অবশেষে ভালোবাসার কথা স্বীকার করল স্রোত! সার্থককে জড়িয়ে ধরে মনের কথা বলল সে!

বহুদিন ধরে অনেক কথা মনে চেপে রেখে দিয়েছিল স্রোত আর সার্থক। তারা কেউ কারোর কাছে খোলাখুলি ভাবে নিজেদের মনের কথাগুলো বলতে পারছিল না। আসলে তারা নিজেরাই বুঝতে পারেনি তাদের মনে ঠিক কি চলছে। এই মুহূর্তে জি বাংলার (Zee Bangla) মিঠিঝোরা (MithiJhora) ধারাবাহিকের নায়িকা রাইয়ের বোন স্রোত এবং সার্থকের গল্প একেবারে জমে ক্ষীর।
ধারাবাহিকের বর্তমান প্লট অনুযায়ী, বৃষ্টিতে রাস্তায় স্রোতকে একা দাঁড়িয়ে থাকতে দেখে সার্থক তাকে বাড়ি পৌঁছে দেয়। গাড়িতে বসে তাদের মধ্যে আরও কিছুক্ষণ ঝামেলা হয়। সার্থক নিজের কথাবার্তা দ্বারা বুঝিয়ে দেয় সে স্রোতের বিয়েটা মেনে নিতে পারছে না। এদিকে স্রোত রেগে গিয়ে তার আঙ্কেলকে কথা দিয়ে বসে যে সে আঙ্কেলের পরিচিত ছেলেটির সাথে আলাপ করতে আসবে। সব মিলিয়ে ক’ঠিন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।
মিঠিঝোরা আজকের পর্ব ৩০ সেপ্টেম্বর (MithiJhora Today Episode, MithiJhora Today Episode 30 September)

ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, বৃষ্টির মধ্যে ভিজে বাড়ি ফিরে স্রোত তার দিদিকে বলে সে কোনভাবেই আগামীকাল সেজেগুজে ছেলে দেখতে যেতে পারবে না। তার পক্ষে অন্য কাউকে বিয়ে করা কোনভাবেই সম্ভব নয়। এই কথাটা শুনে রাই বলে, অন্য কাউকে বিয়ে করা সম্ভব নয় মানে কি বোঝাতে চাইছে স্রোত? তাহলে কি তার মনে অন্য কেউ আগের থেকেই রয়েছে? স্রোত তার দিদিভাইকে বলে, সে যেন নিজে নিজে সবটা বুঝে নেয়। কারণ স্রোত আর কোন কিছু গুছিয়ে বলতে পারছে না। রাই সবই বুঝতে পারে কিন্তু স্রোতের মুখ থেকে শোনার জন্য অপেক্ষা করতে থাকে।
নিজের মনের কথা বলে দিল স্রোত
এদিকে সার্থক নিজের জামা কাপড় গোছাতে থাকে। সে মনে মনে বলে, স্রোত কি করে অন্য কাউকে বিয়ে করতে পারে! কথাগুলো বলার পর নিজেই ভাবতে থাকে হঠাৎ তার মধ্যে এমন ঝড় কেন উঠল? স্রোত বিয়ে করছে সেটা স্রোতের ব্যাপার। এই ঘটনায় তার কেন এত রাগ হচ্ছে। সে কেন মেনে নিতে পারছে না? প্রশ্নগুলোর কোন উত্তর সে খুঁজে বের করতে পারেনা। কারণ উত্তরটা তার জানা থাকলেও সেটা সে মানতে পারছে না। ঠিক তখনই তার ঘরে চলে আসে স্রোত।
আরও পড়ুনঃ রাঙামতীর নিশানায় জংলি হাতি! প্রথম পর্বেই বাজিমাত রাঙামতী তীরন্দাজ
স্রোত সার্থকের ঘরে এসে তার কলার ধরে বলে, “আপনি বুঝতে পারেন না কেন আমার বিয়ের কথা হলে আপনার রাগ হয়? কারণ আপনি আমাকে ভালবাসেন।” কথাগুলো শুনে নিজেই খানিকক্ষণ অবাক হয়ে যায় সার্থক। তারপর সে বুঝতে পারে, এই সব কিছু তার ভাবনার মধ্যেই চলছে। অর্থাৎ সত্যি করে তার ঘরে স্রোত কখনোই আসেনি। এসেছে তার ভাবনায়। আর তার ভাবনাই তাকে জানান দিচ্ছে সে স্রোতকে ভালোবাসে। পরের দিন সবাই তৈরি হয়ে যায় আঙ্কেলের বাড়ি যাওয়ার জন্য। কিন্তু স্রোত কিছুতেই যেতে চায় না।

