এক এক করে কমলিনীর সব সত্যি ফাঁস করবে মধুবণী! তদন্তে মায়ের ছোট্ট পার্টনার মিহি

জি বাংলার (Zee Bangla) ধারাবাহিক গুলির মধ্যে অন্যতম একটি হল ‘কে প্রথম কাছে এসেছি’ (Ke prothom kache esechi)। ধারাবাহিকের জনপ্রিয়তা কম থাকার কারণে এবং টিআরপি রেটিং কম থাকার কারণে খুব শীঘ্রই ধারাবাহিকটি শেষ হতে চলেছেন। তাই ধারাবাহিকের গল্প খুব তাড়াতাড়ি এগোচ্ছে। ধারাবাহিককে প্রথমবার জুটি বেধে ছিল অভিনেত্রী মোহনা মাইতি (Mohana Maiti) এবং অভিনেতা সায়ন বসু (Sayan Bose)। ধারাবাহিকটি শুরু হয়েছে মাত্র কয়েক মাস হয়েছে। এরই মধ্যে ধারাবাহিক বন্ধ করে দেওয়ার মূল কারণ টিআরপি রেটিং।
ধারাবাহিকের গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে মিহির থেকে মধুবণীকে দূরে নিয়ে গিয়ে রাঙা কাকা এবং রাঙা কাকিমা বুঝতে পারে তারা কত বড় ভুল করেছে। মধুবণীকে ছাড়া এক মুহূর্ত থাকতে পারবে না মিহি। সেটা বুঝতে পেরেই তারা মধুবণীর কাছে মিহিকে ফিরিয়ে দেয়। মেয়েকে কাছে পেয়ে তো মধুবণী জড়িয়ে ধরে কাঁদতে থাকে। অন্যদিকে ড্রাইভার অজিতের বেঁচে থাকার খবর শুনে ছুটে যায় কমলিনী তাকে নিজের হাতে শেষ করতে।

কে প্রথম কাছে এসেছি আজকের পর্ব ২১ সেপ্টেম্বর (Ke Prothom Kache Esechi Today’s episode 21 September)
ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখানো হবে অজিতকে বালিশ চাপা দিয়ে খুন করতে যাবার সময় মধুবণীর হাতে ধরা পড়ে যায় কমলিনী। মধুবণী কমলিনীকে বলে সেই সব সত্যি পুলিশকে জানিয়ে দেবে। তিনি যে বিষ দিয়ে অজিতকে জেলে মারার চেষ্টা করেছে সেই যে ফ্যাক্টরিতে আগুন লাগিয়ে ছোট কাকিকে ফাঁসিয়েছে এমনকি তিনি যে গুন্ডা লাগিয়ে মিহিকে কিডন্যাপ করিয়েছে সবকিছু জেনে গিয়েছে মধুবণী। নিজের বিপদ বুঝতে পেরে কমলিনী মধুবণীকে আঘাত করে পালিয়ে যায়। পালিয়ে গিয়ে ওঠে নিজের প্রেমিক দীপকের কাছে। দীপকের বাড়িতে গিয়ে সমস্ত সত্যিটা জানায় কমলিনী। জানায় কিভাবে সে ফেসে গিয়েছে মধুবণী সবটা জেনে গিয়েছে তার সম্বন্ধে। তাই দীপকের কাছে এসে লুকিয়ে থাকার আশ্রয় চায়।
কিন্তু দীপক তাকে আশ্রয় দিতে ভয় পায়। দীপক জানায় দীপক এখানে তাকে আশ্রয় দিতে পারবে না, পুলিশ তাকে বাইরে খুঁজছে যদি একবার পুলিশ এখানে চলে আসে তাহলে তারই বড় বিপদ। এরপরে কমলিনী ইমোশনাল ভাবে ব্ল্যাকমেইল করতে শুরু করে দীপককে। কমলিনী বলে সে এত বছর দীপকের সঙ্গী ছিল। সমস্ত বিপদে আপদে তারা পাশে ছিল একে অপরের। এখন এইটুকু সাহায্যে সে দীপকের থেকে আশা করতে পারেনা। এরপর একে একে করে দীপকের সামনে নিজের সমস্ত কুকীর্তির কথা বলতে থাকে কমলিনী। জানায় কিভাবে সে টাকার জন্য বড়লোক বাড়ির বউ হয়েছে। শশাঙ্ককে ফাঁসিয়ে সেনগুপ্ত বাড়িতে ঢুকেছে। প্লে ল্যান্ডের সমস্ত টাকা নিজের নামে করে নিয়েছে। আর এই সমস্ত যখন ঋকের বাবা মা জেনে গিয়েছিল তখন তাদের কিভাবে পৃথিবী থেকে নিজের হাতে সরিয়ে দিয়েছে। এই কাজেও দীপক তার সঙ্গী ছিল।
এরপর দেখা যায় মধুবণী বাড়িতে এসে ঋক এবং বাড়ির লোকজনদের কমলিনীর আসল সত্যিটা জানিয়ে দেয়। ঋক প্রথমে বিশ্বাস করতে চায় না, সে মানতেই পারে না তার মণিমা এই ধরনের কাজ করতে পারে। বাড়ির সকলেই কমলিনীর এই কুকীর্তির কথা শুনে অবাক হয়ে যায়। এরপর ঋক কমলিনীকে ফোন করতে গেলে তাকে ফোনে পায় না। মধুবণী জানায় কমলিনী ফেরার হয়ে গেছে। অন্যদিকে কমলিনী ফোন করে ঋকদেবের কাকা কে। তাকে ফোন করে ২ লক্ষ টাকা দিয়ে যাওয়ার কথা বলে। আর না দিয়ে গেলে তার সত্যি ফাঁস করে দেবে বলে হুমকি দেয়।
আরও পড়ুনঃ নিজের স্বার্থে, বোনের স্বার্থে বারবার একটা শৌর্যর জীবন নষ্ট করছে রাই! ক্ষোভ দর্শকদের
কমলিনীর দেওয়া ঠিকানায় পরেরদিন ঋকদেবের কাকা ২ লক্ষ টাকা নিয়ে পৌঁছে যায়। ঋকের কাকার ফোন যখন কমলিনীর ফোন আসে তখনই সন্দেহ হয়ে মধুবণীর। সে ঠিক করে নেয় তাকে ফলো করতে হবে সে কোথায় যায়, পরের দিন কমলিনীর দেওয়া ঠিকানায় ঋকের কাকা টাকা নিয়ে পৌঁছে যায়। আর কমলিনী তাকে জানায় এরপর থেকে মাঝেমধ্যেই তার টাকার দরকার হলে দিয়ে যেতে। কিন্তু ঋকের কাকা বলে সে এত টাকা কোথায় পাবে সবসময়। এরপর কমলিনী তাকে আবারো ব্ল্যাকমেইল করে চুপ করিয়ে দেয়। এবারে দেখার অপেক্ষা মধুবণী কি পুলিশের হাতে ধরিয়ে দিতে পারবে কমলিনীকে?

