রাইকে ফেরাতে অসফল অনির্বাণ! মদ খেয়ে নেশায় ঘোরে ভ’য়ংকর ঘটনা ঘটালো সে!

এই মুহূর্তে জি বাংলার (Zee Bangla) পর্দার সম্প্রচারিত জনপ্রিয় ধারাবাহিক গুলির মধ্যে অন্যতম হচ্ছে মিঠিঝোরা (MithiJhora)। গত সপ্তাহে টিআরপি (TRP) তালিকায় প্রথম পাঁচে প্রবেশ করেছে এই ধারাবাহিক। সময়ের সাথে সাথে দর্শকদের মনের অনেক কাছে পৌঁছে গিয়েছে এই ধারাবাহিকের নায়িকা রাই। নায়িকার চরিত্রে অভিনয় করছেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী আরাত্রিকা মাইতি। এই ধারাবাহিকের নায়ক অনির্বাণের চরিত্রে দেখা যাচ্ছে জনপ্রিয় নায়ক সুমন দেকে। বর্তমানে জমে উঠেছে এই ধারাবাহিকের গল্প।
ধারাবাহিকের বর্তমান প্লট অনুযায়ী, রাই বহুবার বলার পরেও অনির্বাণ তাকে বিশ্বাস না করায় সে নিজেই নিজের ডাক্তার দেখানো এবং অপারেশনের সমস্ত ব্যবস্থা করে আর সেই কাজে তাকে সাহায্য করে তার বোন স্রোত। দীর্ঘ সময় ধরে চলা অপারেশনের পর অবশেষে নতুন জীবন পায় ধারাবাহিকের নায়িকা রাই। সবটা জানার পর থেকেই ক্ষমা চাওয়ার জন্য প্রায় এর আশেপাশে ঘুরঘুর করতে থাকে অনির্বাণ। কিন্তু কেউ তাকে রাই অবধি পৌঁছানোর সুযোগ দেয় না।

মিঠিঝোরা আজকের পর্ব ১৬ সেপ্টেম্বর (MithiJhora Today Episode, MithiJhora Today Episode 16 September)
ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, স্রোত আর রাই দুজন মিলে কথা বলছে এমন সময় তারা শুনতে পায় কেউ কলিং বেল বাজাল। তারা ভেবেছিল হয়তো মা ফিরে এসেছে। কিন্তু দরজা খুলতেই মিষ্টি দেখতে পায় অনির্বাণ সেখানে এসে হাজির হয়েছে। মিষ্টি আর রাইয়ের দাদা বিক্রম কেউ অনির্বাণকে ভিতরে যাওয়ার অনুমতি দিতে চায় না। থানা পুলিশ সব রকমের কথাবার্তা হয়ে যায় কিন্তু তারপরেও তারা অনুমতি দেয় না। ফলে অনির্বাণ আর সময় নষ্ট না করে বিনা অনুমতিতে রাইয়ের ঘরে ঢুকে যায় এবং দরজা বন্ধ করে দেয়।
রাইকে বোঝাতে ব্যর্থ অনির্বাণ
অনির্বাণ রাইকে বলে, “আমি জানি তুমি আমার কাছে ফিরতে চাও কিন্তু স্রোত কষ্ট পাবে বলে ফিরতে পারছ না। আমি ওই বাড়িতে তোমার সমস্ত ব্যবস্থা করে দিচ্ছি। ওটা তোমার বাড়ি।” রাই প্রত্যুত্তরে জানায় ওই বাড়িতে তার কোন অধিকার নেই। অনির্বাণ বলে, “আমি ওই বাড়ি তোমার নামে লিখে দিচ্ছি আর মা বাপিকে মুম্বাই পাঠিয়ে দিচ্ছি।” কিন্তু রাই নিজের জেদে অনড়। সে অনির্বাণকে বলে, “আজও তুমি আমার সমস্ত সিদ্ধান্ত নিজে নিয়ে নিচ্ছো। আমার জিজ্ঞাসা করার প্রয়োজন বোধ করছ না। একদিন আমি আমার সমস্ত কিছুর অধিকার তোমার হাতে তুলে দিয়েছিলাম কিন্তু তুমি সেটা পালন করনি। তাই এবার থেকে আমি নিজের সমস্ত সিদ্ধান্ত নিজেই নেব। তুমি মানসিকভাবে অসুস্থ। তোমার চিকিৎসার প্রয়োজন। তুমি নিজে ঠিক হও তারপর আমাকে ঠিক করার কথা ভাববে।”
আরও পড়ুনঃ দুঃখে দিন কাটছে তাপস কন্যা সোহিনীর, বাবা মারা যাওয়ার পর থেকেই শুরু হয়েছে দুর্ভোগ! মেলেনি একটাও কাজ!
অনির্বাণ শেষ পর্যন্ত আর কিছুই বলতে পারেনা। সে বুঝে যায় রাইকে বোঝানো এই মুহূর্তে সম্ভব নয়। সবার কাছে আরো একবার অপমানিত হয়ে সে নিজের শ্বশুর বাড়ি ছেড়ে বেরিয়ে যায়। এরপর একটা মদের বোতল নিয়ে মাঝে রাস্তায় মদ খেতে খেতে মাতলামি করতে থাকে অনির্বাণ। সে ফোন করে শৌর্য্যকে। ভাইকে ফোন করে অনির্বাণ বলে, তার সবকিছু শেষ হয়ে গেছে। সে আর কারোর মনে জায়গা করে উঠতে পারবে না। শৌর্য্য অনির্বাণের কথাগুলো শুনে বেশ ভয় পেয়ে যায়, শেষ অনির্বাণকে জিজ্ঞাসা করে এই মুহূর্তে ঠিক কোথায় আছে সে। অনির্বাণ সেই সব কিছু বলতে চায় না। সে শুধুই প্রলাপ বকতে থাকে। নিজেকে ঠিক করার বদলে নিজেকে শুধরে নিয়ে একটা স্বচ্ছ মানুষ হওয়ার বদলে অনির্বাণ নিজেকে ভুল পথেই ঠেলে দিচ্ছে। এমন একটা মানুষের কাছে সত্যিই কি ফিরে যাওয়া উচিত রাইয়ের?

