মিহিকে নিয়ে আমেরিকা পারি দিল তার বাবা মা! মিহিকে হারিয়ে একি করল মধুবণী!

বর্তমানে জি বাংলার (Zee Bangla) পর্দায় যে সমস্ত ধারাবাহিকগুলি সম্প্রচারিত হচ্ছে তার মধ্যে অন্যতম একটি হল ‘কে প্রথম কাছে এসেছি’ (Ke prothom kache esechi)। ধারাবাহিকটি খুব বেশিদিন হয়নি টেলিভিশনের পর্দায় শুরু হয়েছে। তবে ধারাবাহিকে কম জনপ্রিয়তা এবং কম টিআরপি রেটিং এর কারণে খুব অল্প সময়ের মধ্যেই বন্ধ হয়ে যাচ্ছে ধারাবাহিকটি। এই খবর আগেই জানা গিয়েছে। ধারাবাহিকের দুই কেন্দ্রীয় চরিত্র ঋকদেব এবং মধুবণী চরিত্রে অভিনয় করতে দেখা গিয়েছে অভিনেতা সায়ক বোস (Sayan Bose) এবং অভিনেত্রী মোহনা মাইতিকে (Mohana Maiti)।
বর্তমানে ধারাবাহিকের পর্বগুলিকে দেখানো হচ্ছে মধুবণী মিহিকে হারানোর ভয়ে ঋকদেবকে সব কথা জানায়। এরপর ঋকদেব মধুবণীকে জানায় মিহিকে এখান থেকে নিয়ে তারা অনেক দূরে চলে যাবে। দুজন মিলেই মিহির কথা ভেবে এই সিদ্ধান্ত নেয়। তবে তাদের পথে বাঁধা হয়ে দাঁড়ায় রাঙা কাকা এবং রাঙা কাকিমা। রাঙা কাকা ঋকদেবের ঠাম্মিকে মধুবণীর অতীত সম্পর্কে সবটা জানিয়ে দেয়।

কে প্রথম কাছে এসেছি আজকের পর্ব ১৯ সেপ্টেম্বর (Ke Prothom Kache Esechi Today’s episode 19 September)
আজকে ধারাবাহিকের পর্বে দেখানো হবে রাঙা কাকা এবং কাকিমা মিহির উপর আইনি জোর খাটায়। কিন্তু মধুবণী কিছুতেই মেয়েকে নিজের কাছ থেকে দূরে যেতে দিতে চায় না। মধুবণী তাদের জানিয়ে দেয় মিহিকে তারা কিছুতেই মধুবণীর থেকে আলাদা করতে পারবে না, দরকার হলে মধুবণী আইনের সাহায্য নেবে। আইনের সাথে লড়াই করবে একাই। তখন বাড়ির প্রত্যেকেই বলে তারা সবাই মধুবণীর পাশে আছে। এরপর ঋকদেব উকিল ডাকে তাদের পক্ষ হয়ে কথা বলার জন্য। উকিল এসে সমস্তটা শোনার পর জানায় মিহির আসল বাবা-মা যদি আইনের সাহায্যে নিয়ে তাকে নিয়ে যেতে চায় তাহলে তাদের পথে কেউ বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারবেনা। সে ক্ষেত্রে আইনি তাদের হয়েই কথা বলবে। কিন্তু মধুবণী এসব কিছুই মানতে রাজি হয় না। এ সমস্ত শুনে মধুবণী জ্ঞান হারিয়ে ফেলে। এর পরে সকলে মধুবণীকে নিয়ে ব্যস্ত হয়ে ওঠে।
অন্যদিকে সেই সুযোগে মিহির কাছে গিয়ে নিজেকে তার আসল মা বলে দাবি করতে থাকে রাঙা কাকিমা। মিহি এই সমস্ত কথা শুনে ভীষণই ঘাবড়ে যায়। সে বারবার জিজ্ঞাসা করতে থাকে তার আসল মা কে তার আসল বাবা কে? কেন এতদিন রাঙা কাকিমারা তাকে নিতে আসেনি? এরপর রাঙা কাকিমাকে শিশু ভোলানো নানা রকম কথা বলতে শোনা যায়। তিনি মিহিকে বলতে থাকেন এরোপ্লেনে করে তাকে আমেরিকা নিয়ে যাবে। ওখানে অনেক খেলনা রয়েছে, বন্ধু-বান্ধব রয়েছে। এরপর মিহি জানিয়ে দেয় সে যদি যায় তাহলে তার সঙ্গে তার মাম্মা পাপাও যাবে। অর্থাৎ ঋকদেব এবং মধুবণীকেও সাথে নিয়ে যেতে চায় মিহি।
অন্যদিকে উকিল জানিয়ে দেয় যদি মধুবণী এবং ঋকদেব আইন ব্যবস্থা নেয় তাহলে কিন্তু কোর্টের প্রতিদিনই মিহিকে নিয়ে যেতে হবে। সেখানে বারবার মিহিকে নানান রকম কঠিন প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হবে। এই কথা শুনে আইনের সাহায্য নেওয়া থেকে পিছিয়ে আসে মধুবণী। কারণ সে জানায় মিহি চার বছরের ছোট বাচ্চা, তার উপরে সে ছোট থেকেই অসুস্থ। মাঝেমধ্যেই মিহির শ্বাসকষ্টের সমস্যা হয়। তাই যতই কষ্ট হোক মধুবণী মিহির থেকে দূরে থাকবে তাও ভালো কিন্তু মিহির মানসিক শান্তিকে নষ্ট করতে পারবে না একজন মা হয়ে।
আরও পড়ুনঃ রাইয়ের উত্তরণের মধ্য দিয়েই শুরু হবে ভালোবাসার নতুন অধ্যায়! প্রকাশ্যে মিঠিঝোরার নতুন প্রোমো
এরপরই দেখা যায় রাঙা কাকিমা সুটকেস গুছিয়ে মিহিকে নিয়ে বেরিয়ে আসে। মিহিকে নিয়ে তারা বাড়ি থেকে চলে যাচ্ছে দেখে বাড়ির বাকি সদস্যরা বাধা দেওয়ার চেষ্টা করে। কিন্তু রাঙা কাকা এবং রাঙা কাকিমা কিছুতেই রাজি হয় না। মিহিকে নিয়ে যাবার সময়কে তাকে জড়িয়ে ধরে কান্না করতে থাকে মধুবণী এরপর ঘরে দরজা বন্ধ করে হাউমাউ করে কাঁদতে শুরু করে। মধুবণীকে বারবার দরজা খোলার জন্য অনুরোধ করতে থাকে ঋকদেব। অন্যদিকে মাম্মাকে দেখতে না পেয়ে ছুটে আসে মিহি। এবার দেখার অপেক্ষায় শেষ পর্যন্ত কি মিহিকে মধুবণীর থেকে আলাদা করতে পারবে রাঙা কাকা এবং কাকিমা?

