সবার সামনে এক চ’ড়ে সুইটির গাল লাল করে দিল পর্ণা! এবার পালা অয়ন মৌমিতার

এই মুহূর্তে জি বাংলার (Zee Bangla) অন্যতম পুরোনো এবং চর্চিত ধারাবাহিক হল ‘নিম ফুলের মধু'(Neem Phuler Modhu)। শুরুর দিন থেকে আজ অবধি এই ধারাবাহিকের জনপ্রিয়তায় এতটুকু ভাটা পড়েনি। টিআরপি তালিকায় শুরুর সময় থেকেই একের পর এক বাজিমাত করে চলেছে এই ধারাবাহিক।
ধারাবাহিকে গত কয়েকদিনের পর্বে দেখানো হয়েছে কিভাবে সুইটির পর্দা ফাঁস করতে সৃজন পর্ণা প্ল্যান সাজিয়ে তাদের গ্রামে গিয়েছে। অন্যদিকে সুইটিকে সাহায্য করতে ইশা মৌমিতা এবং অয়নকে পাঠিয়েছে রঘুনাথপুর গ্রামে। কিন্তু সেখানে গিয়ে তারাই বিপদে পড়ে যায়। সুইটির গ্রামের মেয়েদের সাথে গ্রাম ঘুরতে যায় পর্ণা এবং রুচিরা। সেখানেই ঘটে বিপত্তি। বুড়িমার থানে মাথা ঠুকতে গিয়ে পরচুল খুলে যায় রুচিরার। অন্যদিকে ইশা চিৎকার করে সুইটিকে বলে দেয় ছদ্মবেশে রয়েছে সৃজন চয়ন।

নিম ফুলের মধু আজকের পর্ব (Neem Phuler Modhu Today episode 17 September)
আজকের পর্বে দেখানো হবে চয়ন এবং সৃজন ধরা পড়ার পর পালাতে গেলে গ্রামের লোকজন তাদের ঘিরে ফেলে আর ঠিক সেই সময় পুলিশের দলবল নিয়ে সেখানে হাজির হয় পর্ণা ও রুচি। সেখানে এসে পর্ণা সুইটিকে বলে এবারে তার খেলা শেষ। আর কোথাও পালানোর রাস্তা নেই। এরপর পর্ণা সুইটিকে বলে কিভাবে তারা সুইটির বন্ধুদের হাত থেকে পালিয়ে এসেছে। কিভাবে পুলিশের সাহায্য নিয়ে তারা গোটা ব্যাপারটা সাজিয়েছে।
অন্যদিকে পুলিশ দেখে সেখান থেকে আড়ালে লুকিয়ে থাকা ইশা পালিয়ে যায়। আর লাইভ টিভিতে দেখানো হয় রঘুনাথপুর গ্রামের আসল চেহারা। তারপরে পুলিশ গ্রামের সকলকে ধরে নিয়ে যায়, সুইটি সেই সুযোগে পালাতে গেলে পর্ণা তাকে ধরে ফেলে। তারপর সুইটির গালে ঠাস ঠাস করে সপাটে চড় কষিয়ে দেয়। তারপর সুইটিকেও পুলিশ সেখান থেকে নিয়ে যায়। এরপর দেখা যায় পুলিশ গোয়াল ঘরে বেঁধে রাখা অয়ন, মৌমিতাকে উদ্ধার করে নিয়ে আসে। অয়ন, মৌমিতাকে দেখে পর্ণার সন্দেহ হয়। তারা এখন কি করছে জিজ্ঞাস করাতে এমন একটা মিথ্যে কথা বলে অয়ন যে পর্ণার সন্দেহ হতে আর বাকি থাকে না।
আরও পড়ুন: কাজের অভাবে হারিয়ে গেলেন একসময়ের জনপ্রিয় অভিনেত্রী!কীভাবে দিন কাটছে জ্যোতি বসুর পুত্রবধূর?
তারপর বাড়ি ফিরে সকলে খবরে জানতে পারে সুইটিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। পর্ণার কাজের জন্য বাড়ির প্রত্যেকে মিলে তাকে অভিনন্দন জানায়। এই ঘটনায় যে বাবুর মা একেবারেই খুশি না সেটা বোঝাই যায়। অন্যদিকে চয়নের নাম একটা চিঠি আসে বাড়িতে, সেটা এনে চয়নের হাতে দেয় তার মা। এরপর চয়ন চিঠি পড়ে সকলকে জানায় সে সেন্ট্রাল গোয়েন্দা পদে চাকরির জন্য আবেদন করেছিল, আর সেই চাকরিটা চয়ন পেয়ে গেছে। এই সংবাদ পেয়ে সকলের বেশ খুশি হয়ে যায়। কিন্তু চয়নের পোস্টিং দিল্লিতে হচ্ছে শুনে সকলেরই মন খারাপ হয়ে যায়। তবে পর্ণা সবাইকে সাহস যোগায়। এবারে আগামী পর্বে কী ঘটছে সেটা দেখতে চোখ রাখুন জি বাংলার পর্দায়।

