত স্বভাবের মেয়ে। তার সাথে কেউ জোরে কথা বললেই সে ভয়ে আরষ্ঠ হয়ে যায়। সেখানে নার্সিংহোমের মত এত বড় একটা দায়িত্ব সামলানো সত্যি মুখের কথা নয়। আনন্দী তখন ভরসা দিয়ে বলে যে প্রথম প্রথম সবার এরকম ভয় করে, কিন্তু আসতে আসতে আস্তে সময়ের সাথে সাথে সব ঠিক হয়ে যায়। কিন্তু তাও ঠাম্মির মন মানতে চায়না। তাই আনন্দীকে বলে যদি আনন্দী বিজয়াকে খাবার দেওয়ার নামে নার্সিংহোমে গিয়ে একবার দেখে আসে তাহলে সে মনে মনে শান্তি পায়। প্রথমে আনন্দী একটু দোলাচলে থাকলেও পরে ঠাম্মির কথায় ঠিক রাজি হয়ে যায়। এর পরে খাবার নিয়ে সোজা চলে যায় মেডিনেস নার্সিংহোমে।

আরও পড়ুনঃ লোভে চকচক করছে ছেলেমেয়েদের চোখ! টিচার দিদিমণির একমাত্র ভরসা রাঙামতী

সেখানে গিয়ে তো আনন্দী দুচোখ ভরে নার্সিংহোমের চারিদিক দেখতে থাকে। কত নার্স, কত ডাক্তার। নার্সদেরও সেই নার্সিংহোমে কত সম্মান। এরপরে এমডির ঘর খুঁজে যেই আনন্দী সেখানে যেতে যাবে অমনি দেখে সামনে আদিদেব। আর আদিদেব যদি তাকে এখানে দেখে নেয় তাহলে তো আবার বকাবকি শুরু করবে। তাই আনন্দী আদিদেবের চোখ এড়িয়ে লুকিয়ে পড়ে নার্সদের রুমে। কিন্তু আদিদেবের মনে হয় হঠাৎ যেন সে আনন্দীকে দেখতে পেল। তাই পেছন করতে করতে সেখানে পৌঁছে যায়। এরপরে হঠাৎই আদিদেবের কলেজের বান্ধবী এসে তাকে শুভেচ্ছা জানায়। সেটা লুকিয়ে লুকিয়ে দেখতে থাকে আনন্দী। এবারে দেখার অপেক্ষা আনন্দী কি বিজয়ার চেম্বারে তার খাবারটা পৌছে দিতে পারে কিনা।

Back to top button